ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খন্দকার মোশাররফকে প্রধান করে বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠিত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ ও গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের মধ্যকার বিদ্যমান দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কন্নোয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সংসদীয় সম্পৃক্ততাকে আরও সুদৃঢ় এবং সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপিকে চেয়ারপার্সন করে সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে ১০ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন করা হয়েছে।

নবগঠিত বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের সদস্যগণ হচ্ছেন, বিএনপির মো.শহিদুল ইসলাম এমপি (ফরিদপুর-৪), মো. হাসান রাজিব প্রধান এমপি (লালমনিরহাট-১), মো. খালেদ হোসেন মাহবুব এমপি (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৩), শাকিলা ফারজানা এমপি (সংরক্ষিত মহিলা আসন-৮), জাহরাত আদিব চৌধুরী এমপি (সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৭), মাহমুদা হাবিবা এমপি (সংরক্ষিত মহিলা আসন-১৩), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ নাজিবুর রহমান এমপি (পাবনা-১) ও মো. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ এমপি (যশোহর -২) এবং এনসিপির মো. আবুল হাসানাত এমপি (কুমিল্লা -৪)। বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ের সহকারী সচিব মো. ইকবাল বাশার (১৩ জুলাই) স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

নবগঠিত বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের চেয়ারপার্সন বীর মুক্তিযোদ্ধা ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন একাধিক মেয়াদে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সমিতির সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। দুই দেশের সম্পর্কন্নোয়নে ড. খন্দকার মোশাররফ নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তিনি কুমিল্লা-১ এবং ২ আসন থেকে ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ৩ মেয়াদে বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ড.মোশাররফ ২০০১-০৬ মেয়াদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৫৬তম স্বাস্থ্য সন্মেলনে ১৯২টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সন্মেলনে ‘ওয়ার্ল্ড নো টোবাকো’ আইনসহ বিশ্ব স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। নন্দিত রাজনীতিক ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন তার নির্বাচনী এলাকায় সর্বক্ষেত্রে সহস্রাধিক কোটি টাকার যুগান্তকারী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি ২০০৪ সালে দাউদকান্দি উপজেলার উত্তর এলাকায় ৯টি নিয়ে তিতাস উপজেলা এবং দাউদকান্দি পৌর এলাকায় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন।

তিনি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী থাকাকালে দাউদকান্দিতে পৌরসভা প্রতিষ্ঠা করেছেন। নিজ নামে প্রতিষ্ঠিত ড.মোশাররফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দাউদকান্দি ও ইলিয়টগঞ্জে ২টি ডিগ্রি কলেজ, গৌরীপুরে গার্লস হাইস্কুল, নৈয়াইরে হাইস্কুল, সোনাকান্দায় দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্স এবং তিতাসের গোপালপুর হাইস্কুল প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষাক্ষেত্রে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। ড.মোশাররফ এখনো দাউদকান্দি ও মেঘনার উন্নয়নে অফুরান কাজ করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খন্দকার মোশাররফকে প্রধান করে বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠিত

আপডেট সময় ০৯:৪০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ ও গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের মধ্যকার বিদ্যমান দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কন্নোয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সংসদীয় সম্পৃক্ততাকে আরও সুদৃঢ় এবং সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপিকে চেয়ারপার্সন করে সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে ১০ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন করা হয়েছে।

নবগঠিত বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের সদস্যগণ হচ্ছেন, বিএনপির মো.শহিদুল ইসলাম এমপি (ফরিদপুর-৪), মো. হাসান রাজিব প্রধান এমপি (লালমনিরহাট-১), মো. খালেদ হোসেন মাহবুব এমপি (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৩), শাকিলা ফারজানা এমপি (সংরক্ষিত মহিলা আসন-৮), জাহরাত আদিব চৌধুরী এমপি (সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৭), মাহমুদা হাবিবা এমপি (সংরক্ষিত মহিলা আসন-১৩), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ নাজিবুর রহমান এমপি (পাবনা-১) ও মো. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ এমপি (যশোহর -২) এবং এনসিপির মো. আবুল হাসানাত এমপি (কুমিল্লা -৪)। বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ের সহকারী সচিব মো. ইকবাল বাশার (১৩ জুলাই) স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

নবগঠিত বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের চেয়ারপার্সন বীর মুক্তিযোদ্ধা ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন একাধিক মেয়াদে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সমিতির সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। দুই দেশের সম্পর্কন্নোয়নে ড. খন্দকার মোশাররফ নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তিনি কুমিল্লা-১ এবং ২ আসন থেকে ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ৩ মেয়াদে বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ড.মোশাররফ ২০০১-০৬ মেয়াদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৫৬তম স্বাস্থ্য সন্মেলনে ১৯২টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সন্মেলনে ‘ওয়ার্ল্ড নো টোবাকো’ আইনসহ বিশ্ব স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। নন্দিত রাজনীতিক ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন তার নির্বাচনী এলাকায় সর্বক্ষেত্রে সহস্রাধিক কোটি টাকার যুগান্তকারী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি ২০০৪ সালে দাউদকান্দি উপজেলার উত্তর এলাকায় ৯টি নিয়ে তিতাস উপজেলা এবং দাউদকান্দি পৌর এলাকায় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন।

তিনি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী থাকাকালে দাউদকান্দিতে পৌরসভা প্রতিষ্ঠা করেছেন। নিজ নামে প্রতিষ্ঠিত ড.মোশাররফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দাউদকান্দি ও ইলিয়টগঞ্জে ২টি ডিগ্রি কলেজ, গৌরীপুরে গার্লস হাইস্কুল, নৈয়াইরে হাইস্কুল, সোনাকান্দায় দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্স এবং তিতাসের গোপালপুর হাইস্কুল প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষাক্ষেত্রে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। ড.মোশাররফ এখনো দাউদকান্দি ও মেঘনার উন্নয়নে অফুরান কাজ করছেন।