অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
নির্বাচনকালে সেনা মোতায়েনের পক্ষে মত দিয়েছেন সুশীল সমাজের বেশিরভাগ প্রতিনিধিরা। আজ সোমবার বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ শেষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা।
সোমবার সকাল ১১টায় নির্বাচন ভবনে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫৯ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে আমন্ত্রিতদের অনেকেই উপস্থিত হননি বলে জানা গেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে আলাপ-আলোচনায় বেশিরভাগই নির্বাচনকালে সেনাবাহিনী থাকার পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে সেনাবাহিনীকে বাহিনী হিসেবে রাখলে অন্য বাহিনীর ক্ষমতা খর্ব হবে, তাদের কাজ ব্যাহত হবে- এমনও মত দিয়েছেন কয়েকজন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একাদশ সংসদ নির্বাচনকে ভয়মুক্ত ও সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিতের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে সেনা মোতায়েন ছাড়াও তাদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের তাগিদ দিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন সংস্কার, সীমানা পুনঃনির্ধারণসহ ঘোষিত রোডম্যাপ নিয়ে নির্বাচনের কমিশনের সঙ্গে সংলাপে তারা এ মত তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের কাউকে থাকতে দেওয়া হয়নি। তবে সংলাপের এক ফাঁকে ছবি তোলার অনুমতি দেওয়া হয়। সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাগরিক সমাজের কয়েকজন জানান, নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের তাগিদ দিয়েছেন তারা। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করা, সেনা মোতায়েন এবং ‘না’ ভোটের বিধান চালু, নির্বাচনকালীন সরকারের ধরনসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত তুলে ধরেছেন তারা।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















