ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

নেশার টাকার জন্য কলেজছাত্রকে হত্যা, দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরে কলেজছাত্রকে নেশার টাকার জন্য হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মোবাইল ফোন চুরি করে নেয়ার অপরাধে উভয়কে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। সোমবার দুপুর ২টায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হাবিব গাজী নিশান (২৪) চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর রালদিয়া গ্রামের বকাউল বাড়ির মানিক গাজীর ছেলে ও নাজমুল ইসলাম বেপারী সুমন (২৬) একই বাড়ির বাবুল বকাউলের ছেলে।

নিহত যুবক আল-আমিন চাঁদপুর শহরের বিপনবাগ এলাকার মির্জা মো. অজি উল্যাহর ছেলে ও পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের বিবিএ (অনার্স) প্রথম বর্ষের ছাত্র।

সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ অভি এবং আসামিদের পক্ষে সরকার নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন জয়নাল আবেদীন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৩১ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে নিহত আল-আমিনের বন্ধুরা তাকে ফোন করে বাসা থেকে নিয়ে যায়। সে বাসায় ফিরে না আসায় পরদিন ১ নভেম্বর আল-আমিনের বাবা চাঁদপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর তাকে খুঁজে না পাওয়ায় পরদিন ২ নভেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে পুলিশ নিশানকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর আসামি নাজমুলকে আটক করেন। তারা ঘটনার দিন নেশার টাকার জন্য গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বাগানে মাটি চাপা দেন বলে জানান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন চাঁদপুর মডেল থানার এসআই মো. আব্দুর রব তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবালিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্যাহ জানান, আসামিদের উপস্থিতিতে মামলার শুনানি হয়। দীর্ঘ ৫ বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় ছিল। মামলায় অন্তর্ভুক্ত ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এতে আসমিদ্বয় অপরাধ স্বীকার করায় তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং মোবাইল চুরির অপরাধে প্রত্যেককে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

নেশার টাকার জন্য কলেজছাত্রকে হত্যা, দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ১২:০৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরে কলেজছাত্রকে নেশার টাকার জন্য হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মোবাইল ফোন চুরি করে নেয়ার অপরাধে উভয়কে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। সোমবার দুপুর ২টায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হাবিব গাজী নিশান (২৪) চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর রালদিয়া গ্রামের বকাউল বাড়ির মানিক গাজীর ছেলে ও নাজমুল ইসলাম বেপারী সুমন (২৬) একই বাড়ির বাবুল বকাউলের ছেলে।

নিহত যুবক আল-আমিন চাঁদপুর শহরের বিপনবাগ এলাকার মির্জা মো. অজি উল্যাহর ছেলে ও পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের বিবিএ (অনার্স) প্রথম বর্ষের ছাত্র।

সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ অভি এবং আসামিদের পক্ষে সরকার নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন জয়নাল আবেদীন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৩১ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে নিহত আল-আমিনের বন্ধুরা তাকে ফোন করে বাসা থেকে নিয়ে যায়। সে বাসায় ফিরে না আসায় পরদিন ১ নভেম্বর আল-আমিনের বাবা চাঁদপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর তাকে খুঁজে না পাওয়ায় পরদিন ২ নভেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে পুলিশ নিশানকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর আসামি নাজমুলকে আটক করেন। তারা ঘটনার দিন নেশার টাকার জন্য গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বাগানে মাটি চাপা দেন বলে জানান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন চাঁদপুর মডেল থানার এসআই মো. আব্দুর রব তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবালিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্যাহ জানান, আসামিদের উপস্থিতিতে মামলার শুনানি হয়। দীর্ঘ ৫ বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় ছিল। মামলায় অন্তর্ভুক্ত ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এতে আসমিদ্বয় অপরাধ স্বীকার করায় তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং মোবাইল চুরির অপরাধে প্রত্যেককে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।