ঢাকা ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নেশার টাকার জন্য কলেজছাত্রকে হত্যা, দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরে কলেজছাত্রকে নেশার টাকার জন্য হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মোবাইল ফোন চুরি করে নেয়ার অপরাধে উভয়কে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। সোমবার দুপুর ২টায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হাবিব গাজী নিশান (২৪) চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর রালদিয়া গ্রামের বকাউল বাড়ির মানিক গাজীর ছেলে ও নাজমুল ইসলাম বেপারী সুমন (২৬) একই বাড়ির বাবুল বকাউলের ছেলে।

নিহত যুবক আল-আমিন চাঁদপুর শহরের বিপনবাগ এলাকার মির্জা মো. অজি উল্যাহর ছেলে ও পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের বিবিএ (অনার্স) প্রথম বর্ষের ছাত্র।

সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ অভি এবং আসামিদের পক্ষে সরকার নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন জয়নাল আবেদীন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৩১ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে নিহত আল-আমিনের বন্ধুরা তাকে ফোন করে বাসা থেকে নিয়ে যায়। সে বাসায় ফিরে না আসায় পরদিন ১ নভেম্বর আল-আমিনের বাবা চাঁদপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর তাকে খুঁজে না পাওয়ায় পরদিন ২ নভেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে পুলিশ নিশানকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর আসামি নাজমুলকে আটক করেন। তারা ঘটনার দিন নেশার টাকার জন্য গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বাগানে মাটি চাপা দেন বলে জানান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন চাঁদপুর মডেল থানার এসআই মো. আব্দুর রব তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবালিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্যাহ জানান, আসামিদের উপস্থিতিতে মামলার শুনানি হয়। দীর্ঘ ৫ বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় ছিল। মামলায় অন্তর্ভুক্ত ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এতে আসমিদ্বয় অপরাধ স্বীকার করায় তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং মোবাইল চুরির অপরাধে প্রত্যেককে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নেশার টাকার জন্য কলেজছাত্রকে হত্যা, দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ১২:০৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরে কলেজছাত্রকে নেশার টাকার জন্য হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মোবাইল ফোন চুরি করে নেয়ার অপরাধে উভয়কে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। সোমবার দুপুর ২টায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হাবিব গাজী নিশান (২৪) চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর রালদিয়া গ্রামের বকাউল বাড়ির মানিক গাজীর ছেলে ও নাজমুল ইসলাম বেপারী সুমন (২৬) একই বাড়ির বাবুল বকাউলের ছেলে।

নিহত যুবক আল-আমিন চাঁদপুর শহরের বিপনবাগ এলাকার মির্জা মো. অজি উল্যাহর ছেলে ও পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের বিবিএ (অনার্স) প্রথম বর্ষের ছাত্র।

সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ অভি এবং আসামিদের পক্ষে সরকার নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন জয়নাল আবেদীন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৩১ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে নিহত আল-আমিনের বন্ধুরা তাকে ফোন করে বাসা থেকে নিয়ে যায়। সে বাসায় ফিরে না আসায় পরদিন ১ নভেম্বর আল-আমিনের বাবা চাঁদপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর তাকে খুঁজে না পাওয়ায় পরদিন ২ নভেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে পুলিশ নিশানকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর আসামি নাজমুলকে আটক করেন। তারা ঘটনার দিন নেশার টাকার জন্য গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বাগানে মাটি চাপা দেন বলে জানান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন চাঁদপুর মডেল থানার এসআই মো. আব্দুর রব তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবালিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্যাহ জানান, আসামিদের উপস্থিতিতে মামলার শুনানি হয়। দীর্ঘ ৫ বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় ছিল। মামলায় অন্তর্ভুক্ত ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এতে আসমিদ্বয় অপরাধ স্বীকার করায় তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং মোবাইল চুরির অপরাধে প্রত্যেককে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।