ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুসুম্বা মসজিদের দানবাক্সে মিলল পৌনে ১৩ লাখ টাকা ও স্বর্ণের চামচ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নওগাঁর মান্দা উপজেলার ঐতিহাসিক কুসুম্বা শাহী মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার ১২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা, স্বর্ণের চামচসহ বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার সময় স্থানীয় প্রশাসন ও মসজিদ কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে এই দানবাক্স খোলা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটি দেখতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় জমান। ৫ টাকার নোটে মুদ্রিত এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদে এসে অনেকেই নিজেদের মনোবাসনা পূরণের উদ্দেশ্যে মানত ও দান করে থাকেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি তিন মাস পরপর এই দানবাক্স খোলা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দানবাক্স খোলার পর শুরু হয় টাকা গণনার কাজ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, মসজিদের ইমাম, খাদেম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এবারে টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা। দানবাক্সে নগদ টাকার পাশাপাশি মানত করা বিভিন্ন স্বর্ণের গহনা, চামচসহ ভারত ও মালয়েশিয়া দেশের মুদ্রাও পাওয়া গেছে।

মসজিদ কমিটির সভাপতি ও ইউএনও আখতার জাহান সাথী জানান, দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত এই অর্থ ও স্বর্ণালংকার স্বচ্ছতার সঙ্গে হিসাব করে মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নয়নমূলক কাজ এবং ধর্মীয় কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে। ঐতিহাসিক এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের ঐতিহ্য ধরে রাখতে স্থানীয় প্রশাসন সবসময় তৎপর রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুসুম্বা মসজিদের দানবাক্সে মিলল পৌনে ১৩ লাখ টাকা ও স্বর্ণের চামচ

আপডেট সময় ০৭:৪০:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নওগাঁর মান্দা উপজেলার ঐতিহাসিক কুসুম্বা শাহী মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার ১২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা, স্বর্ণের চামচসহ বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার সময় স্থানীয় প্রশাসন ও মসজিদ কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে এই দানবাক্স খোলা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটি দেখতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় জমান। ৫ টাকার নোটে মুদ্রিত এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদে এসে অনেকেই নিজেদের মনোবাসনা পূরণের উদ্দেশ্যে মানত ও দান করে থাকেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি তিন মাস পরপর এই দানবাক্স খোলা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দানবাক্স খোলার পর শুরু হয় টাকা গণনার কাজ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, মসজিদের ইমাম, খাদেম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এবারে টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা। দানবাক্সে নগদ টাকার পাশাপাশি মানত করা বিভিন্ন স্বর্ণের গহনা, চামচসহ ভারত ও মালয়েশিয়া দেশের মুদ্রাও পাওয়া গেছে।

মসজিদ কমিটির সভাপতি ও ইউএনও আখতার জাহান সাথী জানান, দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত এই অর্থ ও স্বর্ণালংকার স্বচ্ছতার সঙ্গে হিসাব করে মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নয়নমূলক কাজ এবং ধর্মীয় কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে। ঐতিহাসিক এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের ঐতিহ্য ধরে রাখতে স্থানীয় প্রশাসন সবসময় তৎপর রয়েছে।