ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস কঙ্গোর জি৭ সম্মেলনে লেবাননে যুদ্ধবিরতির আহ্বান নেতাদের শিল্পকলায় সার্কাস ও যাত্রাপালা কর্মশালার সমাপ্তি: সুস্থ সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় পশ্চিমবঙ্গে ভোটের পর ৩৬ পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ হজের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার : মীর হেলাল চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু অপহরণ, বিছানায় মিলল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের চিঠি

পরকিয়ায় মত্ত হয়ে মাস্টারের বউ দারোগার ঘরে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাবনার সাঁথিয়ার দুই সন্তানের জননীকে ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে পুলিশের এক দারোগার বিরুদ্ধে। এক মাস্টারের স্ত্রী পরকিয়ার নেশায় মত্ত হয়ে বর্তমানে দারোগার ঘর করছে।

বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়, পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর গ্রামের জনৈক শাহজাহানের কন্যা ফরিদা পারভীনের সাথে ২০০৩ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় একই জেলার চাটমোহর উপজেলার কাটাখালী গ্রামের মরহুম আব্দুস ছামাদের পুত্র ইমরান হোসেন মাস্টারের সাথে। তাদের সংসারে আসফি (৯) ও ফয়সাল (১) নামের দুই পুত্র সন্তান রয়েছে। ইমরান চাকরির সুবাদে সাঁথিয়াতে বাসা করে ১৪ বছর ধরে সংসার করে আসছিলেন।

ঘটনার দিন গত ২০ অক্টোবর’১৭ শুক্রবার ইমরান মাস্টার জুমার নামাজ শেষে বাসায় ফিরে দেখেন স্ত্রী ফরিদা পারভীন বাসায় নেই। ফরিদা পারভীনকে বাসায় না পেয়ে খবর দেওয়া হয় তার আত্মীয়-স্বজনদের। অনেক খোঁজাখুজির পরও তাকে কোথাও পাওয়া যায় না। কিছুদিন পরে একটি মোবাইল থেকে ফোন আসে ইমরান মাস্টারের কাছে।

ফোনে তিনি ইমরান হোসেন মাস্টারকে জানান, ফরিদা পারভীন আপনাকে ডিভোর্স দিয়েছে এবং আমি তাকে বিয়ে করেছি। ইমরান মাস্টার প্রতি উত্তরে বলেন, দেশে এত মেয়ে মানুষ থাকতে আমার ও দুটি বাচ্চার জীবনকে অনিশ্চয়তায় ঠেলে দিয়ে কেন আপনি দু’সন্তানের জননী আমার স্ত্রী ফরিদাকে বিয়ে করলেন?।

এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি দুঃখিত; আমি ফরিদাকে চাই, তার ছেলেদের ভবিষ্যত দেখা আমার বিষয় নয়।

ইমরান হোসেন জানায়, ফোনদাতা সাঁথিয়া উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নের নাড়িয়া গদাই গ্রামের আইনাল হোসেনের ছেলে পুলিশের এস আই আলতাব হোসেন। আলতাব নিজেও বিবাহিত। তার ঘরে আল নাঈম (১৩) ও আল কাফি (৪) নামে দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। আল নাঈম সিরাজগঞ্জের সরকারি বি এল স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। তিনি তার স্ত্রী সন্তানদের আগের কর্মস্থল সিরাজগঞ্জ রেখে বর্তমান কর্মস্থল ঢাকাতে থাকেন।

সূত্র জানায়, তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে, আর ও -২, ইউনিট-১, এস.পি.বি.এম, ঢাকাতে কর্মরত আছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরকিয়ায় মত্ত হয়ে মাস্টারের বউ দারোগার ঘরে

আপডেট সময় ০২:৪৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাবনার সাঁথিয়ার দুই সন্তানের জননীকে ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে পুলিশের এক দারোগার বিরুদ্ধে। এক মাস্টারের স্ত্রী পরকিয়ার নেশায় মত্ত হয়ে বর্তমানে দারোগার ঘর করছে।

বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়, পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর গ্রামের জনৈক শাহজাহানের কন্যা ফরিদা পারভীনের সাথে ২০০৩ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় একই জেলার চাটমোহর উপজেলার কাটাখালী গ্রামের মরহুম আব্দুস ছামাদের পুত্র ইমরান হোসেন মাস্টারের সাথে। তাদের সংসারে আসফি (৯) ও ফয়সাল (১) নামের দুই পুত্র সন্তান রয়েছে। ইমরান চাকরির সুবাদে সাঁথিয়াতে বাসা করে ১৪ বছর ধরে সংসার করে আসছিলেন।

ঘটনার দিন গত ২০ অক্টোবর’১৭ শুক্রবার ইমরান মাস্টার জুমার নামাজ শেষে বাসায় ফিরে দেখেন স্ত্রী ফরিদা পারভীন বাসায় নেই। ফরিদা পারভীনকে বাসায় না পেয়ে খবর দেওয়া হয় তার আত্মীয়-স্বজনদের। অনেক খোঁজাখুজির পরও তাকে কোথাও পাওয়া যায় না। কিছুদিন পরে একটি মোবাইল থেকে ফোন আসে ইমরান মাস্টারের কাছে।

ফোনে তিনি ইমরান হোসেন মাস্টারকে জানান, ফরিদা পারভীন আপনাকে ডিভোর্স দিয়েছে এবং আমি তাকে বিয়ে করেছি। ইমরান মাস্টার প্রতি উত্তরে বলেন, দেশে এত মেয়ে মানুষ থাকতে আমার ও দুটি বাচ্চার জীবনকে অনিশ্চয়তায় ঠেলে দিয়ে কেন আপনি দু’সন্তানের জননী আমার স্ত্রী ফরিদাকে বিয়ে করলেন?।

এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি দুঃখিত; আমি ফরিদাকে চাই, তার ছেলেদের ভবিষ্যত দেখা আমার বিষয় নয়।

ইমরান হোসেন জানায়, ফোনদাতা সাঁথিয়া উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নের নাড়িয়া গদাই গ্রামের আইনাল হোসেনের ছেলে পুলিশের এস আই আলতাব হোসেন। আলতাব নিজেও বিবাহিত। তার ঘরে আল নাঈম (১৩) ও আল কাফি (৪) নামে দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। আল নাঈম সিরাজগঞ্জের সরকারি বি এল স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। তিনি তার স্ত্রী সন্তানদের আগের কর্মস্থল সিরাজগঞ্জ রেখে বর্তমান কর্মস্থল ঢাকাতে থাকেন।

সূত্র জানায়, তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে, আর ও -২, ইউনিট-১, এস.পি.বি.এম, ঢাকাতে কর্মরত আছেন।