ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যানের উদ্বোধন ১৬ ডিসেম্বর

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আগামী ১৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ ত্রিপুরার বিলোনিয়া মহকুমার রাজনগর ব্লকের চোত্তাখোলায় গড়ে ওঠা ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যান জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। রাজনগর ব্লকের চোত্তাখোলায় ভারত-বাংলাদেশের মৈত্রী উদ্যান গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে। সে বছরের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশের তদানীন্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুমণি এই মৈত্রী উদ্যানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

সেই অনুষ্ঠানে ছিলেন পূর্তমন্ত্রী বাদল চৌধুরী এবং রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী ও বর্তমান সাংসদ জীতেন্দ্র চৌধুরীও।

চোত্তাখোলায় আজ যেখানে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যান গড়ে উঠেছে তা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এই স্থান, এই মৈত্রী উদ্যানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনাবলী, মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরায় আগত শরণার্থী প্রভৃতি বিষয় ম্যারালের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

ম্যারালগুলো তৈরি করেছেন- আগরতলা সরকারি চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকরা।

মৈত্রী উদ্যানে স্থাপিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও সেই সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর দুটি পূর্ণবায়ব মূর্তি। এছাড়াও স্থাপিত হয়েছে স্মৃতি-স্মারকস্তম্ভ। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে বিভিন্ন স্মারক ও স্থাপিত হয়েছে এই উদ্যানে।

পুরো উদ্যানটিকে বাহারি গাছপালায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। পর্যটকদের ঘুরে দেখার জন্য তৈরি করা হয়েছে বাহারি টাইলসে ছাওয়া রাস্তা। আছে বড়বড় জলাশয়, ঝুলন্ত সেতু। বন, পূর্ত, হর্টিকালচার, গ্রামোন্নয়ন, বিদ্যুৎ প্রভৃতি দপ্তরের নিরলস প্রচেষ্টায় তিলে তিলে সেজে উঠেছে চোত্তাখোলার ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যান- যা এখন উদ্বোধনের প্রহর গুণছে।

ইতিহাসের স্মৃতিবিজড়িত এই মৈত্রী উদ্যান নিঃসন্দেহে ত্রিপুরার পর্যটনের ক্ষেত্রে একটি অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠবে আগামী দিনে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরিত্রিয়া সীমান্তে ইথিওপীয় সেনার অগ্রগতি, বাড়ছে নতুন যুদ্ধের শঙ্কা

ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যানের উদ্বোধন ১৬ ডিসেম্বর

আপডেট সময় ০৮:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আগামী ১৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ ত্রিপুরার বিলোনিয়া মহকুমার রাজনগর ব্লকের চোত্তাখোলায় গড়ে ওঠা ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যান জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। রাজনগর ব্লকের চোত্তাখোলায় ভারত-বাংলাদেশের মৈত্রী উদ্যান গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে। সে বছরের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশের তদানীন্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুমণি এই মৈত্রী উদ্যানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

সেই অনুষ্ঠানে ছিলেন পূর্তমন্ত্রী বাদল চৌধুরী এবং রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী ও বর্তমান সাংসদ জীতেন্দ্র চৌধুরীও।

চোত্তাখোলায় আজ যেখানে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যান গড়ে উঠেছে তা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এই স্থান, এই মৈত্রী উদ্যানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনাবলী, মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরায় আগত শরণার্থী প্রভৃতি বিষয় ম্যারালের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

ম্যারালগুলো তৈরি করেছেন- আগরতলা সরকারি চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকরা।

মৈত্রী উদ্যানে স্থাপিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও সেই সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর দুটি পূর্ণবায়ব মূর্তি। এছাড়াও স্থাপিত হয়েছে স্মৃতি-স্মারকস্তম্ভ। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে বিভিন্ন স্মারক ও স্থাপিত হয়েছে এই উদ্যানে।

পুরো উদ্যানটিকে বাহারি গাছপালায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। পর্যটকদের ঘুরে দেখার জন্য তৈরি করা হয়েছে বাহারি টাইলসে ছাওয়া রাস্তা। আছে বড়বড় জলাশয়, ঝুলন্ত সেতু। বন, পূর্ত, হর্টিকালচার, গ্রামোন্নয়ন, বিদ্যুৎ প্রভৃতি দপ্তরের নিরলস প্রচেষ্টায় তিলে তিলে সেজে উঠেছে চোত্তাখোলার ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যান- যা এখন উদ্বোধনের প্রহর গুণছে।

ইতিহাসের স্মৃতিবিজড়িত এই মৈত্রী উদ্যান নিঃসন্দেহে ত্রিপুরার পর্যটনের ক্ষেত্রে একটি অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠবে আগামী দিনে।