ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

হাওরাঞ্চলে ফসলহানির প্রতিরোধের লক্ষ্যে সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, হাওরাঞ্চলে ভবিষ্যতে যাতে ফসলহানি না হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। গেলো বছর আগাম বন্যায় হাওরাঞ্চলে অনেক ফসল তলিয়ে গেছে, ভবিষ্যতে যেনো তার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই দিকে নজর দেয়া হচ্ছে।

বুধবার বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউজে সিলেট জেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘বন্যা পরবর্তী হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ শীর্ষক’ এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসভায় পানি সম্পদ মন্ত্রী সিলেট বিভাগের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীদের কাছ থেকে হাওরের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন। এসময় তিনি হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে করণীয় সম্পর্কে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন।

সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে হাওর রক্ষায়, এক্ষেত্রে আমরা চেষ্টার কোনো ত্রুটি করবোনা। গেলো বছরের আগাম বন্যায় ফসল হারিয়ে হাওরবাসী যেই দুর্ভোগে পড়েছে এবার যাতে তা না হয় সেজন্য যা যা করা দরকার সবকিছুই করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেয়া হবে, তবে শতভাগ কাজ নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাতে সঠিকভাবে পালন করা হয় সে ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। এক্ষেত্রে কারো কোনো গাফিলতি, কর্তব্যে অবহেলা বরদাশত করা হবেনা। তিনি সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের বাঁধ নির্মাণসহ হাওর উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ গুরুত্বের সাথে মনিটরিংয়ের নির্দেশ দেন।

এছাড়া সভায় বন্যা নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী পদক্ষেপের ব্যাপারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা হাওর রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করবো। খুব শিগগিরই সুরমা ও কুশিয়ারা নদী খননের উদ্যোগ নেয়া হবে। এতে করে হাওরের পানি সহজে নেমে যাবে এবং বাঁধ উপচে বন্যার প্রবণতা ও হাওরের ফসলহানি বহুলাংশে হ্রাস পাবে। এ খনন কার্যক্রম সারাবছর চলমান থাকবে।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ মো. সেলিম উদ্দিন এমপি, এহিয়া চৌধুরী এমপি, সিলেট জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মনীষ চাকমা, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক সবিরুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক একে এম মমতাজ উদ্দিন, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীবৃন্দসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হাওরাঞ্চলে ফসলহানির প্রতিরোধের লক্ষ্যে সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:৫৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, হাওরাঞ্চলে ভবিষ্যতে যাতে ফসলহানি না হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। গেলো বছর আগাম বন্যায় হাওরাঞ্চলে অনেক ফসল তলিয়ে গেছে, ভবিষ্যতে যেনো তার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই দিকে নজর দেয়া হচ্ছে।

বুধবার বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউজে সিলেট জেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘বন্যা পরবর্তী হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ শীর্ষক’ এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসভায় পানি সম্পদ মন্ত্রী সিলেট বিভাগের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীদের কাছ থেকে হাওরের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন। এসময় তিনি হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে করণীয় সম্পর্কে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন।

সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে হাওর রক্ষায়, এক্ষেত্রে আমরা চেষ্টার কোনো ত্রুটি করবোনা। গেলো বছরের আগাম বন্যায় ফসল হারিয়ে হাওরবাসী যেই দুর্ভোগে পড়েছে এবার যাতে তা না হয় সেজন্য যা যা করা দরকার সবকিছুই করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেয়া হবে, তবে শতভাগ কাজ নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাতে সঠিকভাবে পালন করা হয় সে ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। এক্ষেত্রে কারো কোনো গাফিলতি, কর্তব্যে অবহেলা বরদাশত করা হবেনা। তিনি সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের বাঁধ নির্মাণসহ হাওর উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ গুরুত্বের সাথে মনিটরিংয়ের নির্দেশ দেন।

এছাড়া সভায় বন্যা নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী পদক্ষেপের ব্যাপারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা হাওর রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করবো। খুব শিগগিরই সুরমা ও কুশিয়ারা নদী খননের উদ্যোগ নেয়া হবে। এতে করে হাওরের পানি সহজে নেমে যাবে এবং বাঁধ উপচে বন্যার প্রবণতা ও হাওরের ফসলহানি বহুলাংশে হ্রাস পাবে। এ খনন কার্যক্রম সারাবছর চলমান থাকবে।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ মো. সেলিম উদ্দিন এমপি, এহিয়া চৌধুরী এমপি, সিলেট জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মনীষ চাকমা, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক সবিরুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক একে এম মমতাজ উদ্দিন, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীবৃন্দসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।