ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

নেশার টাকার জন্য কলেজছাত্রকে হত্যা, দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরে কলেজছাত্রকে নেশার টাকার জন্য হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মোবাইল ফোন চুরি করে নেয়ার অপরাধে উভয়কে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। সোমবার দুপুর ২টায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হাবিব গাজী নিশান (২৪) চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর রালদিয়া গ্রামের বকাউল বাড়ির মানিক গাজীর ছেলে ও নাজমুল ইসলাম বেপারী সুমন (২৬) একই বাড়ির বাবুল বকাউলের ছেলে।

নিহত যুবক আল-আমিন চাঁদপুর শহরের বিপনবাগ এলাকার মির্জা মো. অজি উল্যাহর ছেলে ও পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের বিবিএ (অনার্স) প্রথম বর্ষের ছাত্র।

সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ অভি এবং আসামিদের পক্ষে সরকার নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন জয়নাল আবেদীন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৩১ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে নিহত আল-আমিনের বন্ধুরা তাকে ফোন করে বাসা থেকে নিয়ে যায়। সে বাসায় ফিরে না আসায় পরদিন ১ নভেম্বর আল-আমিনের বাবা চাঁদপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর তাকে খুঁজে না পাওয়ায় পরদিন ২ নভেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে পুলিশ নিশানকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর আসামি নাজমুলকে আটক করেন। তারা ঘটনার দিন নেশার টাকার জন্য গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বাগানে মাটি চাপা দেন বলে জানান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন চাঁদপুর মডেল থানার এসআই মো. আব্দুর রব তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবালিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্যাহ জানান, আসামিদের উপস্থিতিতে মামলার শুনানি হয়। দীর্ঘ ৫ বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় ছিল। মামলায় অন্তর্ভুক্ত ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এতে আসমিদ্বয় অপরাধ স্বীকার করায় তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং মোবাইল চুরির অপরাধে প্রত্যেককে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

নেশার টাকার জন্য কলেজছাত্রকে হত্যা, দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ১২:০৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরে কলেজছাত্রকে নেশার টাকার জন্য হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মোবাইল ফোন চুরি করে নেয়ার অপরাধে উভয়কে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। সোমবার দুপুর ২টায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হাবিব গাজী নিশান (২৪) চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর রালদিয়া গ্রামের বকাউল বাড়ির মানিক গাজীর ছেলে ও নাজমুল ইসলাম বেপারী সুমন (২৬) একই বাড়ির বাবুল বকাউলের ছেলে।

নিহত যুবক আল-আমিন চাঁদপুর শহরের বিপনবাগ এলাকার মির্জা মো. অজি উল্যাহর ছেলে ও পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের বিবিএ (অনার্স) প্রথম বর্ষের ছাত্র।

সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ অভি এবং আসামিদের পক্ষে সরকার নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন জয়নাল আবেদীন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৩১ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে নিহত আল-আমিনের বন্ধুরা তাকে ফোন করে বাসা থেকে নিয়ে যায়। সে বাসায় ফিরে না আসায় পরদিন ১ নভেম্বর আল-আমিনের বাবা চাঁদপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর তাকে খুঁজে না পাওয়ায় পরদিন ২ নভেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে পুলিশ নিশানকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর আসামি নাজমুলকে আটক করেন। তারা ঘটনার দিন নেশার টাকার জন্য গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বাগানে মাটি চাপা দেন বলে জানান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন চাঁদপুর মডেল থানার এসআই মো. আব্দুর রব তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবালিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্যাহ জানান, আসামিদের উপস্থিতিতে মামলার শুনানি হয়। দীর্ঘ ৫ বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় ছিল। মামলায় অন্তর্ভুক্ত ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এতে আসমিদ্বয় অপরাধ স্বীকার করায় তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং মোবাইল চুরির অপরাধে প্রত্যেককে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।