অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
মাদারীপুরে প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় কলেজছাত্রীকে বাড়িতে গিয়ে কুপিয়েছে যুবক। এ ঘটনায় গুরুতর আহত ছাত্রীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের মহিষেরচর চৌরাস্তা এলাকায় ছাত্রীর নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আহত কেয়া আক্তার (১৭) ওই গ্রামের মো. মোকলেস শিকদারের মেয়ে ও সরকারি সুফিয়া মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্রী।
অভিযুক্ত যুবক শাওন (২২) শহরের রকেটবিড়ি এলাকার আনু খানের ছেলে।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কলেজছাত্রীকে দীর্ঘদিন থেকে শাওন প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। ওই ছাত্রী প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কলেজে যাওয়া-আসার পথেও তাকে বিরক্ত করত। এ বিষয়টি ওই ছাত্রী তার মা-বাবাকে জানালে তারা শাওনের পরিবারকে বিষয়টি জানায়। এতে শাওন ক্ষিপ্ত হয়ে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে লোকজন নিয়ে ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুখে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে পালিয়ে যায়।
এ সময় ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
আহত জানান, আমি আর আমার মা ঘরের ভেতরে বসা ছিলাম। হঠাৎ করে শাওন লোকজন নিয়ে ঘরে ঢুকে আমার মুখে কোপাতে থাকে। এরপর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। আহতের ভাই রাসেল শিকদার জানান, বখাটে শাওন দীর্ঘদিন ধরে আমার বোনকে কলেজে আসা-যাওয়ার পথে বিরক্ত করত। আমরা বিষয়টি শাওনের বাবা-মাকে জানালেও তার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। উল্টো মঙ্গলবার রাতে শাওন তার ভাইসহ অন্যান্য লোকজন নিয়ে এসে আমাদের ঘরে ঢুকে আমার বোনকে চাপাতি দিয়ে মুখে ও গলায় কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। আমি আমার বোনের হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক আসিফ আল-নাঈম বলেন, আহত কলেজছাত্রীর মুখমণ্ডলে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার ওসি মো. কামরুল হাসান বলেন, এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























