ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদের দিন রামিসার পরিবারের সঙ্গে রিজভীর সাক্ষাৎ, জানালেন সমবেদনা ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানিয়ে ওমানের পাশে থাকার ঘোষণা ইরানের নির্ধারিত ১২ ঘণ্টার আগেই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সম্ভব : এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী তদন্তের প্রেক্ষিতে আদ্-দ্বীনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালাল ইরান

একদিকে স্বামীর দাফন অন্যদিকে স্ত্রীর হাতে কড়া

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুন্সীগঞ্জের সদরের পূর্ব শীলমন্দির গ্রামের সৌদি প্রবাসী দীন ইসলাম (৩৫) হত্যার প্রধান আসামি স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন রুনাকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় শনিবার (১৩ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর থানায় স্ত্রীকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে পূর্ব শীলমন্দির শ্বশুরবাড়ি থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্ত্রী রুনাকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে, সোমবার বেলা ১১টায় শীল মান্দির স্কুল মাঠে জানাজা শেষে প্রবাসী দীন ইসলামের মরদেহ দাফন করা হয়। এর আগে রোববার রাতে প্রবাসী দীন ইসলামেরে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত শেষে শাহবাগ পুলিশের সহায়তায় নিজ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মঞ্জুর হোসেন জানান, সোমবার সকালে পূর্ব শীলমান্দি গ্রামের দীন ইসলামের বাড়ি থেকে স্ত্রী রুনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নাসিরনগর থানা পুলিশ আসলে তাদের কাছে আসামিকে হস্তান্তর করা হবে।

নাসির নগর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাদন চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি রুনাকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে রেখেছে। রুনাকে নাসিরনগর থানায় আনার প্রস্ততি নিচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের চাচা বাদী হয়ে শনিবার একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার বাদী নিহতের চাচা শাহ আলম জানান, ১০ বছর আগে ভাতিজা দীন ইসলামের সঙ্গে রুনার বিয়ে হয়। পরে তাদের সংসারে দুই সন্তানের জন্ম হয়। গত এক বছর ধরে রুনার সঙ্গে দীন ইসলামের ঝগড়া চলছিল। এ অবস্থায় রুনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর থানার গুনিয়াউক গ্রামের বাবার বাড়িতে বসবাস করছিল। এরই মধ্যে কিছুদিনের ছুটি নিয়ে ভাতিজা দীন ইসলাম বাংলাদেশে আসে এবং গত ১০ জানুয়ারি স্ত্রীকে আনতে শ্বশুরবাড়ি যায়।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি ১১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাত ২টার দিকে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন দীন ইসলামের মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে। পরবর্তীতে তাকে সিলেটের হবিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি দেখে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে দীন ইসলামের মৃত্যু হয়। পরে সেখান থেকে ভাতিজার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাদের এ সংবাদ দিয়ে হাসপাতাল থেকে সটকে পড়ে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

একদিকে স্বামীর দাফন অন্যদিকে স্ত্রীর হাতে কড়া

আপডেট সময় ০১:৩৮:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুন্সীগঞ্জের সদরের পূর্ব শীলমন্দির গ্রামের সৌদি প্রবাসী দীন ইসলাম (৩৫) হত্যার প্রধান আসামি স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন রুনাকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় শনিবার (১৩ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর থানায় স্ত্রীকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে পূর্ব শীলমন্দির শ্বশুরবাড়ি থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্ত্রী রুনাকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে, সোমবার বেলা ১১টায় শীল মান্দির স্কুল মাঠে জানাজা শেষে প্রবাসী দীন ইসলামের মরদেহ দাফন করা হয়। এর আগে রোববার রাতে প্রবাসী দীন ইসলামেরে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত শেষে শাহবাগ পুলিশের সহায়তায় নিজ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মঞ্জুর হোসেন জানান, সোমবার সকালে পূর্ব শীলমান্দি গ্রামের দীন ইসলামের বাড়ি থেকে স্ত্রী রুনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নাসিরনগর থানা পুলিশ আসলে তাদের কাছে আসামিকে হস্তান্তর করা হবে।

নাসির নগর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাদন চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি রুনাকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে রেখেছে। রুনাকে নাসিরনগর থানায় আনার প্রস্ততি নিচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের চাচা বাদী হয়ে শনিবার একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার বাদী নিহতের চাচা শাহ আলম জানান, ১০ বছর আগে ভাতিজা দীন ইসলামের সঙ্গে রুনার বিয়ে হয়। পরে তাদের সংসারে দুই সন্তানের জন্ম হয়। গত এক বছর ধরে রুনার সঙ্গে দীন ইসলামের ঝগড়া চলছিল। এ অবস্থায় রুনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর থানার গুনিয়াউক গ্রামের বাবার বাড়িতে বসবাস করছিল। এরই মধ্যে কিছুদিনের ছুটি নিয়ে ভাতিজা দীন ইসলাম বাংলাদেশে আসে এবং গত ১০ জানুয়ারি স্ত্রীকে আনতে শ্বশুরবাড়ি যায়।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি ১১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাত ২টার দিকে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন দীন ইসলামের মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে। পরবর্তীতে তাকে সিলেটের হবিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি দেখে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে দীন ইসলামের মৃত্যু হয়। পরে সেখান থেকে ভাতিজার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাদের এ সংবাদ দিয়ে হাসপাতাল থেকে সটকে পড়ে।