ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

পালিয়ে তুরস্কে আশ্রয় নেয়া সৌদি দুই মেয়ে দেশে ফিরতে চান না

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পালিয়ে তুরস্কে আশ্রয় নেয়া সৌদি আরবের এক প্রভাবশালী ব্যক্তির দুই মেয়ে দেশে না ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছেন। তাদের আশঙ্কা তুর্কি কর্তৃপক্ষ জোর করে দেশে ফেরত পাঠালে তারা পরিবারের সদস্যদের নির্যাতনে শিকার হবেন। এছাড়াও সৌদি থেকে পালিয়ে যাওয়ার কারণে তাদের কারাদণ্ডও হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দুই বোনের আইনজীবী সারদারহান টপো।

এ আইনজীবীর বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, আত্মীয় স্বজনের দুর্ব্যবহার ও নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশ ছেড়ে পালান আশোয়াক হামুদ (৩০) এবং আরিজ হামুদ (২৮) নামে দুই বোন। আইনজীবী টপো বলেন, চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি আত্মীয় স্বজনদের অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য আশোয়াক ও আরিজ ভূয়া কাগজপত্র দেখিয়ে দেশ ছাড়েন।

রাজনৈতিক আশ্রয় নেয়ার উদ্দেশ্যে তারা একটি বিমানে করে নিউজিল্যান্ডে যাচ্ছিলেন। বিমানটি হংকংয়ে ট্রানজিট নেয়। এ সময় তাদের কাগজপত্র দেখে সন্দেহ হওয়ায় হংকং কর্তৃপক্ষ তাদের আর বিমানে উঠতে দেয়নি বলে জানান টপো। এরপর হতাশ দুই বোন হংকং থেকে আশ্রয়ের সন্ধানে তুরস্কের ইস্তানবুলে চলে যান। সৌদি নাগরিকরা অন অ্যারাইভাল ভিসা নিয়ে তুরস্কে প্রবেশ করতে পারেন।

দুই বোন ইস্তানবুলে অবস্থান করার পাশাপাশি কাজ করেন। এরপর তারা তুরস্কে বসবাসের অনুমতির জন্য আবেদন করেন। এ আবেদনের পরপর গত মে মাসে তাদের আটকাদেশ দেয়া হয়। আইনজীবী টপো বলেন, দুই বোনের বাবা একজন প্রভাবশালী সৌদি নাগরিক। তিনি সৌদি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মেয়েদের দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়ে বলেন, তার মেয়েরা সিরিয়ার সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে যাওয়ার জন্য পালিয়েছিল।

আইনজীবীর দাবি, তুর্কি কর্তৃপক্ষ দুই বোনের বাবার অভিযোগের কোনো প্রমাণ না পেলেও তাদের আটকাদেশের কয়েক দিনের মধ্যেই সৌদিতে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে তুরস্কের সাংবিধানিক আদালত রুল জারি করেছে বলেছে, বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তুরস্ক থেকে কাউকে ফেরত পাঠানো যাবে না। ইস্তানবুলের একটি স্থানীয় আদালতে এখন দুই বোনের মামলাটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পাবনায় শ্রমিক লীগ নেতাসহ দুজনকে লক্ষ্য করে হামলা

পালিয়ে তুরস্কে আশ্রয় নেয়া সৌদি দুই মেয়ে দেশে ফিরতে চান না

আপডেট সময় ১২:১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পালিয়ে তুরস্কে আশ্রয় নেয়া সৌদি আরবের এক প্রভাবশালী ব্যক্তির দুই মেয়ে দেশে না ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছেন। তাদের আশঙ্কা তুর্কি কর্তৃপক্ষ জোর করে দেশে ফেরত পাঠালে তারা পরিবারের সদস্যদের নির্যাতনে শিকার হবেন। এছাড়াও সৌদি থেকে পালিয়ে যাওয়ার কারণে তাদের কারাদণ্ডও হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দুই বোনের আইনজীবী সারদারহান টপো।

এ আইনজীবীর বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, আত্মীয় স্বজনের দুর্ব্যবহার ও নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশ ছেড়ে পালান আশোয়াক হামুদ (৩০) এবং আরিজ হামুদ (২৮) নামে দুই বোন। আইনজীবী টপো বলেন, চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি আত্মীয় স্বজনদের অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য আশোয়াক ও আরিজ ভূয়া কাগজপত্র দেখিয়ে দেশ ছাড়েন।

রাজনৈতিক আশ্রয় নেয়ার উদ্দেশ্যে তারা একটি বিমানে করে নিউজিল্যান্ডে যাচ্ছিলেন। বিমানটি হংকংয়ে ট্রানজিট নেয়। এ সময় তাদের কাগজপত্র দেখে সন্দেহ হওয়ায় হংকং কর্তৃপক্ষ তাদের আর বিমানে উঠতে দেয়নি বলে জানান টপো। এরপর হতাশ দুই বোন হংকং থেকে আশ্রয়ের সন্ধানে তুরস্কের ইস্তানবুলে চলে যান। সৌদি নাগরিকরা অন অ্যারাইভাল ভিসা নিয়ে তুরস্কে প্রবেশ করতে পারেন।

দুই বোন ইস্তানবুলে অবস্থান করার পাশাপাশি কাজ করেন। এরপর তারা তুরস্কে বসবাসের অনুমতির জন্য আবেদন করেন। এ আবেদনের পরপর গত মে মাসে তাদের আটকাদেশ দেয়া হয়। আইনজীবী টপো বলেন, দুই বোনের বাবা একজন প্রভাবশালী সৌদি নাগরিক। তিনি সৌদি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মেয়েদের দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়ে বলেন, তার মেয়েরা সিরিয়ার সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে যাওয়ার জন্য পালিয়েছিল।

আইনজীবীর দাবি, তুর্কি কর্তৃপক্ষ দুই বোনের বাবার অভিযোগের কোনো প্রমাণ না পেলেও তাদের আটকাদেশের কয়েক দিনের মধ্যেই সৌদিতে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে তুরস্কের সাংবিধানিক আদালত রুল জারি করেছে বলেছে, বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তুরস্ক থেকে কাউকে ফেরত পাঠানো যাবে না। ইস্তানবুলের একটি স্থানীয় আদালতে এখন দুই বোনের মামলাটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।