ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

একদিকে স্বামীর দাফন অন্যদিকে স্ত্রীর হাতে কড়া

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুন্সীগঞ্জের সদরের পূর্ব শীলমন্দির গ্রামের সৌদি প্রবাসী দীন ইসলাম (৩৫) হত্যার প্রধান আসামি স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন রুনাকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় শনিবার (১৩ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর থানায় স্ত্রীকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে পূর্ব শীলমন্দির শ্বশুরবাড়ি থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্ত্রী রুনাকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে, সোমবার বেলা ১১টায় শীল মান্দির স্কুল মাঠে জানাজা শেষে প্রবাসী দীন ইসলামের মরদেহ দাফন করা হয়। এর আগে রোববার রাতে প্রবাসী দীন ইসলামেরে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত শেষে শাহবাগ পুলিশের সহায়তায় নিজ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মঞ্জুর হোসেন জানান, সোমবার সকালে পূর্ব শীলমান্দি গ্রামের দীন ইসলামের বাড়ি থেকে স্ত্রী রুনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নাসিরনগর থানা পুলিশ আসলে তাদের কাছে আসামিকে হস্তান্তর করা হবে।

নাসির নগর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাদন চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি রুনাকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে রেখেছে। রুনাকে নাসিরনগর থানায় আনার প্রস্ততি নিচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের চাচা বাদী হয়ে শনিবার একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার বাদী নিহতের চাচা শাহ আলম জানান, ১০ বছর আগে ভাতিজা দীন ইসলামের সঙ্গে রুনার বিয়ে হয়। পরে তাদের সংসারে দুই সন্তানের জন্ম হয়। গত এক বছর ধরে রুনার সঙ্গে দীন ইসলামের ঝগড়া চলছিল। এ অবস্থায় রুনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর থানার গুনিয়াউক গ্রামের বাবার বাড়িতে বসবাস করছিল। এরই মধ্যে কিছুদিনের ছুটি নিয়ে ভাতিজা দীন ইসলাম বাংলাদেশে আসে এবং গত ১০ জানুয়ারি স্ত্রীকে আনতে শ্বশুরবাড়ি যায়।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি ১১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাত ২টার দিকে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন দীন ইসলামের মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে। পরবর্তীতে তাকে সিলেটের হবিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি দেখে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে দীন ইসলামের মৃত্যু হয়। পরে সেখান থেকে ভাতিজার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাদের এ সংবাদ দিয়ে হাসপাতাল থেকে সটকে পড়ে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

একদিকে স্বামীর দাফন অন্যদিকে স্ত্রীর হাতে কড়া

আপডেট সময় ০১:৩৮:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুন্সীগঞ্জের সদরের পূর্ব শীলমন্দির গ্রামের সৌদি প্রবাসী দীন ইসলাম (৩৫) হত্যার প্রধান আসামি স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন রুনাকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় শনিবার (১৩ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর থানায় স্ত্রীকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে পূর্ব শীলমন্দির শ্বশুরবাড়ি থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্ত্রী রুনাকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে, সোমবার বেলা ১১টায় শীল মান্দির স্কুল মাঠে জানাজা শেষে প্রবাসী দীন ইসলামের মরদেহ দাফন করা হয়। এর আগে রোববার রাতে প্রবাসী দীন ইসলামেরে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত শেষে শাহবাগ পুলিশের সহায়তায় নিজ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মঞ্জুর হোসেন জানান, সোমবার সকালে পূর্ব শীলমান্দি গ্রামের দীন ইসলামের বাড়ি থেকে স্ত্রী রুনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নাসিরনগর থানা পুলিশ আসলে তাদের কাছে আসামিকে হস্তান্তর করা হবে।

নাসির নগর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাদন চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি রুনাকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে রেখেছে। রুনাকে নাসিরনগর থানায় আনার প্রস্ততি নিচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের চাচা বাদী হয়ে শনিবার একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার বাদী নিহতের চাচা শাহ আলম জানান, ১০ বছর আগে ভাতিজা দীন ইসলামের সঙ্গে রুনার বিয়ে হয়। পরে তাদের সংসারে দুই সন্তানের জন্ম হয়। গত এক বছর ধরে রুনার সঙ্গে দীন ইসলামের ঝগড়া চলছিল। এ অবস্থায় রুনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর থানার গুনিয়াউক গ্রামের বাবার বাড়িতে বসবাস করছিল। এরই মধ্যে কিছুদিনের ছুটি নিয়ে ভাতিজা দীন ইসলাম বাংলাদেশে আসে এবং গত ১০ জানুয়ারি স্ত্রীকে আনতে শ্বশুরবাড়ি যায়।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি ১১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাত ২টার দিকে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন দীন ইসলামের মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে। পরবর্তীতে তাকে সিলেটের হবিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি দেখে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে দীন ইসলামের মৃত্যু হয়। পরে সেখান থেকে ভাতিজার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাদের এ সংবাদ দিয়ে হাসপাতাল থেকে সটকে পড়ে।