ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

প্রাথমিকে কম পাসের কারণ জানতে গবেষণা লাগবে: গণশিক্ষামন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার কেন কমেছে এ ব্যাপারে গবেষণা ও পর্যালোচনা ছাড়া কিছু বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেছেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার তিন শতাংশ কেন কমল এটা গবেষণা করে বের করতে হবে। গবেষণা বা ফল মূল্যায়ন ছাড়া পাসের হার কেন কম তা বলা যাবে না।’

শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই কথা বলেন। শনিবার সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী। গতবার এই পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ পাস করলেও এবার পাসের হার কিছুটা কমেছে। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮, যা গতবার ছিল ৯৮.৫১ শতাংশ।

অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার পাসের হার ৯২.৯৪ শতাংশ। গতবার ছিল ৯৫.৮৫ শতাংশ। ফলাফল বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। আর ছাত্র পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

গণশিক্ষা মন্ত্রী জানান, এবারের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৬ লাখ ৯৬ হাজার ২১৬ জন। পাস করেছে ২৫ লাখ ৬৬ হাজার ২৭১ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ১৮ ভাগ। মন্ত্রী বলেন, জিপিএ ফাইভও বেশি পেয়েছে ছাত্রীরা। মোট জিপিএ ফাইভ পেয়েছে দুই লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন। এর মধ্যে ছাত্র এক লাখ ১৫ হাজার ৫৪৮ জন। আর ছাত্রী এক লাখ ৪৭ হাজার ৬১ জন।

গত ১৯ থেকে ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৮ লাখ চার হাজার ৫০৯ জন এবং ইবতেদায়িতে দুই লাখ ৯১ হাজার ৫৬৬ জন। দেশের সাত হাজার ২৬৭টি এবং বিদেশের ১২টি কেন্দ্রে মোট ছয়টি বিষয়ে প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রাথমিকে কম পাসের কারণ জানতে গবেষণা লাগবে: গণশিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার কেন কমেছে এ ব্যাপারে গবেষণা ও পর্যালোচনা ছাড়া কিছু বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেছেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার তিন শতাংশ কেন কমল এটা গবেষণা করে বের করতে হবে। গবেষণা বা ফল মূল্যায়ন ছাড়া পাসের হার কেন কম তা বলা যাবে না।’

শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই কথা বলেন। শনিবার সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী। গতবার এই পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ পাস করলেও এবার পাসের হার কিছুটা কমেছে। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮, যা গতবার ছিল ৯৮.৫১ শতাংশ।

অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার পাসের হার ৯২.৯৪ শতাংশ। গতবার ছিল ৯৫.৮৫ শতাংশ। ফলাফল বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। আর ছাত্র পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

গণশিক্ষা মন্ত্রী জানান, এবারের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৬ লাখ ৯৬ হাজার ২১৬ জন। পাস করেছে ২৫ লাখ ৬৬ হাজার ২৭১ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ১৮ ভাগ। মন্ত্রী বলেন, জিপিএ ফাইভও বেশি পেয়েছে ছাত্রীরা। মোট জিপিএ ফাইভ পেয়েছে দুই লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন। এর মধ্যে ছাত্র এক লাখ ১৫ হাজার ৫৪৮ জন। আর ছাত্রী এক লাখ ৪৭ হাজার ৬১ জন।

গত ১৯ থেকে ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৮ লাখ চার হাজার ৫০৯ জন এবং ইবতেদায়িতে দুই লাখ ৯১ হাজার ৫৬৬ জন। দেশের সাত হাজার ২৬৭টি এবং বিদেশের ১২টি কেন্দ্রে মোট ছয়টি বিষয়ে প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।