ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

পাকিস্তান প্রতারণা করে অর্থ নিয়েছে: ট্রাম্প

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নতুন বছরের প্রথম টুইটে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প টুইট বার্তায় লিখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র গত ১৫ বছর ধরে বোকার মতো পাকিস্তানকে ৩৩ বিলিয়ন (তিন হাজার ৩০০ কোটি) ডলার সহায়তা দিয়েছে। আর এর বিনিময়ে তারা আমাদেরকে মিথ্যা এবং প্রতারণা ছাড়া কিছুই দেয়নি। তারা আমাদের নেতাদেরকে বোকা ভাবছে। আমরা আফগানিস্তানে যে জঙ্গিদের নির্মূলের চেষ্টা করছি, তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে পাকিস্তান। এটা আর চলতে দেয়া যাবে না।’

স্থানীয় সময় সোমবার ট্রাম্প এই অভিযোগ করে টুইট করেন। তিনি পাকিস্তানকে আর সহযোগিতা না করার কথাও জানান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই অভিযোগের জবাবও দিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার টাকা কোথায় কোথায় ব্যয় হয়েছে সে তালিকা দিতে প্রস্তুত তার দেশ।

খাজা আসিফ যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম সিএসএসকে বলেছেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছি যে তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আমরা কাজ করতে চাই না। কাজেই ট্রাম্পের আর সহযোগিতা না করার ঘোষণার কোনো গুরুত্ব নেই।’ তবে পাকিস্তান সরকার এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। যদিও দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ডেভিড হ্যালেকে তলব করেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গত সপ্তাহে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় পাকিস্তানের পদক্ষেপে হতাশ ট্রাম্প দেশটির জন্য বরাদ্দ করা ২৫৫ মিলিয়ন ডলার বাতিল করতে পারেন। এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকও হয়। আফগানিস্তানে ন্যাটো নেতৃত্বাধীন জোটের কমান্ডার যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর জেনারেল জন নিকলসন গত নভেম্বরে জানিয়েছিলেন, ট্রাম্প আফগানিস্তান এবং আশেপাশের এলাকার জন্য নতুন নীতিমালা ঘোষণার পর পাকিস্তান তার আচরণ পাল্টায়নি।

ব্রাসেলসে ন্যাটো প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠক শেষে গণমাধ্যম কর্মীরা নিকোলসনের কাছে জানতে চান, পাকিস্তান তালেবান জঙ্গিদেরকে নির্মূলে কোনো সহযোগিতা করছে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমি তাদের আচরণে কোনো পরিবর্তন দেখছি না।’

ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে শীতল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিরাপত্তা কৌশল ঘোষণার সময়, পাকিস্তানকে চাপে রাখার ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প। সম্প্রতি আফগানিস্তান সফরে এসে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেডিসেন্ট মাইক পেন্স জানান ট্রাম্প পাকিস্তানের ওপর নজর রাখছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পেট্রাপোলে বিজিবি ও বিএসএফের উচ্চপর্যায়ের সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত

পাকিস্তান প্রতারণা করে অর্থ নিয়েছে: ট্রাম্প

আপডেট সময় ০২:২২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নতুন বছরের প্রথম টুইটে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প টুইট বার্তায় লিখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র গত ১৫ বছর ধরে বোকার মতো পাকিস্তানকে ৩৩ বিলিয়ন (তিন হাজার ৩০০ কোটি) ডলার সহায়তা দিয়েছে। আর এর বিনিময়ে তারা আমাদেরকে মিথ্যা এবং প্রতারণা ছাড়া কিছুই দেয়নি। তারা আমাদের নেতাদেরকে বোকা ভাবছে। আমরা আফগানিস্তানে যে জঙ্গিদের নির্মূলের চেষ্টা করছি, তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে পাকিস্তান। এটা আর চলতে দেয়া যাবে না।’

স্থানীয় সময় সোমবার ট্রাম্প এই অভিযোগ করে টুইট করেন। তিনি পাকিস্তানকে আর সহযোগিতা না করার কথাও জানান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই অভিযোগের জবাবও দিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার টাকা কোথায় কোথায় ব্যয় হয়েছে সে তালিকা দিতে প্রস্তুত তার দেশ।

খাজা আসিফ যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম সিএসএসকে বলেছেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছি যে তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আমরা কাজ করতে চাই না। কাজেই ট্রাম্পের আর সহযোগিতা না করার ঘোষণার কোনো গুরুত্ব নেই।’ তবে পাকিস্তান সরকার এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। যদিও দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ডেভিড হ্যালেকে তলব করেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গত সপ্তাহে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় পাকিস্তানের পদক্ষেপে হতাশ ট্রাম্প দেশটির জন্য বরাদ্দ করা ২৫৫ মিলিয়ন ডলার বাতিল করতে পারেন। এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকও হয়। আফগানিস্তানে ন্যাটো নেতৃত্বাধীন জোটের কমান্ডার যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর জেনারেল জন নিকলসন গত নভেম্বরে জানিয়েছিলেন, ট্রাম্প আফগানিস্তান এবং আশেপাশের এলাকার জন্য নতুন নীতিমালা ঘোষণার পর পাকিস্তান তার আচরণ পাল্টায়নি।

ব্রাসেলসে ন্যাটো প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠক শেষে গণমাধ্যম কর্মীরা নিকোলসনের কাছে জানতে চান, পাকিস্তান তালেবান জঙ্গিদেরকে নির্মূলে কোনো সহযোগিতা করছে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমি তাদের আচরণে কোনো পরিবর্তন দেখছি না।’

ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে শীতল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিরাপত্তা কৌশল ঘোষণার সময়, পাকিস্তানকে চাপে রাখার ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প। সম্প্রতি আফগানিস্তান সফরে এসে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেডিসেন্ট মাইক পেন্স জানান ট্রাম্প পাকিস্তানের ওপর নজর রাখছেন।