অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসের কাছে ইসরাইলের মার্কিন দূতাবাসকে তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে সরানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সরকারি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানায়, নিজের ‘উদ্দেশ্য’ সম্পর্কে জানিয়ে আব্বাসকে ফোন করেন ট্রাম্প।
ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদেইনা বলেন, প্রেসিডেন্ট আব্বাস এর বিপজ্জনক পরিণতির বিষয়ে সাবধান করে দিয়েছেন তাকে। এতে এ অঞ্চলের একইসাথে বিশ্বের শান্তি প্রক্রিয়া, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ব্যহত হবে। তবে দূতাবাস স্থানান্তরে ট্রাম্পের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
একই দিন জর্ডানের রাজপ্রাসাদের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়, বাদশাহ আবদুল্লাহ দ্বিতীয়কেও ফোন করে জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জর্দানের বাদশাহ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ট্রাম্পকে সতর্ক করে দিয়েছেন যে, এতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে। সেইসাথে মুসলিম ও খ্রিস্টীয় অনুভূতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি করবে।
১৯৬৭ সালে সিরিয়া, মিশর ও জর্দানের সাথে ইসরাইলের যুদ্ধের পর থেকে দখলকৃত পশ্চিম জেরুজালেমকে নিজেদের রাজধানী হিসেবে দাবী করে আসছে ইহুদি রাষ্ট্রটি। সেইসাথে জেরুজালেমকে ‘অবিচ্ছিন্ন’ হিসেবে কল্পনা করে। তবে ফিলিস্তিন তাদের ভবিষ্যত পূর্ণাংগ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে লালন করছে পশ্চিম জেরুজালেমকে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মতে, মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর প্রক্রিয়া এ অঞ্চলের সংঘাতের সবচেয়ে বড় সংবেদনশীল ইস্যু হয়ে ওঠতে পারে এবং জেরুজালেম প্রশ্নে মধ্যস্থাকারী হিসেবে ওয়াশিংটন তার গুরুত্ব হারাবে।
প্রসঙ্গত, জেরুজালেমে বিশ্বের কোন দেশের দূতাবাস নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক মহল জেরুজালেমকে এখনো ইসরাইলের বলে স্বীকৃতি দেয় না।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















