ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভাঙ্গায় মাদকবিরোধী সভাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২০ ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের নতুন অর্থবছরের বাজেট জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত হয়েছে : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী সাভারে এনসিপির দুই শতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান ডিগ্রির ব্যবসার অবসান ঘটিয়ে কর্মমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে: ববি হাজ্জাজ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ সারাদেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু যশোরে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলশিক্ষক নিহত ইতালির স্বপ্নে ২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ মাদারীপুরে হেমায়েত মোল্লা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বভাব: ইরান

পালিয়ে তুরস্কে আশ্রয় নেয়া সৌদি দুই মেয়ে দেশে ফিরতে চান না

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পালিয়ে তুরস্কে আশ্রয় নেয়া সৌদি আরবের এক প্রভাবশালী ব্যক্তির দুই মেয়ে দেশে না ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছেন। তাদের আশঙ্কা তুর্কি কর্তৃপক্ষ জোর করে দেশে ফেরত পাঠালে তারা পরিবারের সদস্যদের নির্যাতনে শিকার হবেন। এছাড়াও সৌদি থেকে পালিয়ে যাওয়ার কারণে তাদের কারাদণ্ডও হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দুই বোনের আইনজীবী সারদারহান টপো।

এ আইনজীবীর বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, আত্মীয় স্বজনের দুর্ব্যবহার ও নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশ ছেড়ে পালান আশোয়াক হামুদ (৩০) এবং আরিজ হামুদ (২৮) নামে দুই বোন। আইনজীবী টপো বলেন, চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি আত্মীয় স্বজনদের অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য আশোয়াক ও আরিজ ভূয়া কাগজপত্র দেখিয়ে দেশ ছাড়েন।

রাজনৈতিক আশ্রয় নেয়ার উদ্দেশ্যে তারা একটি বিমানে করে নিউজিল্যান্ডে যাচ্ছিলেন। বিমানটি হংকংয়ে ট্রানজিট নেয়। এ সময় তাদের কাগজপত্র দেখে সন্দেহ হওয়ায় হংকং কর্তৃপক্ষ তাদের আর বিমানে উঠতে দেয়নি বলে জানান টপো। এরপর হতাশ দুই বোন হংকং থেকে আশ্রয়ের সন্ধানে তুরস্কের ইস্তানবুলে চলে যান। সৌদি নাগরিকরা অন অ্যারাইভাল ভিসা নিয়ে তুরস্কে প্রবেশ করতে পারেন।

দুই বোন ইস্তানবুলে অবস্থান করার পাশাপাশি কাজ করেন। এরপর তারা তুরস্কে বসবাসের অনুমতির জন্য আবেদন করেন। এ আবেদনের পরপর গত মে মাসে তাদের আটকাদেশ দেয়া হয়। আইনজীবী টপো বলেন, দুই বোনের বাবা একজন প্রভাবশালী সৌদি নাগরিক। তিনি সৌদি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মেয়েদের দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়ে বলেন, তার মেয়েরা সিরিয়ার সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে যাওয়ার জন্য পালিয়েছিল।

আইনজীবীর দাবি, তুর্কি কর্তৃপক্ষ দুই বোনের বাবার অভিযোগের কোনো প্রমাণ না পেলেও তাদের আটকাদেশের কয়েক দিনের মধ্যেই সৌদিতে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে তুরস্কের সাংবিধানিক আদালত রুল জারি করেছে বলেছে, বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তুরস্ক থেকে কাউকে ফেরত পাঠানো যাবে না। ইস্তানবুলের একটি স্থানীয় আদালতে এখন দুই বোনের মামলাটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙ্গায় মাদকবিরোধী সভাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২০

পালিয়ে তুরস্কে আশ্রয় নেয়া সৌদি দুই মেয়ে দেশে ফিরতে চান না

আপডেট সময় ১২:১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পালিয়ে তুরস্কে আশ্রয় নেয়া সৌদি আরবের এক প্রভাবশালী ব্যক্তির দুই মেয়ে দেশে না ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছেন। তাদের আশঙ্কা তুর্কি কর্তৃপক্ষ জোর করে দেশে ফেরত পাঠালে তারা পরিবারের সদস্যদের নির্যাতনে শিকার হবেন। এছাড়াও সৌদি থেকে পালিয়ে যাওয়ার কারণে তাদের কারাদণ্ডও হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দুই বোনের আইনজীবী সারদারহান টপো।

এ আইনজীবীর বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, আত্মীয় স্বজনের দুর্ব্যবহার ও নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশ ছেড়ে পালান আশোয়াক হামুদ (৩০) এবং আরিজ হামুদ (২৮) নামে দুই বোন। আইনজীবী টপো বলেন, চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি আত্মীয় স্বজনদের অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য আশোয়াক ও আরিজ ভূয়া কাগজপত্র দেখিয়ে দেশ ছাড়েন।

রাজনৈতিক আশ্রয় নেয়ার উদ্দেশ্যে তারা একটি বিমানে করে নিউজিল্যান্ডে যাচ্ছিলেন। বিমানটি হংকংয়ে ট্রানজিট নেয়। এ সময় তাদের কাগজপত্র দেখে সন্দেহ হওয়ায় হংকং কর্তৃপক্ষ তাদের আর বিমানে উঠতে দেয়নি বলে জানান টপো। এরপর হতাশ দুই বোন হংকং থেকে আশ্রয়ের সন্ধানে তুরস্কের ইস্তানবুলে চলে যান। সৌদি নাগরিকরা অন অ্যারাইভাল ভিসা নিয়ে তুরস্কে প্রবেশ করতে পারেন।

দুই বোন ইস্তানবুলে অবস্থান করার পাশাপাশি কাজ করেন। এরপর তারা তুরস্কে বসবাসের অনুমতির জন্য আবেদন করেন। এ আবেদনের পরপর গত মে মাসে তাদের আটকাদেশ দেয়া হয়। আইনজীবী টপো বলেন, দুই বোনের বাবা একজন প্রভাবশালী সৌদি নাগরিক। তিনি সৌদি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মেয়েদের দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়ে বলেন, তার মেয়েরা সিরিয়ার সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে যাওয়ার জন্য পালিয়েছিল।

আইনজীবীর দাবি, তুর্কি কর্তৃপক্ষ দুই বোনের বাবার অভিযোগের কোনো প্রমাণ না পেলেও তাদের আটকাদেশের কয়েক দিনের মধ্যেই সৌদিতে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে তুরস্কের সাংবিধানিক আদালত রুল জারি করেছে বলেছে, বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তুরস্ক থেকে কাউকে ফেরত পাঠানো যাবে না। ইস্তানবুলের একটি স্থানীয় আদালতে এখন দুই বোনের মামলাটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।