ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর

৭ মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে মির্জাপুরে আনন্দ র‌্যালি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেষ্কোর ‘মেমোরি অব দ্য’ ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টার মাধ্যমে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ লাভ করায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আনন্দ র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর থেকে একটি বিশাল আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পরিষদ চত্ত্বরের মুক্তির মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত সাদমীনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মুজাহিদুল ইসলাম মনির, মির্জাপুর পৌরসভার মেয়র সাহাদত হোসেন সুমন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার অধ্যাপক দুর্লভ বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন মনি, আওয়ামী লীগ নেত্রী সালমা সালাম উর্মি, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, মির্জাপুর উপজেলা বণিক সমিতির সভাপতি গোলাম ফারুক সিদ্দিকী, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক শামীম আল মামুন প্রমুখ।

শোভাযাত্রায় ব্যানার ফেস্টুন হাতে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকর্মী ও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, উন্নয়ন কর্মী, সুধিজন অংশ নেন। এছাড়া বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সাজে সজ্জিত হয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেয়।

এর আগে সকালে মুক্তির মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া উপজেলা পরিষদ হল রুমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে রচনা, চিত্রংকন ও কুইজ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল, মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মীর আসিফ অনিক, সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শোভাযাত্রায় যাদের দেখা যায়নি:
৭ মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি উপলক্ষে মির্জাপুরে আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠন, শিক্ষক, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, সংস্কৃতি কর্মী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করতে দেখা গেলেও মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম মিজানুল হক, মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাত, মির্জাপুর সদরের মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশিদকে দেখা যায়নি।

এই শোভাযাত্রা উপলক্ষে উপজেলা হলরুমে গত ২০ নভেম্বর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি সভা হয়। এই সভার মাধ্যমে উপজেলার সকল বিভাগের সরকারি সকল বিভাগের কর্মকর্তাদের ছাড়াও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও জনসাধারণকে চিঠি ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে অবহিত করা হয়। নির্ধারিত কর্মসুচী হিসেবে শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় শোভাযাত্রা বের এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণ করতে দেখা গেলেও ওসি এ কে এম মিজানুল হক, ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাত, অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশিদকে দেখা যায়নি

সকাল ১০ টা ৫০ মিনিটে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাতের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না।

ওসি এ কে এম মিজানুল হকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, শোভাযাত্রা সম্পর্কে আমার জানা ছিল না। প্রস্তুতি সভায় পরিদর্শক (তদন্ত) উপস্থিত ছিলেন তাই তিনিই পুলিশ নিয়ে শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাক্ষ মো. হারুন অর রশিদের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি জানা থাকলেও উপস্থিত হতে পারিনি।

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত সাদমীনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, প্রস্তুতি সভার মাধ্যমে বিষয়টি সবাইকে জানানো হয়েছে। তাছাড়া শহরের বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করা হয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকেই না আসার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, দুপুর একটার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাত তার সঙ্গে দেখা করে গেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা

৭ মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে মির্জাপুরে আনন্দ র‌্যালি

আপডেট সময় ০৪:৪১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেষ্কোর ‘মেমোরি অব দ্য’ ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টার মাধ্যমে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ লাভ করায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আনন্দ র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর থেকে একটি বিশাল আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পরিষদ চত্ত্বরের মুক্তির মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত সাদমীনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মুজাহিদুল ইসলাম মনির, মির্জাপুর পৌরসভার মেয়র সাহাদত হোসেন সুমন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার অধ্যাপক দুর্লভ বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন মনি, আওয়ামী লীগ নেত্রী সালমা সালাম উর্মি, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, মির্জাপুর উপজেলা বণিক সমিতির সভাপতি গোলাম ফারুক সিদ্দিকী, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক শামীম আল মামুন প্রমুখ।

শোভাযাত্রায় ব্যানার ফেস্টুন হাতে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকর্মী ও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, উন্নয়ন কর্মী, সুধিজন অংশ নেন। এছাড়া বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সাজে সজ্জিত হয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেয়।

এর আগে সকালে মুক্তির মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া উপজেলা পরিষদ হল রুমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে রচনা, চিত্রংকন ও কুইজ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল, মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মীর আসিফ অনিক, সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শোভাযাত্রায় যাদের দেখা যায়নি:
৭ মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি উপলক্ষে মির্জাপুরে আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠন, শিক্ষক, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, সংস্কৃতি কর্মী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করতে দেখা গেলেও মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম মিজানুল হক, মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাত, মির্জাপুর সদরের মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশিদকে দেখা যায়নি।

এই শোভাযাত্রা উপলক্ষে উপজেলা হলরুমে গত ২০ নভেম্বর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি সভা হয়। এই সভার মাধ্যমে উপজেলার সকল বিভাগের সরকারি সকল বিভাগের কর্মকর্তাদের ছাড়াও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও জনসাধারণকে চিঠি ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে অবহিত করা হয়। নির্ধারিত কর্মসুচী হিসেবে শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় শোভাযাত্রা বের এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণ করতে দেখা গেলেও ওসি এ কে এম মিজানুল হক, ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাত, অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশিদকে দেখা যায়নি

সকাল ১০ টা ৫০ মিনিটে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাতের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না।

ওসি এ কে এম মিজানুল হকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, শোভাযাত্রা সম্পর্কে আমার জানা ছিল না। প্রস্তুতি সভায় পরিদর্শক (তদন্ত) উপস্থিত ছিলেন তাই তিনিই পুলিশ নিয়ে শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাক্ষ মো. হারুন অর রশিদের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি জানা থাকলেও উপস্থিত হতে পারিনি।

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত সাদমীনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, প্রস্তুতি সভার মাধ্যমে বিষয়টি সবাইকে জানানো হয়েছে। তাছাড়া শহরের বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করা হয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকেই না আসার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, দুপুর একটার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাত তার সঙ্গে দেখা করে গেছেন।