ঢাকা ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

পাওয়া গেছে হারিয়ে যাওয়া যশোর বোর্ডের জেএসসির ২শ’ খাতা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরে এক শিক্ষকের কাছ থেকে হারিয়ে যাওয়া জেএসসির ২শ’ খাতা (উত্তরপত্র) ফিরে পেয়েছে শিক্ষা বোর্ড। সাইফুল ইসলাম নামে এক ট্রাক হেলপার রোববার শিক্ষা বোর্ডে এসে ওই উত্তরপত্র দিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র। তার সাথে ট্রাক চালক আশাদুল ইসলামও ছিলেন। উত্তরপত্র নিয়ে আসা ব্যক্তির ছবি তুলে রাখা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

সূত্র মতে, শনিবার মোটরসাইকেলে করে বাগেরহাটের কচুয়া আন্দারমানিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পিটুল মিত্র যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে যান। জেএসসির ২শ’ শিক্ষার্থীর খাতা নিয়ে তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি কচুয়ার দিকে রওনা হন। খাতাগুলো মোটরসাইকেলের পিছনে বাঁধা ছিল। যশোরের অভয়নগরের নওয়াপাড়া রেলক্রসিং এর কাছে গিয়ে তিনি পেছন ফিরে লক্ষ্য করেন খাতাগুলো নেই।

তিনি সেখানে খোঁজ করেন এবং যশোরে ফিরে আসেন। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিক যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্রকে জানান। পরে তিনি কোতোয়ালি থানায় গিয়ে একটি জিডি করে। জিডি নম্বর ১০৫০। তারিখ ১৮.১১.২০১৭।

শিক্ষক পিটুল মিত্র জানান, তিনি অনেক স্থানে খোঁজ করেছেন কিন্তু খাতা না পেয়ে বোর্ডে আসেন এবং থানায় জিডি করেন। এ দিকে সদ্য শেষ হওয়া জেএসসির ২শ’ খাতা হারিয়ে যাওয়ার খবরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও বোর্ডের কর্মকর্তারা খাতা উদ্ধারে চেষ্টা করতে থাকেন। এরই মধ্যে রোববার দুপুরে দিকে ওই খাতা নিয়ে হাজির হন ট্রাক হেলপার সাইফুল ইসলাম।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, ওই খাতাগুলো নওয়াপাড়া ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় ছোট ছেলেরা নিয়ে দেখছিল। চালকের পরামর্শে ট্রাক হেলপার খাতাগুলো তাদের কাছ থেকে নিয়ে ঝিনাইদহ যাওয়ার পথে বোর্ডে দিয়ে যায়। বোর্ড চেয়ারম্যানসহ আমি উপস্থিত থেকে উত্তরপত্র গ্রহণ করেছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

পাওয়া গেছে হারিয়ে যাওয়া যশোর বোর্ডের জেএসসির ২শ’ খাতা

আপডেট সময় ০৬:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরে এক শিক্ষকের কাছ থেকে হারিয়ে যাওয়া জেএসসির ২শ’ খাতা (উত্তরপত্র) ফিরে পেয়েছে শিক্ষা বোর্ড। সাইফুল ইসলাম নামে এক ট্রাক হেলপার রোববার শিক্ষা বোর্ডে এসে ওই উত্তরপত্র দিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র। তার সাথে ট্রাক চালক আশাদুল ইসলামও ছিলেন। উত্তরপত্র নিয়ে আসা ব্যক্তির ছবি তুলে রাখা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

সূত্র মতে, শনিবার মোটরসাইকেলে করে বাগেরহাটের কচুয়া আন্দারমানিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পিটুল মিত্র যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে যান। জেএসসির ২শ’ শিক্ষার্থীর খাতা নিয়ে তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি কচুয়ার দিকে রওনা হন। খাতাগুলো মোটরসাইকেলের পিছনে বাঁধা ছিল। যশোরের অভয়নগরের নওয়াপাড়া রেলক্রসিং এর কাছে গিয়ে তিনি পেছন ফিরে লক্ষ্য করেন খাতাগুলো নেই।

তিনি সেখানে খোঁজ করেন এবং যশোরে ফিরে আসেন। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিক যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্রকে জানান। পরে তিনি কোতোয়ালি থানায় গিয়ে একটি জিডি করে। জিডি নম্বর ১০৫০। তারিখ ১৮.১১.২০১৭।

শিক্ষক পিটুল মিত্র জানান, তিনি অনেক স্থানে খোঁজ করেছেন কিন্তু খাতা না পেয়ে বোর্ডে আসেন এবং থানায় জিডি করেন। এ দিকে সদ্য শেষ হওয়া জেএসসির ২শ’ খাতা হারিয়ে যাওয়ার খবরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও বোর্ডের কর্মকর্তারা খাতা উদ্ধারে চেষ্টা করতে থাকেন। এরই মধ্যে রোববার দুপুরে দিকে ওই খাতা নিয়ে হাজির হন ট্রাক হেলপার সাইফুল ইসলাম।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, ওই খাতাগুলো নওয়াপাড়া ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় ছোট ছেলেরা নিয়ে দেখছিল। চালকের পরামর্শে ট্রাক হেলপার খাতাগুলো তাদের কাছ থেকে নিয়ে ঝিনাইদহ যাওয়ার পথে বোর্ডে দিয়ে যায়। বোর্ড চেয়ারম্যানসহ আমি উপস্থিত থেকে উত্তরপত্র গ্রহণ করেছি।