ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শুরু হতে পারে অগ্ন্যুৎপাত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে অবস্থিত মাউন্ট আগুং আগ্নেয়গিরিতে যেকোনো সময় শুরু হতে পারে অগ্ন্যুৎপাত। এ আশঙ্কায় দ্বীপজুড়ে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৬টায় ওই সতর্কতা জারি করা হয়। মাউন্ট আগুং থেকে থেমে থেমে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। আগ্নেয়গিরির চূড়া থেকে নির্গত হচ্ছে কালো ধোঁয়া।

সম্ভাব্য দুর্যোগের আশঙ্কায় বালিতে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ চার মাত্রার সতর্কতা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দ্বীপের একমাত্র বিমানবন্দর। ফলে বালির বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়ে রয়েছেন অনেক পর্যটক। আগ্নেয়গিরি থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের ১০ কিলোমিটার দূরে থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

বালিতে কমপক্ষে ১৩০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এগুলোর মধ্যে মাউন্ট আগুংয়ে ১৯৬৩ সালে সর্বশেষ অগ্নুৎপাত হয়। সে সময় নিহত হন অন্তত এক হাজার দ্বীপবাসী। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে লাভার উপস্থিতি দেখা গেছে। এ ছাড়া সেটি থেকে নির্গত ছাই পার্শ্ববর্তী লমবক শহরের বাতাসে ভাসতে দেখা গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় নিয়োগ দিচ্ছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শুরু হতে পারে অগ্ন্যুৎপাত

আপডেট সময় ০৩:৪৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে অবস্থিত মাউন্ট আগুং আগ্নেয়গিরিতে যেকোনো সময় শুরু হতে পারে অগ্ন্যুৎপাত। এ আশঙ্কায় দ্বীপজুড়ে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৬টায় ওই সতর্কতা জারি করা হয়। মাউন্ট আগুং থেকে থেমে থেমে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। আগ্নেয়গিরির চূড়া থেকে নির্গত হচ্ছে কালো ধোঁয়া।

সম্ভাব্য দুর্যোগের আশঙ্কায় বালিতে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ চার মাত্রার সতর্কতা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দ্বীপের একমাত্র বিমানবন্দর। ফলে বালির বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়ে রয়েছেন অনেক পর্যটক। আগ্নেয়গিরি থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের ১০ কিলোমিটার দূরে থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

বালিতে কমপক্ষে ১৩০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এগুলোর মধ্যে মাউন্ট আগুংয়ে ১৯৬৩ সালে সর্বশেষ অগ্নুৎপাত হয়। সে সময় নিহত হন অন্তত এক হাজার দ্বীপবাসী। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে লাভার উপস্থিতি দেখা গেছে। এ ছাড়া সেটি থেকে নির্গত ছাই পার্শ্ববর্তী লমবক শহরের বাতাসে ভাসতে দেখা গেছে।