ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

প্রাথমিকে কম পাসের কারণ জানতে গবেষণা লাগবে: গণশিক্ষামন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার কেন কমেছে এ ব্যাপারে গবেষণা ও পর্যালোচনা ছাড়া কিছু বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেছেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার তিন শতাংশ কেন কমল এটা গবেষণা করে বের করতে হবে। গবেষণা বা ফল মূল্যায়ন ছাড়া পাসের হার কেন কম তা বলা যাবে না।’

শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই কথা বলেন। শনিবার সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী। গতবার এই পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ পাস করলেও এবার পাসের হার কিছুটা কমেছে। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮, যা গতবার ছিল ৯৮.৫১ শতাংশ।

অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার পাসের হার ৯২.৯৪ শতাংশ। গতবার ছিল ৯৫.৮৫ শতাংশ। ফলাফল বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। আর ছাত্র পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

গণশিক্ষা মন্ত্রী জানান, এবারের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৬ লাখ ৯৬ হাজার ২১৬ জন। পাস করেছে ২৫ লাখ ৬৬ হাজার ২৭১ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ১৮ ভাগ। মন্ত্রী বলেন, জিপিএ ফাইভও বেশি পেয়েছে ছাত্রীরা। মোট জিপিএ ফাইভ পেয়েছে দুই লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন। এর মধ্যে ছাত্র এক লাখ ১৫ হাজার ৫৪৮ জন। আর ছাত্রী এক লাখ ৪৭ হাজার ৬১ জন।

গত ১৯ থেকে ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৮ লাখ চার হাজার ৫০৯ জন এবং ইবতেদায়িতে দুই লাখ ৯১ হাজার ৫৬৬ জন। দেশের সাত হাজার ২৬৭টি এবং বিদেশের ১২টি কেন্দ্রে মোট ছয়টি বিষয়ে প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

প্রাথমিকে কম পাসের কারণ জানতে গবেষণা লাগবে: গণশিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার কেন কমেছে এ ব্যাপারে গবেষণা ও পর্যালোচনা ছাড়া কিছু বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেছেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার তিন শতাংশ কেন কমল এটা গবেষণা করে বের করতে হবে। গবেষণা বা ফল মূল্যায়ন ছাড়া পাসের হার কেন কম তা বলা যাবে না।’

শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই কথা বলেন। শনিবার সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী। গতবার এই পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ পাস করলেও এবার পাসের হার কিছুটা কমেছে। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮, যা গতবার ছিল ৯৮.৫১ শতাংশ।

অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার পাসের হার ৯২.৯৪ শতাংশ। গতবার ছিল ৯৫.৮৫ শতাংশ। ফলাফল বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। আর ছাত্র পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

গণশিক্ষা মন্ত্রী জানান, এবারের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৬ লাখ ৯৬ হাজার ২১৬ জন। পাস করেছে ২৫ লাখ ৬৬ হাজার ২৭১ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ১৮ ভাগ। মন্ত্রী বলেন, জিপিএ ফাইভও বেশি পেয়েছে ছাত্রীরা। মোট জিপিএ ফাইভ পেয়েছে দুই লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন। এর মধ্যে ছাত্র এক লাখ ১৫ হাজার ৫৪৮ জন। আর ছাত্রী এক লাখ ৪৭ হাজার ৬১ জন।

গত ১৯ থেকে ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৮ লাখ চার হাজার ৫০৯ জন এবং ইবতেদায়িতে দুই লাখ ৯১ হাজার ৫৬৬ জন। দেশের সাত হাজার ২৬৭টি এবং বিদেশের ১২টি কেন্দ্রে মোট ছয়টি বিষয়ে প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।