ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

প্রাথমিকে কম পাসের কারণ জানতে গবেষণা লাগবে: গণশিক্ষামন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার কেন কমেছে এ ব্যাপারে গবেষণা ও পর্যালোচনা ছাড়া কিছু বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেছেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার তিন শতাংশ কেন কমল এটা গবেষণা করে বের করতে হবে। গবেষণা বা ফল মূল্যায়ন ছাড়া পাসের হার কেন কম তা বলা যাবে না।’

শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই কথা বলেন। শনিবার সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী। গতবার এই পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ পাস করলেও এবার পাসের হার কিছুটা কমেছে। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮, যা গতবার ছিল ৯৮.৫১ শতাংশ।

অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার পাসের হার ৯২.৯৪ শতাংশ। গতবার ছিল ৯৫.৮৫ শতাংশ। ফলাফল বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। আর ছাত্র পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

গণশিক্ষা মন্ত্রী জানান, এবারের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৬ লাখ ৯৬ হাজার ২১৬ জন। পাস করেছে ২৫ লাখ ৬৬ হাজার ২৭১ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ১৮ ভাগ। মন্ত্রী বলেন, জিপিএ ফাইভও বেশি পেয়েছে ছাত্রীরা। মোট জিপিএ ফাইভ পেয়েছে দুই লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন। এর মধ্যে ছাত্র এক লাখ ১৫ হাজার ৫৪৮ জন। আর ছাত্রী এক লাখ ৪৭ হাজার ৬১ জন।

গত ১৯ থেকে ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৮ লাখ চার হাজার ৫০৯ জন এবং ইবতেদায়িতে দুই লাখ ৯১ হাজার ৫৬৬ জন। দেশের সাত হাজার ২৬৭টি এবং বিদেশের ১২টি কেন্দ্রে মোট ছয়টি বিষয়ে প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাথমিকে কম পাসের কারণ জানতে গবেষণা লাগবে: গণশিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার কেন কমেছে এ ব্যাপারে গবেষণা ও পর্যালোচনা ছাড়া কিছু বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেছেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার তিন শতাংশ কেন কমল এটা গবেষণা করে বের করতে হবে। গবেষণা বা ফল মূল্যায়ন ছাড়া পাসের হার কেন কম তা বলা যাবে না।’

শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই কথা বলেন। শনিবার সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী। গতবার এই পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ পাস করলেও এবার পাসের হার কিছুটা কমেছে। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮, যা গতবার ছিল ৯৮.৫১ শতাংশ।

অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার পাসের হার ৯২.৯৪ শতাংশ। গতবার ছিল ৯৫.৮৫ শতাংশ। ফলাফল বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। আর ছাত্র পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

গণশিক্ষা মন্ত্রী জানান, এবারের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৬ লাখ ৯৬ হাজার ২১৬ জন। পাস করেছে ২৫ লাখ ৬৬ হাজার ২৭১ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ১৮ ভাগ। মন্ত্রী বলেন, জিপিএ ফাইভও বেশি পেয়েছে ছাত্রীরা। মোট জিপিএ ফাইভ পেয়েছে দুই লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন। এর মধ্যে ছাত্র এক লাখ ১৫ হাজার ৫৪৮ জন। আর ছাত্রী এক লাখ ৪৭ হাজার ৬১ জন।

গত ১৯ থেকে ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৮ লাখ চার হাজার ৫০৯ জন এবং ইবতেদায়িতে দুই লাখ ৯১ হাজার ৫৬৬ জন। দেশের সাত হাজার ২৬৭টি এবং বিদেশের ১২টি কেন্দ্রে মোট ছয়টি বিষয়ে প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।