ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপিরা নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সংসদ সভাপতিকে সম্মান জানাবেন: স্পিকার এই উচ্চাভিলাষী বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: সংসদে আইনমন্ত্রী করের হার না বাড়িয়ে রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: তিতুমীর ঢাকার ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ পদ না পেয়ে ফেসবুক লাইভে কাঁদলেন যুবদল নেতা ২২ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে প্রাথমিক গোল্ড কাপ ফুটবল, ৫০ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনা: মাহদী আমিন দেশে ২ লাখ ৮৮ হাজার হেক্টর জমিতে গম চাষ হচ্ছে: সংসদে কৃষিমন্ত্রী সবার মতামত নিয়ে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী জামায়াত এমপিকে পর্দা ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন দিতে চাইলেন পার্থ

মির্জাপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগ বাবার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী অপহরণের দুই দিনেও উদ্ধার হয়নি। মামলা তুলে নিতে অপহরণকারীরা বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রীর বাবা। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে মির্জাপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অপহৃত ছাত্রীর বাবা শহীদ সিদ্দিকী এই অভিযোগ করেন। অপহৃত ওই ছাত্রীর বাড়ি উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামে।

শহীদ সিদ্দিকী সংবাদ সম্মেলনে তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার মেয়ে ইসরাত জাহান সাদিয়া মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে মহেড়া ইউনিয়নের দেওভোগ গ্রামের আকতার হোসেনের ছেলে কাওসার আহমেদ জিএম প্রায়ই বিরক্ত করত এবং নানা রকম কুপ্রস্তাব দিত। কাওসার বর্তমানে মির্জাপুরে ভাড়া বাসায় থাকে। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মেয়েটিকে তুলে নেয়ার হুমকিও দেয় কাওসার।

শহীদ সিদ্দিকী অভিযোগ করেন, ১৯ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সাদিয়া বাড়ির পাশেই তার চাচার বাড়ি যাচ্ছিল। তখনই কাওসার এবং তার সহযোগীরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাদিয়াকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে যায়। সাদিয়ার আর্তচিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন ছুটে এলেও তাকে উদ্ধর করতে পারেনি।

এই ঘটনায় সাদিয়ার বাবা শহীদ সিদ্দিকী বাদী হয়ে ওই দিনই মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং ২৬, তারিখ ২০-১১-২০১৭ ইং। এদিকে মামলা তুলে নিতে কাওসার এবং তার সহযোগীরা অজ্ঞাত স্থান থেকে শহিদ সিদ্দিকীকে নানাভাবে ভয় ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিয়ে আসছেন। মামলা তুলে না নিলে তার ছোট মেয়েকেও তুলে নেয়ার হুমকি দিচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

এদিকে অপহরণের পর দুই দিন অতিবাহিত হলেও মেয়েকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের ধরার ব্যাপারে পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক বলে ছাত্রীর বাবা শহীদ সিদ্দিকী অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ এ কে এম মিজানুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই মামলার ব্যাপারে পুলিশের কোনো গাফিলতি নেই। ১৯ তারিখে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতেই একাধিক স্থানে অভিযান চালানো হয়। ২০ তারিখে লিখিত অভিযোগের পর মোবাইল ট্র্যাকিং করে পুনরায় অভিযান চালানো হয়। মেয়েটিকে উদ্ধারে পুলিশের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপিরা নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সংসদ সভাপতিকে সম্মান জানাবেন: স্পিকার

মির্জাপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগ বাবার

আপডেট সময় ০৩:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী অপহরণের দুই দিনেও উদ্ধার হয়নি। মামলা তুলে নিতে অপহরণকারীরা বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রীর বাবা। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে মির্জাপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অপহৃত ছাত্রীর বাবা শহীদ সিদ্দিকী এই অভিযোগ করেন। অপহৃত ওই ছাত্রীর বাড়ি উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামে।

শহীদ সিদ্দিকী সংবাদ সম্মেলনে তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার মেয়ে ইসরাত জাহান সাদিয়া মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে মহেড়া ইউনিয়নের দেওভোগ গ্রামের আকতার হোসেনের ছেলে কাওসার আহমেদ জিএম প্রায়ই বিরক্ত করত এবং নানা রকম কুপ্রস্তাব দিত। কাওসার বর্তমানে মির্জাপুরে ভাড়া বাসায় থাকে। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মেয়েটিকে তুলে নেয়ার হুমকিও দেয় কাওসার।

শহীদ সিদ্দিকী অভিযোগ করেন, ১৯ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সাদিয়া বাড়ির পাশেই তার চাচার বাড়ি যাচ্ছিল। তখনই কাওসার এবং তার সহযোগীরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাদিয়াকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে যায়। সাদিয়ার আর্তচিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন ছুটে এলেও তাকে উদ্ধর করতে পারেনি।

এই ঘটনায় সাদিয়ার বাবা শহীদ সিদ্দিকী বাদী হয়ে ওই দিনই মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং ২৬, তারিখ ২০-১১-২০১৭ ইং। এদিকে মামলা তুলে নিতে কাওসার এবং তার সহযোগীরা অজ্ঞাত স্থান থেকে শহিদ সিদ্দিকীকে নানাভাবে ভয় ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিয়ে আসছেন। মামলা তুলে না নিলে তার ছোট মেয়েকেও তুলে নেয়ার হুমকি দিচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

এদিকে অপহরণের পর দুই দিন অতিবাহিত হলেও মেয়েকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের ধরার ব্যাপারে পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক বলে ছাত্রীর বাবা শহীদ সিদ্দিকী অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ এ কে এম মিজানুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই মামলার ব্যাপারে পুলিশের কোনো গাফিলতি নেই। ১৯ তারিখে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতেই একাধিক স্থানে অভিযান চালানো হয়। ২০ তারিখে লিখিত অভিযোগের পর মোবাইল ট্র্যাকিং করে পুনরায় অভিযান চালানো হয়। মেয়েটিকে উদ্ধারে পুলিশের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।