অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ময়মনসিংহের ভালুকায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ স্কুল ড্রেস পরা অবস্থায় ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশ ও ছাত্রীর পরিবার সূত্র জানায়, উপজেলার গোয়ারী ভাওয়ালিয়াবাজু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী গোয়ারী গ্রামের নন্দ দাসের মেয়ে অনন্যা দাস (১৩) রোববার সকাল ৯টায় স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়।
সে স্কুলে না গিয়ে তার বড় বোনের শ্বশুরবাড়ি উপজেলা হাজির বাজার যাওয়ার জন্য ভালুকা বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি লেগুনা গাড়িতে ওঠে। গাড়িচালক তাকে গন্তব্যে না নামিয়ে আরও সামনে দুই কি.মি. দূরে মহাসড়কের মেহেরাবাড়ি এলাকায় অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে হবিরবাড়ি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
সেখান থেকে তাকে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক অনন্যাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যাত্রীভর্তি একটি লেগুনাগাড়ি থেকে মেয়েটিকে মেহেরাবাড়ি এলাকায় সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায়। মেয়েটির পরনে স্কুল ড্রেস ও সঙ্গে একটি ব্যাগ ছিল। ব্যাগের ভেতর একটি ফ্যামেলি ছবি ছিল। ছবি দেখে নয়ন নামে নিহতের বোনজামাইকে শনাক্ত করে খবর দিলে তিনি এসে অনন্যাকে শনাক্ত করেন। পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
অনন্যা দাসের বাবা নন্দ দাস জানান, সকালে তিনি বাইরে কাজে যান, আর অনন্যা বাড়ি থেকে বের হয় স্কুলে যাওয়ার জন্য। পরে মেয়ের জামাই নয়ন বাড়িতে ফোন করে জানায় অনন্যা অসুস্থ। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে গিয়ে দেখেন তার মেয়ের লাশ।
গোয়ারী ভাওয়ালিয়াবাজু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজ উদ্দিন জানান, মেয়েটি তার প্রতিষ্ঠানের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার দিন (রোববার) সে স্কুলের আসেনি। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্তার বলেন, মেয়েটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে।
ভালুকা মডেল থানার এসআই নবী হোসেন জানান, স্কুলছাত্রী অনন্যার বিষয়টি নিয়ে আমরা অনুসন্ধান করছি। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু না অন্য কিছু এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। আমি হাসপাতালে গিয়েছি ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলেছি। এখন অনন্যাদের গ্রামের বাড়ি গোয়ারী এলাকায় যাচ্ছি। বিষয়টি আমরা খুব গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























