ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করব না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছাড়ব: ধর্মমন্ত্রী অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর যোগ্যতার ভিত্তিতে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেওয়া দরকার : জুবাইদা রহমান হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফের ৩ দিনের রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের মোনামি ‘ফুল টাইম পেইড এজেন্ট’ হিসেবে কাজ করেছেন: কাদের সিরাজগঞ্জে ঘরে সিঁধ কেটে ঢুকে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ১ মুখোশ পরে এসে টর্চলাইট জ্বালিয়ে জামায়াত কর্মীকে গুলি কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে এআই নজরদারিতে যাবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

কুমিল্লাকে হারিয়ে দুইয়ে খুলনা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পয়েন্ট তালিকার এক নাম্বার দলের সঙ্গে লড়াই। খুলনা টাইটান্সের জন্য চ্যালেঞ্জটা কঠিন ছিল। কঠিন চ্যালেঞ্জটা দারুণভাবে জিতে নিলো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১৪ রানে হারিয়ে সেরা দুইয়ে ঢুকে গেলো তারা।

দিনটা খুলনারই ছিল। শুরুতে টস ভাগ্যও সহায় হয় তাদের। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ব্যাটিং বেছে নিতে ভুল করেননি। বোলারদের জন্য পিচে তেমন কিছু ছিল না। খুলনা টাইটান্সকে ভরসা দিলেন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরাই। শুরুতে নাজমুল হোসেন শান্ত এবং শেষের দিকে আরিফুল হকের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেটে ১৭৪ রানের বড় পুঁজি পেয়ে যায় খুলনা।

২১ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৩৭ রান করেন শান্ত। ২১ বলে ৪ চার আর ১ ছক্কায় ৩৫ করেন আরিফুল। এছাড়া মাহমুদউল্লাহ ২৩ বলে ২৩ রান করেন। বিদেশিদের মধ্যে মাইকেল ক্লিঙ্গার ২৮ বলে ২৯ আর শেষদিকে কার্লোস ব্রেথওয়েট ১২ বলে ২২ রান করে দলের পুঁজিতে অবদান রাখেন।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পক্ষে ৩টি উইকেট নেন আল আমিন হোসেন। একটি করে উইকেট পান শোয়েব মালিক আর সলোমন মিরে।

১৭৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ঘুর্ণিতে সলোমন মিরে ফিরে যান রানের খাতা না খুলেই। ইমরুল কায়েস আর তামিম ইকবাল মিলে অবশ্য শুরুর ধাক্কা সামলে উঠেছিলেন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা তুলেন ৬৩ রান।

১৯ বলে ২০ রান করে ইমরুল ফিরলে ভাঙে এই জুটিটি। এরপর তামিমও ৩৩ বলে ৩৬ করে ব্রেথওয়েটের শিকার হলে আবারও বিপদে পড়ে যায় কুমিল্লা। ১৬টি বল খেলে ১১ রান করে জস বাটলার। কুমিল্লার চাপ তাতে আরও বেড়ে যায়।

এরপর শোয়েব মালিক হাত খুলে খেলেছেন। মারলন স্যামুয়েলসও চেষ্টা করেছেন। তবে বলের ঘাটতিটা আর পূরণ করে নিতে পারেননি তারা। ২৩ বলে ৩৬ রান করে মালিক। এই ইনিংসে একটি চারের পাশে ৩টি ছক্কা হাঁকান পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। শেষপর্যন্ত ১৬ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ২৫ রানে অপরাজিত ছিলেন স্যামুয়েলস।

খুলনা টাইটান্সের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন আবু জায়েদ রাহি আর বেনি হাওয়েল। একটি করে উইকেট মাহমুদউল্লাহ, কার্লোস ব্রেথওয়েট আর মোহাম্মদ ইরফানের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের

কুমিল্লাকে হারিয়ে দুইয়ে খুলনা

আপডেট সময় ০৫:০৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পয়েন্ট তালিকার এক নাম্বার দলের সঙ্গে লড়াই। খুলনা টাইটান্সের জন্য চ্যালেঞ্জটা কঠিন ছিল। কঠিন চ্যালেঞ্জটা দারুণভাবে জিতে নিলো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১৪ রানে হারিয়ে সেরা দুইয়ে ঢুকে গেলো তারা।

দিনটা খুলনারই ছিল। শুরুতে টস ভাগ্যও সহায় হয় তাদের। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ব্যাটিং বেছে নিতে ভুল করেননি। বোলারদের জন্য পিচে তেমন কিছু ছিল না। খুলনা টাইটান্সকে ভরসা দিলেন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরাই। শুরুতে নাজমুল হোসেন শান্ত এবং শেষের দিকে আরিফুল হকের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেটে ১৭৪ রানের বড় পুঁজি পেয়ে যায় খুলনা।

২১ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৩৭ রান করেন শান্ত। ২১ বলে ৪ চার আর ১ ছক্কায় ৩৫ করেন আরিফুল। এছাড়া মাহমুদউল্লাহ ২৩ বলে ২৩ রান করেন। বিদেশিদের মধ্যে মাইকেল ক্লিঙ্গার ২৮ বলে ২৯ আর শেষদিকে কার্লোস ব্রেথওয়েট ১২ বলে ২২ রান করে দলের পুঁজিতে অবদান রাখেন।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পক্ষে ৩টি উইকেট নেন আল আমিন হোসেন। একটি করে উইকেট পান শোয়েব মালিক আর সলোমন মিরে।

১৭৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ঘুর্ণিতে সলোমন মিরে ফিরে যান রানের খাতা না খুলেই। ইমরুল কায়েস আর তামিম ইকবাল মিলে অবশ্য শুরুর ধাক্কা সামলে উঠেছিলেন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা তুলেন ৬৩ রান।

১৯ বলে ২০ রান করে ইমরুল ফিরলে ভাঙে এই জুটিটি। এরপর তামিমও ৩৩ বলে ৩৬ করে ব্রেথওয়েটের শিকার হলে আবারও বিপদে পড়ে যায় কুমিল্লা। ১৬টি বল খেলে ১১ রান করে জস বাটলার। কুমিল্লার চাপ তাতে আরও বেড়ে যায়।

এরপর শোয়েব মালিক হাত খুলে খেলেছেন। মারলন স্যামুয়েলসও চেষ্টা করেছেন। তবে বলের ঘাটতিটা আর পূরণ করে নিতে পারেননি তারা। ২৩ বলে ৩৬ রান করে মালিক। এই ইনিংসে একটি চারের পাশে ৩টি ছক্কা হাঁকান পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। শেষপর্যন্ত ১৬ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ২৫ রানে অপরাজিত ছিলেন স্যামুয়েলস।

খুলনা টাইটান্সের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন আবু জায়েদ রাহি আর বেনি হাওয়েল। একটি করে উইকেট মাহমুদউল্লাহ, কার্লোস ব্রেথওয়েট আর মোহাম্মদ ইরফানের।