ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পাচার ঠেকাতে ইলিশ রফতানির সুযোগ দেবে সরকার: নারায়ণ চন্দ্র

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘পাচার ঠেকাতে’ ইলিশ রফতানির সুযোগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। তিনি বলেন, আমরা রফতানির দিকে যেতে চাচ্ছি এই কারণেও যে আমাদের ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারেও চাহিদা রয়েছে। সে জন্য আমরা কিছুটা রফতানি করতে চাই। সোমবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রীর এমন ঘোষণায় সাড়ে পাঁচ বছর পর ইলিশ রফতানির বাধা কাটল। ২০১২ সালের ১ আগস্ট থেকে ইলিশসহ সব মাছ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। পরে ওই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর ইলিশ ছাড়া অন্য সব মাছ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী থেকে একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, আমরা রফতানির (ইলিশ) দিকেও যেতে চাইছি। এ কারণে যে আমাদের উৎপাদন হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা রয়েছে। সে জন্য রফতানি করতে চাই। আর রফতানি না করলে অনেক সময় মাছ কিন্তু বিভিন্ন দিক থেকে চলে যায়। এতে রাজস্ব থেকে রাষ্ট্র বঞ্চিত হয়। আমরা যদি রফতানি করি, তা হলে ওপেন পথটা করে দেওয়া যায়। গোপনে যাওয়ার পথটা তখন অনেকটা সংকুচিত হয়ে যায়।

রফতানি হলেও মা ইলিশ সংরক্ষণে গত কয়েক বছর ধরে সরকার যে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে, তা অব্যাহত থাকবে বলে জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা ডিম ছাড়ার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছি, জাটকা নিধন বন্ধ রাখার প্রকল্প চলবে। ইলিশ মাছের বিচরণ ক্ষেত্রগুলোও সংরক্ষিত রাখা হবে।

মন্ত্রী জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেদের দাদনের হাত থেকে রক্ষায় তাদের স্বাবলম্বী করে তুলতে একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে এবং গভীর সমুদ্র থেকে মাছ আহরণ করতে গবেষণা চলছে। তিনি বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন ছিল ৩ দশমিক ৯৫ লাখ টন। আর ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৫ লাখ টন।

আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে দেশে দুধের ঘাটতিও পূরণ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে আমরা পুষ্টি চাহিদা পূরণে মৎস্য ও প্রাণিজ আমিষ, দুধ, ডিমসহ সব ক্ষেত্রে অতিদ্রুত স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে চাই।

মাংসের দাম নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম কম। চেষ্টা করছি অন্যগুলো (মাংসের দাম) নিয়ন্ত্রণে আনতে। উৎপাদন খরচ অনেক বেশি হয়। এই খরচ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে দাম কমবে। দেশে পর্যাপ্তসংখ্যক গরু উৎপাদন হওয়ায় বিদেশ থেকে আপাতত আর আমদানির পরিকল্পনা নেই বলে জানান প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পাচার ঠেকাতে ইলিশ রফতানির সুযোগ দেবে সরকার: নারায়ণ চন্দ্র

আপডেট সময় ১০:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘পাচার ঠেকাতে’ ইলিশ রফতানির সুযোগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। তিনি বলেন, আমরা রফতানির দিকে যেতে চাচ্ছি এই কারণেও যে আমাদের ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারেও চাহিদা রয়েছে। সে জন্য আমরা কিছুটা রফতানি করতে চাই। সোমবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রীর এমন ঘোষণায় সাড়ে পাঁচ বছর পর ইলিশ রফতানির বাধা কাটল। ২০১২ সালের ১ আগস্ট থেকে ইলিশসহ সব মাছ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। পরে ওই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর ইলিশ ছাড়া অন্য সব মাছ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী থেকে একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, আমরা রফতানির (ইলিশ) দিকেও যেতে চাইছি। এ কারণে যে আমাদের উৎপাদন হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা রয়েছে। সে জন্য রফতানি করতে চাই। আর রফতানি না করলে অনেক সময় মাছ কিন্তু বিভিন্ন দিক থেকে চলে যায়। এতে রাজস্ব থেকে রাষ্ট্র বঞ্চিত হয়। আমরা যদি রফতানি করি, তা হলে ওপেন পথটা করে দেওয়া যায়। গোপনে যাওয়ার পথটা তখন অনেকটা সংকুচিত হয়ে যায়।

রফতানি হলেও মা ইলিশ সংরক্ষণে গত কয়েক বছর ধরে সরকার যে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে, তা অব্যাহত থাকবে বলে জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা ডিম ছাড়ার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছি, জাটকা নিধন বন্ধ রাখার প্রকল্প চলবে। ইলিশ মাছের বিচরণ ক্ষেত্রগুলোও সংরক্ষিত রাখা হবে।

মন্ত্রী জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেদের দাদনের হাত থেকে রক্ষায় তাদের স্বাবলম্বী করে তুলতে একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে এবং গভীর সমুদ্র থেকে মাছ আহরণ করতে গবেষণা চলছে। তিনি বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন ছিল ৩ দশমিক ৯৫ লাখ টন। আর ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৫ লাখ টন।

আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে দেশে দুধের ঘাটতিও পূরণ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে আমরা পুষ্টি চাহিদা পূরণে মৎস্য ও প্রাণিজ আমিষ, দুধ, ডিমসহ সব ক্ষেত্রে অতিদ্রুত স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে চাই।

মাংসের দাম নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম কম। চেষ্টা করছি অন্যগুলো (মাংসের দাম) নিয়ন্ত্রণে আনতে। উৎপাদন খরচ অনেক বেশি হয়। এই খরচ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে দাম কমবে। দেশে পর্যাপ্তসংখ্যক গরু উৎপাদন হওয়ায় বিদেশ থেকে আপাতত আর আমদানির পরিকল্পনা নেই বলে জানান প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ।