ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর লিখিত প্রস্তাব বিনিময় করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় টাউন হল সভা চালু থাকবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকার দেশে ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে গেছে: প্রতিমন্ত্রী ‘এক-এগারোর’ মাসুদ উদ্দিন ফের ৪ দিনের রিমান্ডে কাল থেকে ৪ সিটিতে হামের টিকা শুরু, যাদের না দেয়ার পরামর্শ জনগণের অধিকার আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির ‘নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়’ কক্সবাজারের পর্যটন স্পটে মিলবে ফ্রি ইন্টারনেট: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী তেল আছে শুধু সংসদে: জামায়াত আমির

সংসদ নির্বাচনে না ভোট এবং সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘না’ ভোট রাখা এবং মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের দায়িত্বে সেনাবাহিনী মোতায়েন করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন সুশীল সমাজের বেশির ভাগ প্রতিনিধি।আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের থেকে সংলাপ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংলাপের একপর্যায়ে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ও আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ইসির সঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্বপালনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা, নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো, নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইসিকে জনমানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে। ইসি দৃঢ় এবং স্বাধীন ভূমিকায় আছে এটা দৃশ্যমান হতে হবে। এটি সবচেয়ে বড় কাজ।দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও বলেন, কিছু বিষয়ে আইনের দুর্বলতা আছে। সেগুলো সংস্কার করে ঘাটতিগুলো পূরণ করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, সেনাবাহিনীকে যদি ফিলিং স্টেশন, রাস্তা নির্মাণের কাজে ব্যবহার করা যায় তাহলে কেন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে দেওয়া যাবে না। এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যাতে সবাই নির্বাচনে আসতে পারে। প্রার্থী, পোলিং এজেন্টদের ভয় দূর করতে হবে।

‘না’ ভোট প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, না ভোট যেন রাখা হয়। পৃথিবীর অনেক দেশে না ভোট আছে। তিনি আরও বলেন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের কোনো সুযোগ যেন না থাকে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তাসনীম আরিফা সিদ্দিকী বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাজই জনগণের মতকে তুলে ধরা। সেটা করতে গিয়ে বাধা আসবেই। ইসি যদি জনগণের অধিকার রক্ষায় কাজ করে তাহলে জনগণ তাঁদের পছন্দ করবে।

ইসির সূত্র বলেছে, ৫৯ জনকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ইউএনবির খবরে জানা যায়, সংলাপে ৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর

সংসদ নির্বাচনে না ভোট এবং সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব

আপডেট সময় ১১:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘না’ ভোট রাখা এবং মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের দায়িত্বে সেনাবাহিনী মোতায়েন করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন সুশীল সমাজের বেশির ভাগ প্রতিনিধি।আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের থেকে সংলাপ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংলাপের একপর্যায়ে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ও আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ইসির সঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্বপালনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা, নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো, নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইসিকে জনমানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে। ইসি দৃঢ় এবং স্বাধীন ভূমিকায় আছে এটা দৃশ্যমান হতে হবে। এটি সবচেয়ে বড় কাজ।দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও বলেন, কিছু বিষয়ে আইনের দুর্বলতা আছে। সেগুলো সংস্কার করে ঘাটতিগুলো পূরণ করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, সেনাবাহিনীকে যদি ফিলিং স্টেশন, রাস্তা নির্মাণের কাজে ব্যবহার করা যায় তাহলে কেন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে দেওয়া যাবে না। এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যাতে সবাই নির্বাচনে আসতে পারে। প্রার্থী, পোলিং এজেন্টদের ভয় দূর করতে হবে।

‘না’ ভোট প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, না ভোট যেন রাখা হয়। পৃথিবীর অনেক দেশে না ভোট আছে। তিনি আরও বলেন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের কোনো সুযোগ যেন না থাকে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তাসনীম আরিফা সিদ্দিকী বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাজই জনগণের মতকে তুলে ধরা। সেটা করতে গিয়ে বাধা আসবেই। ইসি যদি জনগণের অধিকার রক্ষায় কাজ করে তাহলে জনগণ তাঁদের পছন্দ করবে।

ইসির সূত্র বলেছে, ৫৯ জনকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ইউএনবির খবরে জানা যায়, সংলাপে ৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন।