ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস কঙ্গোর জি৭ সম্মেলনে লেবাননে যুদ্ধবিরতির আহ্বান নেতাদের শিল্পকলায় সার্কাস ও যাত্রাপালা কর্মশালার সমাপ্তি: সুস্থ সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় পশ্চিমবঙ্গে ভোটের পর ৩৬ পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ হজের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার : মীর হেলাল চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু অপহরণ, বিছানায় মিলল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের চিঠি

পাওয়া গেছে হারিয়ে যাওয়া যশোর বোর্ডের জেএসসির ২শ’ খাতা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরে এক শিক্ষকের কাছ থেকে হারিয়ে যাওয়া জেএসসির ২শ’ খাতা (উত্তরপত্র) ফিরে পেয়েছে শিক্ষা বোর্ড। সাইফুল ইসলাম নামে এক ট্রাক হেলপার রোববার শিক্ষা বোর্ডে এসে ওই উত্তরপত্র দিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র। তার সাথে ট্রাক চালক আশাদুল ইসলামও ছিলেন। উত্তরপত্র নিয়ে আসা ব্যক্তির ছবি তুলে রাখা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

সূত্র মতে, শনিবার মোটরসাইকেলে করে বাগেরহাটের কচুয়া আন্দারমানিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পিটুল মিত্র যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে যান। জেএসসির ২শ’ শিক্ষার্থীর খাতা নিয়ে তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি কচুয়ার দিকে রওনা হন। খাতাগুলো মোটরসাইকেলের পিছনে বাঁধা ছিল। যশোরের অভয়নগরের নওয়াপাড়া রেলক্রসিং এর কাছে গিয়ে তিনি পেছন ফিরে লক্ষ্য করেন খাতাগুলো নেই।

তিনি সেখানে খোঁজ করেন এবং যশোরে ফিরে আসেন। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিক যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্রকে জানান। পরে তিনি কোতোয়ালি থানায় গিয়ে একটি জিডি করে। জিডি নম্বর ১০৫০। তারিখ ১৮.১১.২০১৭।

শিক্ষক পিটুল মিত্র জানান, তিনি অনেক স্থানে খোঁজ করেছেন কিন্তু খাতা না পেয়ে বোর্ডে আসেন এবং থানায় জিডি করেন। এ দিকে সদ্য শেষ হওয়া জেএসসির ২শ’ খাতা হারিয়ে যাওয়ার খবরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও বোর্ডের কর্মকর্তারা খাতা উদ্ধারে চেষ্টা করতে থাকেন। এরই মধ্যে রোববার দুপুরে দিকে ওই খাতা নিয়ে হাজির হন ট্রাক হেলপার সাইফুল ইসলাম।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, ওই খাতাগুলো নওয়াপাড়া ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় ছোট ছেলেরা নিয়ে দেখছিল। চালকের পরামর্শে ট্রাক হেলপার খাতাগুলো তাদের কাছ থেকে নিয়ে ঝিনাইদহ যাওয়ার পথে বোর্ডে দিয়ে যায়। বোর্ড চেয়ারম্যানসহ আমি উপস্থিত থেকে উত্তরপত্র গ্রহণ করেছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাওয়া গেছে হারিয়ে যাওয়া যশোর বোর্ডের জেএসসির ২শ’ খাতা

আপডেট সময় ০৬:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরে এক শিক্ষকের কাছ থেকে হারিয়ে যাওয়া জেএসসির ২শ’ খাতা (উত্তরপত্র) ফিরে পেয়েছে শিক্ষা বোর্ড। সাইফুল ইসলাম নামে এক ট্রাক হেলপার রোববার শিক্ষা বোর্ডে এসে ওই উত্তরপত্র দিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র। তার সাথে ট্রাক চালক আশাদুল ইসলামও ছিলেন। উত্তরপত্র নিয়ে আসা ব্যক্তির ছবি তুলে রাখা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

সূত্র মতে, শনিবার মোটরসাইকেলে করে বাগেরহাটের কচুয়া আন্দারমানিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পিটুল মিত্র যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে যান। জেএসসির ২শ’ শিক্ষার্থীর খাতা নিয়ে তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি কচুয়ার দিকে রওনা হন। খাতাগুলো মোটরসাইকেলের পিছনে বাঁধা ছিল। যশোরের অভয়নগরের নওয়াপাড়া রেলক্রসিং এর কাছে গিয়ে তিনি পেছন ফিরে লক্ষ্য করেন খাতাগুলো নেই।

তিনি সেখানে খোঁজ করেন এবং যশোরে ফিরে আসেন। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিক যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্রকে জানান। পরে তিনি কোতোয়ালি থানায় গিয়ে একটি জিডি করে। জিডি নম্বর ১০৫০। তারিখ ১৮.১১.২০১৭।

শিক্ষক পিটুল মিত্র জানান, তিনি অনেক স্থানে খোঁজ করেছেন কিন্তু খাতা না পেয়ে বোর্ডে আসেন এবং থানায় জিডি করেন। এ দিকে সদ্য শেষ হওয়া জেএসসির ২শ’ খাতা হারিয়ে যাওয়ার খবরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও বোর্ডের কর্মকর্তারা খাতা উদ্ধারে চেষ্টা করতে থাকেন। এরই মধ্যে রোববার দুপুরে দিকে ওই খাতা নিয়ে হাজির হন ট্রাক হেলপার সাইফুল ইসলাম।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, ওই খাতাগুলো নওয়াপাড়া ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় ছোট ছেলেরা নিয়ে দেখছিল। চালকের পরামর্শে ট্রাক হেলপার খাতাগুলো তাদের কাছ থেকে নিয়ে ঝিনাইদহ যাওয়ার পথে বোর্ডে দিয়ে যায়। বোর্ড চেয়ারম্যানসহ আমি উপস্থিত থেকে উত্তরপত্র গ্রহণ করেছি।