ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

হবিগঞ্জে ৪ শিশু হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জের বাহুবলে চাঞ্চল্যকর চার শিশু হত্যাকাণ্ডের মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় আরও দুজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর তিনজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মকবুল আহসান।দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুানালের পিপি কিশোর কুমার কর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাড়ির পাশের মাঠে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় হবিগঞ্জের সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চার শিশু। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর ইছাবিল এলাকা থেকে বালিচাপা অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই চার শিশু হলো সুন্দ্রাটিকি গ্রামের আবদাল মিয়া তালুকদারের ছেলে মনির মিয়া (৭), ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), আবদুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০) ও আবদুল কাদিরের ছেলে ইসমাইল হোসেন (১০)। এ ঘটনায় বাহুবল থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন আবদাল মিয়া।

একই বছরের ২৯ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তৎকালীন ওসি মোক্তাদির হোসেন নয় জনের বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র দেন।সুন্দ্রাটিকি গ্রামের দুই পঞ্চায়েত আবদাল মিয়া তালুকদার ও আব্দুল আলী বাগালের মধ্যে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড বলে মামলার তদন্ত ও আসামিদের দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে।

এ মামলায় কারাগারে থাকা আসামিরা হলো পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল আলী বাগাল, তার দুই ছেলে রুবেল মিয়া ও জুয়েল মিয়া, তার সেকেন্ড ইন কমান্ড আরজু মিয়া ও শাহেদ মিয়া। আসামিদের মধ্যে বাচ্চু মিয়া নামের একজন র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়। এ মামলার পলাতক আসামি উস্তার মিয়া, বাবুল মিয়া ও বিল্লাল পলাতক। গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

হবিগঞ্জে ৪ শিশু হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০১:১৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জের বাহুবলে চাঞ্চল্যকর চার শিশু হত্যাকাণ্ডের মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় আরও দুজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর তিনজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মকবুল আহসান।দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুানালের পিপি কিশোর কুমার কর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাড়ির পাশের মাঠে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় হবিগঞ্জের সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চার শিশু। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর ইছাবিল এলাকা থেকে বালিচাপা অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই চার শিশু হলো সুন্দ্রাটিকি গ্রামের আবদাল মিয়া তালুকদারের ছেলে মনির মিয়া (৭), ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), আবদুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০) ও আবদুল কাদিরের ছেলে ইসমাইল হোসেন (১০)। এ ঘটনায় বাহুবল থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন আবদাল মিয়া।

একই বছরের ২৯ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তৎকালীন ওসি মোক্তাদির হোসেন নয় জনের বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র দেন।সুন্দ্রাটিকি গ্রামের দুই পঞ্চায়েত আবদাল মিয়া তালুকদার ও আব্দুল আলী বাগালের মধ্যে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড বলে মামলার তদন্ত ও আসামিদের দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে।

এ মামলায় কারাগারে থাকা আসামিরা হলো পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল আলী বাগাল, তার দুই ছেলে রুবেল মিয়া ও জুয়েল মিয়া, তার সেকেন্ড ইন কমান্ড আরজু মিয়া ও শাহেদ মিয়া। আসামিদের মধ্যে বাচ্চু মিয়া নামের একজন র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়। এ মামলার পলাতক আসামি উস্তার মিয়া, বাবুল মিয়া ও বিল্লাল পলাতক। গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।