ঢাকা ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ বিএনপি ‘আত্মঘাতী’ রাজনীতি করছে: মামুনুল হক জুলাই সনদ সরকার ও বিরোধী দলকে মুখোমুখি পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে :পার্থ সনদ বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ার শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধার শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ ইরানকে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ‘অ্যালেক্স ইমন’ নিহত তুরস্কের কাছে ‘সবচেয়ে সুন্দরী নারী’ চেয়ে উগান্ডার সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি!

শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে প্রিন্স মুসার বিরুদ্ধে মামলা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিলাসবহুল গাড়িতে দুই কোটি ১৭ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকি ও সুইস ব্যাংকে ৯৬ হাজার কোটি টাকার অস্বচ্ছ হিসাব দাখিলের কারণে ব্যবসায়ী প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ।আজ সোমবার সকালে শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) জাকির হোসেন বাদী হয়ে মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ আইনে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলাটি করেন। মামলাটির তদন্ত করবে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ।শুল্ক ও গোয়েন্দা তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মঈনুল ইসলাম বিষয়টি জানিয়েছেন।

মঈনুল ইসলাম জানান, শুল্ক গোয়েন্দার অনুসন্ধানে প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা রেঞ্জরোভার গাড়ি ভোলা বিআরটিএর কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে ভুয়া কাগজ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন এবং বেনামে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।

প্রিন্স মুসা ১৭ লাখ টাকা শুল্ক পরিশোধ দেখিয়ে ভুয়া বিল অব এন্ট্রি প্রদর্শন করে গাড়িটি বেনামে রেজিস্ট্রেশন করেন। কিন্তু শুল্ক গোয়েন্দার অনুসন্ধানে দেখা যায়, এ গাড়িতে দুই কোটি ১৭ লাখ টাকার শুল্ক জড়িত।শুল্ক গোয়েন্দার জিজ্ঞাসাবাদে প্রিন্স মুসা লিখিতভাবে জানান, সুইস ব্যাংকে তাঁর ৯৬ হাজার কোটি টাকা গচ্ছিত আছে। কিন্তু তিনি এই টাকার কোনো ব্যাংক হিসাব বা বৈধ উৎস দেখাননি। কয়েকবার নোটিশ দিলেও তিনি তা জমা দেননি।গত ২১ মার্চ প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের গুলশানের বাড়িতে শুল্ক গোয়েন্দা অভিযান চালিয়ে রেঞ্জরোভার গাড়িটি জব্দ করে।

গাড়িটি কার্নেট সুবিধায় আনা হয়েছিল। তবে এ সুবিধার অপব্যবহার করে এবং ব্যক্তিগত আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য ভুয়া শুল্ক পরিশোধের কাগজ দিয়ে গাড়িটি তিনি ব্যবহার করছিলেন। এর আগে শুল্ক গোয়েন্দা এ বিষয়ে ঢাকা কাস্টম হাউসে শুল্ক ফাঁকির মামলা করেছিল। অন্যদিকে, রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির সংযোগ থাকায় তা পৃথকভাবে তদন্তের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে দুদককে অনুরোধ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প

শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে প্রিন্স মুসার বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ১১:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিলাসবহুল গাড়িতে দুই কোটি ১৭ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকি ও সুইস ব্যাংকে ৯৬ হাজার কোটি টাকার অস্বচ্ছ হিসাব দাখিলের কারণে ব্যবসায়ী প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ।আজ সোমবার সকালে শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) জাকির হোসেন বাদী হয়ে মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ আইনে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলাটি করেন। মামলাটির তদন্ত করবে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ।শুল্ক ও গোয়েন্দা তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মঈনুল ইসলাম বিষয়টি জানিয়েছেন।

মঈনুল ইসলাম জানান, শুল্ক গোয়েন্দার অনুসন্ধানে প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা রেঞ্জরোভার গাড়ি ভোলা বিআরটিএর কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে ভুয়া কাগজ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন এবং বেনামে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।

প্রিন্স মুসা ১৭ লাখ টাকা শুল্ক পরিশোধ দেখিয়ে ভুয়া বিল অব এন্ট্রি প্রদর্শন করে গাড়িটি বেনামে রেজিস্ট্রেশন করেন। কিন্তু শুল্ক গোয়েন্দার অনুসন্ধানে দেখা যায়, এ গাড়িতে দুই কোটি ১৭ লাখ টাকার শুল্ক জড়িত।শুল্ক গোয়েন্দার জিজ্ঞাসাবাদে প্রিন্স মুসা লিখিতভাবে জানান, সুইস ব্যাংকে তাঁর ৯৬ হাজার কোটি টাকা গচ্ছিত আছে। কিন্তু তিনি এই টাকার কোনো ব্যাংক হিসাব বা বৈধ উৎস দেখাননি। কয়েকবার নোটিশ দিলেও তিনি তা জমা দেননি।গত ২১ মার্চ প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের গুলশানের বাড়িতে শুল্ক গোয়েন্দা অভিযান চালিয়ে রেঞ্জরোভার গাড়িটি জব্দ করে।

গাড়িটি কার্নেট সুবিধায় আনা হয়েছিল। তবে এ সুবিধার অপব্যবহার করে এবং ব্যক্তিগত আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য ভুয়া শুল্ক পরিশোধের কাগজ দিয়ে গাড়িটি তিনি ব্যবহার করছিলেন। এর আগে শুল্ক গোয়েন্দা এ বিষয়ে ঢাকা কাস্টম হাউসে শুল্ক ফাঁকির মামলা করেছিল। অন্যদিকে, রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির সংযোগ থাকায় তা পৃথকভাবে তদন্তের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে দুদককে অনুরোধ করা হয়েছে।