ঢাকা ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প উপজেলা পরিষদে কক্ষ বরাদ্দ পাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা, সংসদে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মা হারা কন্যার বিয়েতে গাজীপুরের ডিসি, আবেগাপ্লুত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন করে হাসপাতালে স্ত্রী সংসদে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, জামায়াত আমির বললেন, ছোটদের ‘না’ বলতে নেই অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা : এনবিআর চেয়ারম্যান ৪ ঘণ্টা পর জামিন পেলেন বাচ্চাসহ কারাগারে পাঠানো সেই মহিলা লীগ নেত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

প্রাথমিকে কম পাসের কারণ জানতে গবেষণা লাগবে: গণশিক্ষামন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার কেন কমেছে এ ব্যাপারে গবেষণা ও পর্যালোচনা ছাড়া কিছু বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেছেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার তিন শতাংশ কেন কমল এটা গবেষণা করে বের করতে হবে। গবেষণা বা ফল মূল্যায়ন ছাড়া পাসের হার কেন কম তা বলা যাবে না।’

শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই কথা বলেন। শনিবার সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী। গতবার এই পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ পাস করলেও এবার পাসের হার কিছুটা কমেছে। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮, যা গতবার ছিল ৯৮.৫১ শতাংশ।

অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার পাসের হার ৯২.৯৪ শতাংশ। গতবার ছিল ৯৫.৮৫ শতাংশ। ফলাফল বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। আর ছাত্র পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

গণশিক্ষা মন্ত্রী জানান, এবারের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৬ লাখ ৯৬ হাজার ২১৬ জন। পাস করেছে ২৫ লাখ ৬৬ হাজার ২৭১ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ১৮ ভাগ। মন্ত্রী বলেন, জিপিএ ফাইভও বেশি পেয়েছে ছাত্রীরা। মোট জিপিএ ফাইভ পেয়েছে দুই লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন। এর মধ্যে ছাত্র এক লাখ ১৫ হাজার ৫৪৮ জন। আর ছাত্রী এক লাখ ৪৭ হাজার ৬১ জন।

গত ১৯ থেকে ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৮ লাখ চার হাজার ৫০৯ জন এবং ইবতেদায়িতে দুই লাখ ৯১ হাজার ৫৬৬ জন। দেশের সাত হাজার ২৬৭টি এবং বিদেশের ১২টি কেন্দ্রে মোট ছয়টি বিষয়ে প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প

প্রাথমিকে কম পাসের কারণ জানতে গবেষণা লাগবে: গণশিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার কেন কমেছে এ ব্যাপারে গবেষণা ও পর্যালোচনা ছাড়া কিছু বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেছেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার তিন শতাংশ কেন কমল এটা গবেষণা করে বের করতে হবে। গবেষণা বা ফল মূল্যায়ন ছাড়া পাসের হার কেন কম তা বলা যাবে না।’

শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই কথা বলেন। শনিবার সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী। গতবার এই পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ পাস করলেও এবার পাসের হার কিছুটা কমেছে। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮, যা গতবার ছিল ৯৮.৫১ শতাংশ।

অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার পাসের হার ৯২.৯৪ শতাংশ। গতবার ছিল ৯৫.৮৫ শতাংশ। ফলাফল বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। আর ছাত্র পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

গণশিক্ষা মন্ত্রী জানান, এবারের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৬ লাখ ৯৬ হাজার ২১৬ জন। পাস করেছে ২৫ লাখ ৬৬ হাজার ২৭১ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ১৮ ভাগ। মন্ত্রী বলেন, জিপিএ ফাইভও বেশি পেয়েছে ছাত্রীরা। মোট জিপিএ ফাইভ পেয়েছে দুই লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন। এর মধ্যে ছাত্র এক লাখ ১৫ হাজার ৫৪৮ জন। আর ছাত্রী এক লাখ ৪৭ হাজার ৬১ জন।

গত ১৯ থেকে ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৮ লাখ চার হাজার ৫০৯ জন এবং ইবতেদায়িতে দুই লাখ ৯১ হাজার ৫৬৬ জন। দেশের সাত হাজার ২৬৭টি এবং বিদেশের ১২টি কেন্দ্রে মোট ছয়টি বিষয়ে প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।