ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

হবিগঞ্জে ৪ শিশু হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জের বাহুবলে চাঞ্চল্যকর চার শিশু হত্যাকাণ্ডের মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় আরও দুজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর তিনজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মকবুল আহসান।দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুানালের পিপি কিশোর কুমার কর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাড়ির পাশের মাঠে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় হবিগঞ্জের সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চার শিশু। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর ইছাবিল এলাকা থেকে বালিচাপা অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই চার শিশু হলো সুন্দ্রাটিকি গ্রামের আবদাল মিয়া তালুকদারের ছেলে মনির মিয়া (৭), ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), আবদুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০) ও আবদুল কাদিরের ছেলে ইসমাইল হোসেন (১০)। এ ঘটনায় বাহুবল থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন আবদাল মিয়া।

একই বছরের ২৯ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তৎকালীন ওসি মোক্তাদির হোসেন নয় জনের বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র দেন।সুন্দ্রাটিকি গ্রামের দুই পঞ্চায়েত আবদাল মিয়া তালুকদার ও আব্দুল আলী বাগালের মধ্যে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড বলে মামলার তদন্ত ও আসামিদের দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে।

এ মামলায় কারাগারে থাকা আসামিরা হলো পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল আলী বাগাল, তার দুই ছেলে রুবেল মিয়া ও জুয়েল মিয়া, তার সেকেন্ড ইন কমান্ড আরজু মিয়া ও শাহেদ মিয়া। আসামিদের মধ্যে বাচ্চু মিয়া নামের একজন র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়। এ মামলার পলাতক আসামি উস্তার মিয়া, বাবুল মিয়া ও বিল্লাল পলাতক। গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: বিস্তারিত জানতে সৌদিকে চিঠি

হবিগঞ্জে ৪ শিশু হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০১:১৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জের বাহুবলে চাঞ্চল্যকর চার শিশু হত্যাকাণ্ডের মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় আরও দুজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর তিনজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মকবুল আহসান।দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুানালের পিপি কিশোর কুমার কর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাড়ির পাশের মাঠে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় হবিগঞ্জের সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চার শিশু। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর ইছাবিল এলাকা থেকে বালিচাপা অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই চার শিশু হলো সুন্দ্রাটিকি গ্রামের আবদাল মিয়া তালুকদারের ছেলে মনির মিয়া (৭), ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), আবদুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০) ও আবদুল কাদিরের ছেলে ইসমাইল হোসেন (১০)। এ ঘটনায় বাহুবল থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন আবদাল মিয়া।

একই বছরের ২৯ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তৎকালীন ওসি মোক্তাদির হোসেন নয় জনের বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র দেন।সুন্দ্রাটিকি গ্রামের দুই পঞ্চায়েত আবদাল মিয়া তালুকদার ও আব্দুল আলী বাগালের মধ্যে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড বলে মামলার তদন্ত ও আসামিদের দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে।

এ মামলায় কারাগারে থাকা আসামিরা হলো পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল আলী বাগাল, তার দুই ছেলে রুবেল মিয়া ও জুয়েল মিয়া, তার সেকেন্ড ইন কমান্ড আরজু মিয়া ও শাহেদ মিয়া। আসামিদের মধ্যে বাচ্চু মিয়া নামের একজন র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়। এ মামলার পলাতক আসামি উস্তার মিয়া, বাবুল মিয়া ও বিল্লাল পলাতক। গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।