ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল দাবি আদায় না হলে সারারাত ইসি অবরুদ্ধ রাখবে ছাত্রদল নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নতুন করে সুরক্ষিত হয়েছে চব্বিশে: তারেক রহমান গুলশানে একটি ভাড়া বাসা থেকে তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ ৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের

ম্যারাডোনা’র ভাস্কর্য উন্মোচন

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়াগো ম্যারাডোনা দীর্ঘ ৭ বছর পর আবারও ভারতের কলকাতায় এসেছেন।   গত রবিবার সন্ধ্যায় তিনি পশ্চিমবঙ্গের রাজধানীতে পা রাখেন। ফুটবলের রাজপুত্র খ্যাত ম্যারাডোনা এর আগে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে কলকাতা সফরে আসেন।  জানা যায়, কলকাতায় এসে ইতোমধ্যে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ম্যারাডোনা নিজের ভাস্কর্য উন্মোচন করেছেন।   এরপর ক্যানসার আক্রান্তদের জন্য অ্যাম্বুলেন্সের চাবি উদ্যোক্তাদের হাতে তুলে দেন তিনি।

শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের অনুষ্ঠানে ম্যারাডোনা কলকাতার সমর্থকদের সামনে নিজেকে তুলে ধরলেন মাটির মানুষ হিসাবেই। তাকে নিয়ে ওপার বাংলার ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ দেখে আপ্লুত দিয়েগো।  ফুটবলের রূপকথায় ‘হ্যান্ড অফ গড’ অধ্যায় চিরস্থায়ী জায়গা করে নিলেও কলকাতায় গিয়ে ম্যারাডোনা জানান, আমি কোন ঈশ্বর নই, আমি একজন সাধারণ ফুটবলার।  সংক্ষিপ্ত ভাষণে ফুটবলের ঈশ্বর বলেন, এখানে আবার আসতে পেরে আমি আপ্লুত। কলকাতার মানুষকে আন্তরিক ধন্যবাদ এত ভালোবাসা উপহার দেওয়ার জন্য। ‘

এদিকে, বিমানবন্দের পা দেওয়া যাবত ম্যারাডোনা-জ্বরে আচ্ছন্ন শহর কলকাতা।

সবার আকুতি আর্জেন্টাইন কিংবদন্তিকে নিজে চোখে একঝলক দেখার। স্বাভাবিকভাবেই শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্রিকেট কোচিং সেন্টারের মাঠে উপচে পড়া ভিড় ছিল।   অনুরাগীদের হতাশ করলেন না ৮৬ বিশ্বকাপের নায়ক। হাতে থাকা জামা উড়িয়ে অভিবাদন স্বীকার করা ছাড়াও পাল্টা সৌজন্য হিসাবে নিজের স্বাক্ষর করা অনেকগুলো বল বাঁ-পায়ের সেই জাদুকরী শটে দর্শকদের দিকে উড়িয়ে দেন তিনি। কলকাতার বাসিন্দারা আপ্লুত ফুটবল ঈশ্বরকে স্বচক্ষে দেখতে পেরে। এবার অপেক্ষা, কবে ফুটবল পায়ে দেখা যায় ম্যারাডোনাকে। বয়স অনেক হয়ে গেছে; খেলোয়াড়ি জীবনের সেই দিনগুলো আর নেই। কিন্তু ফুটবল ঈশ্বরের পা থেকে নিশ্চয়ই জাদু হারিয়ে যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর পর চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু

ম্যারাডোনা’র ভাস্কর্য উন্মোচন

আপডেট সময় ১২:২২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়াগো ম্যারাডোনা দীর্ঘ ৭ বছর পর আবারও ভারতের কলকাতায় এসেছেন।   গত রবিবার সন্ধ্যায় তিনি পশ্চিমবঙ্গের রাজধানীতে পা রাখেন। ফুটবলের রাজপুত্র খ্যাত ম্যারাডোনা এর আগে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে কলকাতা সফরে আসেন।  জানা যায়, কলকাতায় এসে ইতোমধ্যে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ম্যারাডোনা নিজের ভাস্কর্য উন্মোচন করেছেন।   এরপর ক্যানসার আক্রান্তদের জন্য অ্যাম্বুলেন্সের চাবি উদ্যোক্তাদের হাতে তুলে দেন তিনি।

শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের অনুষ্ঠানে ম্যারাডোনা কলকাতার সমর্থকদের সামনে নিজেকে তুলে ধরলেন মাটির মানুষ হিসাবেই। তাকে নিয়ে ওপার বাংলার ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ দেখে আপ্লুত দিয়েগো।  ফুটবলের রূপকথায় ‘হ্যান্ড অফ গড’ অধ্যায় চিরস্থায়ী জায়গা করে নিলেও কলকাতায় গিয়ে ম্যারাডোনা জানান, আমি কোন ঈশ্বর নই, আমি একজন সাধারণ ফুটবলার।  সংক্ষিপ্ত ভাষণে ফুটবলের ঈশ্বর বলেন, এখানে আবার আসতে পেরে আমি আপ্লুত। কলকাতার মানুষকে আন্তরিক ধন্যবাদ এত ভালোবাসা উপহার দেওয়ার জন্য। ‘

এদিকে, বিমানবন্দের পা দেওয়া যাবত ম্যারাডোনা-জ্বরে আচ্ছন্ন শহর কলকাতা।

সবার আকুতি আর্জেন্টাইন কিংবদন্তিকে নিজে চোখে একঝলক দেখার। স্বাভাবিকভাবেই শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্রিকেট কোচিং সেন্টারের মাঠে উপচে পড়া ভিড় ছিল।   অনুরাগীদের হতাশ করলেন না ৮৬ বিশ্বকাপের নায়ক। হাতে থাকা জামা উড়িয়ে অভিবাদন স্বীকার করা ছাড়াও পাল্টা সৌজন্য হিসাবে নিজের স্বাক্ষর করা অনেকগুলো বল বাঁ-পায়ের সেই জাদুকরী শটে দর্শকদের দিকে উড়িয়ে দেন তিনি। কলকাতার বাসিন্দারা আপ্লুত ফুটবল ঈশ্বরকে স্বচক্ষে দেখতে পেরে। এবার অপেক্ষা, কবে ফুটবল পায়ে দেখা যায় ম্যারাডোনাকে। বয়স অনেক হয়ে গেছে; খেলোয়াড়ি জীবনের সেই দিনগুলো আর নেই। কিন্তু ফুটবল ঈশ্বরের পা থেকে নিশ্চয়ই জাদু হারিয়ে যায়নি।