অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে স্বামীর নির্যাতনে মারিয়া আক্তার পাপিয়া (২৮) নামে এক গৃহবধুর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার কুমুদিনী হাসপাতালে থেকে মির্জাপুর থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে। তার স্বামীর নাম মনির হোসেন। বাড়ি দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের ডুবাইল গ্রামে। পাপিয়ার বাবার বাড়ি মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের স্বল্প মহেড়া গ্রমে।
মারিয়ার চাচা ইব্রাহীম জানান, প্রায় ৭/৮ বছর পূর্বে তার ভাই আলী আজম খানের মেয়ে মারিয়ার বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী ডুবাইর গ্রামের সমেজ উদ্দিনের ছেলে মনির হোসেনের সঙ্গে। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই যৌতুকের জন্য পাপিয়ার উপর নির্যাতন শুরু হয়। এরই মধ্যে মারিয়ার কোল জুড়ে আসে একটি পুত্র সন্তান। বর্তমানে তার বয়স ৩ বছর। মারিয়ার দরিদ্র পরিবার যৌতুকের দাবী পুরনে অপারগ হলে আত্যাচারের মাত্রা আরো বেড়ে যায়।
গত কয়েকমাস পুর্বে ডুবাইল গ্রামে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা হলেও সোমবার মারিয়ার স্বামী আবারও তার ওপর নির্যাতন চালায়। পাষন্ড মনির সিগারেটের আগুন দিয়ে মারিয়ার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাকা দেয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নির্য়াতনের এক পর্যায় মারিয়া অচেতন হয়ে পড়লে স্বামী মনির ও তার এক চাচী মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করলে স্বামী ও চাচী মৃতদেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ কুমুদিনী হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করে। মঙ্গলবার মারিয়ার ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ স্বল্প মহেড়া তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। দেলদুয়ার থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে মারিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















