ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

প্রচার হচ্ছে প্রিন্সেস ডায়ানার যৌন জীবনের রেকর্ডিং

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রথমবারের মতো প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানার যৌন জীবন নিয়ে রেকর্ডিংয়ের অংশ বিশেষ প্রকাশ করবে বৃটিশ টিভির চ্যানেল ফোর। তারা বলেছে, তাদের ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ একটি আর্কাইভ রয়েছে। তাদের কাছে রয়েছে প্রিন্সেস ডায়ানার অনেকগুলো ভিডিও রেকর্ডিং। তবে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে তিনি যৌন জীবন নিয়ে যেসব আলোচনা বা তার সঙ্গে এ নিয়ে যেসব কথোপকথন হয়েছে তা প্রচার করা হবে কিনা তা বলা হয় নি ওই টিভির পক্ষ থেকে। এ নিয়ে বৃটেনজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯২ থেকে ১৯৯৩ সালের মধ্যে ঐতিহাসিক কেনসিংটন রাজপ্রাসাদে যাওয়ার অনুমতি ছিল চ্যানেল ফোরের। সেখানেই তারা ওইসব ভিডিও ধারণ করেছে। তাতে রয়েছে কন্ঠ বিষয়ক কোচ, বৃটেনে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা পিটার সেটেলেনের সঙ্গে প্রিন্সেস ডাঢানাকে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অন্তরঙ্গ আলোচনা। একজন টিভি প্রযোজক এসব ভিডিও টেপকে ‘ডিনামাইট; হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কারণ, এগুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এর আগে বৃটেনের কোনো টেলিভিশনে এ ভিডিও কখনো প্রচার করা হয় নি। কিন্তু প্রিন্সেস ডায়ানাকে নিয়ে দীর্ঘ একটি ফিচার ডকুমেন্টারি তৈরি করেছে চ্যানেল ফোর। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘ডায়ানা: ইন হার ওন ওয়ার্ডস’। ডকুমেন্টারিটি আগস্টের প্রথম দিকে প্রচার করার পরিকল্পনা নিয়েছে ওই চ্যানেল। তবে তাতে সরাসরি যৌন জীবন নিয়ে প্রিন্সেস ডায়ানার যেসব কথা আছে তা প্রচার করবে কিনা তা জানাতে এখন পর্যন্ত অস্বীকার করেছে ওই চ্যানেল কর্তৃপক্ষ।

পিটার সেটেলেন যখন ডায়ানার কণ্ঠ বিষয়ক কোট ছিলেন ওই সময়কার ২১ ঘন্টার ফুটেজ রয়েছে। সেটেলেন যখন এই কোচের দায়িত্ব পালন করেন তখন প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে তার যৌন সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন চ্যানেল এনবিসি এ সংক্রান্ত কিছু অংশ প্রচার করে। তাতে প্রিন্সেস ডায়ানাকে প্রিন্স চার্লস সম্পর্কে বলতে শোনা যায়, এটা ছিল বাজে। খুব বাজে বিষয়। তবুও তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক ছিল। এটা ছিল। তা সাত বছর আগে থেকে যেন সরে গিয়েছিল। বিবেক আমাকে বললো- এটা শুধুই একটা বাজে ব্যাপার। তার কাছ থেকে এমনটা কখনো চাওয়ার নয়। প্রতি তিন সপ্তাহে একবার…। আমি ভাবতে থাকলাম এবং তারপর আমি একটি প্যাটার্ন ফলো করা শুরু করলাম। আমাদের বিয়ে হওয়ার আগে প্রতি তিন সপ্তাহে একবার সে তার প্রিয়তমার (ক্যামিলা, বর্তমানে ডাচেস অব কর্নওয়াল ও প্রিন্স চার্লসের দ্বিতীয় স্ত্রী) কাছে যেতো। সে (প্রিন্স চার্লস) তো আমাকে প্রতি সপ্তাহে প্রতিদিন ফোন করতো। তারপর সে তিন সপ্তাহ আমার সঙ্গে কথাই বলতো না। এটা খুব বাজে ব্যাপর। আমাকে তা মেনে নিতে হতো। আমি মনে করতাম। ঠিক আছে। আমি আমার স্বামীকে বলতাম কেন তোমার জীবনে এই নারী? জবাবে সে আমাকে বলেছিল, আমি এমন প্রিন্স অব ওয়েলস হতে চাই না, যার একজন মিস্ট্রেস থাকবে না।

ওদিকে সেটেলেন বলেছেন, প্রিন্সেস ডায়ানা কখনোই চান নি যে এ ভিডিওগুলো প্রকাশ্যে আসুক। ২০০৪ সালে এনবিসি যখন তা প্রচার করবে তার আগে রাজকীয় এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে রিপোর্ট করেছিল টেলিগ্রাফ। তাতে বলা হয়েছিল, প্রকাশকরা বা ডকুমেন্ট নির্মাতারা যেভাবেই এটা উপস্থাপন করুক তাতে কোনো অসুবিধা নেই। এতে অবশ্যই প্রিন্সেস ডায়ানার সন্তান ও প্রিন্স চার্লস অস্বস্তিতে পড়বেন। বৃটিশ টিভি দর্শকরা কি প্রথমবার প্রিন্সে ডায়ানার যৌন জীবন নিয়ে ডকুমেন্টারি দেখতে যাচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে কর্তৃপক্ষ বলেছে, কি দেখানো হবে তা আমরা এখনই জানাচ্ছি না। আমরা তাড়াতাড়িই তা প্রচার করবো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

প্রচার হচ্ছে প্রিন্সেস ডায়ানার যৌন জীবনের রেকর্ডিং

আপডেট সময় ০১:২৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রথমবারের মতো প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানার যৌন জীবন নিয়ে রেকর্ডিংয়ের অংশ বিশেষ প্রকাশ করবে বৃটিশ টিভির চ্যানেল ফোর। তারা বলেছে, তাদের ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ একটি আর্কাইভ রয়েছে। তাদের কাছে রয়েছে প্রিন্সেস ডায়ানার অনেকগুলো ভিডিও রেকর্ডিং। তবে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে তিনি যৌন জীবন নিয়ে যেসব আলোচনা বা তার সঙ্গে এ নিয়ে যেসব কথোপকথন হয়েছে তা প্রচার করা হবে কিনা তা বলা হয় নি ওই টিভির পক্ষ থেকে। এ নিয়ে বৃটেনজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯২ থেকে ১৯৯৩ সালের মধ্যে ঐতিহাসিক কেনসিংটন রাজপ্রাসাদে যাওয়ার অনুমতি ছিল চ্যানেল ফোরের। সেখানেই তারা ওইসব ভিডিও ধারণ করেছে। তাতে রয়েছে কন্ঠ বিষয়ক কোচ, বৃটেনে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা পিটার সেটেলেনের সঙ্গে প্রিন্সেস ডাঢানাকে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অন্তরঙ্গ আলোচনা। একজন টিভি প্রযোজক এসব ভিডিও টেপকে ‘ডিনামাইট; হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কারণ, এগুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এর আগে বৃটেনের কোনো টেলিভিশনে এ ভিডিও কখনো প্রচার করা হয় নি। কিন্তু প্রিন্সেস ডায়ানাকে নিয়ে দীর্ঘ একটি ফিচার ডকুমেন্টারি তৈরি করেছে চ্যানেল ফোর। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘ডায়ানা: ইন হার ওন ওয়ার্ডস’। ডকুমেন্টারিটি আগস্টের প্রথম দিকে প্রচার করার পরিকল্পনা নিয়েছে ওই চ্যানেল। তবে তাতে সরাসরি যৌন জীবন নিয়ে প্রিন্সেস ডায়ানার যেসব কথা আছে তা প্রচার করবে কিনা তা জানাতে এখন পর্যন্ত অস্বীকার করেছে ওই চ্যানেল কর্তৃপক্ষ।

পিটার সেটেলেন যখন ডায়ানার কণ্ঠ বিষয়ক কোট ছিলেন ওই সময়কার ২১ ঘন্টার ফুটেজ রয়েছে। সেটেলেন যখন এই কোচের দায়িত্ব পালন করেন তখন প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে তার যৌন সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন চ্যানেল এনবিসি এ সংক্রান্ত কিছু অংশ প্রচার করে। তাতে প্রিন্সেস ডায়ানাকে প্রিন্স চার্লস সম্পর্কে বলতে শোনা যায়, এটা ছিল বাজে। খুব বাজে বিষয়। তবুও তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক ছিল। এটা ছিল। তা সাত বছর আগে থেকে যেন সরে গিয়েছিল। বিবেক আমাকে বললো- এটা শুধুই একটা বাজে ব্যাপার। তার কাছ থেকে এমনটা কখনো চাওয়ার নয়। প্রতি তিন সপ্তাহে একবার…। আমি ভাবতে থাকলাম এবং তারপর আমি একটি প্যাটার্ন ফলো করা শুরু করলাম। আমাদের বিয়ে হওয়ার আগে প্রতি তিন সপ্তাহে একবার সে তার প্রিয়তমার (ক্যামিলা, বর্তমানে ডাচেস অব কর্নওয়াল ও প্রিন্স চার্লসের দ্বিতীয় স্ত্রী) কাছে যেতো। সে (প্রিন্স চার্লস) তো আমাকে প্রতি সপ্তাহে প্রতিদিন ফোন করতো। তারপর সে তিন সপ্তাহ আমার সঙ্গে কথাই বলতো না। এটা খুব বাজে ব্যাপর। আমাকে তা মেনে নিতে হতো। আমি মনে করতাম। ঠিক আছে। আমি আমার স্বামীকে বলতাম কেন তোমার জীবনে এই নারী? জবাবে সে আমাকে বলেছিল, আমি এমন প্রিন্স অব ওয়েলস হতে চাই না, যার একজন মিস্ট্রেস থাকবে না।

ওদিকে সেটেলেন বলেছেন, প্রিন্সেস ডায়ানা কখনোই চান নি যে এ ভিডিওগুলো প্রকাশ্যে আসুক। ২০০৪ সালে এনবিসি যখন তা প্রচার করবে তার আগে রাজকীয় এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে রিপোর্ট করেছিল টেলিগ্রাফ। তাতে বলা হয়েছিল, প্রকাশকরা বা ডকুমেন্ট নির্মাতারা যেভাবেই এটা উপস্থাপন করুক তাতে কোনো অসুবিধা নেই। এতে অবশ্যই প্রিন্সেস ডায়ানার সন্তান ও প্রিন্স চার্লস অস্বস্তিতে পড়বেন। বৃটিশ টিভি দর্শকরা কি প্রথমবার প্রিন্সে ডায়ানার যৌন জীবন নিয়ে ডকুমেন্টারি দেখতে যাচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে কর্তৃপক্ষ বলেছে, কি দেখানো হবে তা আমরা এখনই জানাচ্ছি না। আমরা তাড়াতাড়িই তা প্রচার করবো।