ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড় তেলের দাম বিশ্ববাজারে দ্বিগুণ বাড়লেও আমরা সামান্য বাড়িয়েছি: জ্বালানি মন্ত্রী আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কাছে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’: গোলাম পরওয়ার ইসরাইল বিজয় ছিনিয়ে আনতে জানে: ট্রাম্প মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস ১০৭ বছরের পুরোনো মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর চাকরি পুনর্বহাল চেয়ে মতিঝিলে ৬ ইসলামী ব্যাংকের সাবেক কর্মীদের অবস্থান

মুক্তিপণ না দেয়ায় শিশুকে হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের শিবজয়নগর এলাকার একটি ডোবা থেকে থেকে অপহৃত সাত বছর বয়সী শিশু শাহ পরানের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে থানার এসআই মমিনুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। অপহরণের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুইজনকে।

শিশু পরান সাতপাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র এবং শিব জয়নগরের মো. সাবাস মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়- গত ৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সাতপাড়িয়া একটি দোকানের সামনে থেকে শাহ পরানকে অপহরণ করে নিয়ে যায় একই গ্রামের তাউস মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া ও তার সহযোগী বড়লেখা উপজেলার চাঁনগ্রাম আকুল নগরের মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাশেল মিয়া। সন্ধ্যায় শাহ পরান বাড়ি না ফিরলে স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রাতে জালাল ও রাশেল মোবাইলে শাহ পরানের মুক্তির জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন।

৭ জানুয়ারি শাহ পরানের বাবা সাবাস মিয়া থানায় একটি জিডি করেন। জিডিতে উল্লেখিত মোবাইল নম্বর ট্রাকিং করে থানার এসআই মমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার ভোরে জালাল মিয়া ও রাশেল মিয়াকে বড়লেখা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী রাতে শিবজয়নগর একটি ডোবার পানির নিচ থেকে শাহ পরানের লাশ উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মুক্তিপণের টাকা না দেয়ায় তাকে হত্যা করে মরদেহ পানির ডুবিয়ে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকেই আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনো কোনো মামলা হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

মুক্তিপণ না দেয়ায় শিশুকে হত্যা

আপডেট সময় ১০:৪১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের শিবজয়নগর এলাকার একটি ডোবা থেকে থেকে অপহৃত সাত বছর বয়সী শিশু শাহ পরানের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে থানার এসআই মমিনুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। অপহরণের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুইজনকে।

শিশু পরান সাতপাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র এবং শিব জয়নগরের মো. সাবাস মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়- গত ৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সাতপাড়িয়া একটি দোকানের সামনে থেকে শাহ পরানকে অপহরণ করে নিয়ে যায় একই গ্রামের তাউস মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া ও তার সহযোগী বড়লেখা উপজেলার চাঁনগ্রাম আকুল নগরের মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাশেল মিয়া। সন্ধ্যায় শাহ পরান বাড়ি না ফিরলে স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রাতে জালাল ও রাশেল মোবাইলে শাহ পরানের মুক্তির জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন।

৭ জানুয়ারি শাহ পরানের বাবা সাবাস মিয়া থানায় একটি জিডি করেন। জিডিতে উল্লেখিত মোবাইল নম্বর ট্রাকিং করে থানার এসআই মমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার ভোরে জালাল মিয়া ও রাশেল মিয়াকে বড়লেখা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী রাতে শিবজয়নগর একটি ডোবার পানির নিচ থেকে শাহ পরানের লাশ উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মুক্তিপণের টাকা না দেয়ায় তাকে হত্যা করে মরদেহ পানির ডুবিয়ে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকেই আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনো কোনো মামলা হয়নি।