ঢাকা ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে ইরানের ভবিষ্যৎ: পেজেশকিয়ান সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, হজের বিমান ভাড়া আরও কমবে: পর্যটনমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব তারেক রহমানের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে : মির্জা ফখরুল জুলাই সনদ নয়, সংবিধান সংশোধনে ব্যস্ত সরকার: মাহমুদা মিতু গণতন্ত্র শক্তিশালী না হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত হবে না আ.লীগ নেতার ছেলের লাঠির আঘাতে বিএনপি নেতার মৃত্যু গালাগালি ও হামলা দুটোই অতীতমুখী রাজনীতি: মঞ্জু মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী

২০১৮ সালে হজে বেসরকারি কোটা শেষ, সরকারি বাকি ৫ হাজার ৯৫৪

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসরকারি কোটায় ২০১৮ সালে হজে যাওয়ার আর কোনও সুযোগ নেই। শনিবার (১১ নভেম্বর) পর্যন্ত বেসরকারি কোটায় হজে যেতে প্রাক-নিবন্ধন করেছেন এক লাখ ৮০ হাজার ২৭১ জন। যা ২০১৮ সালের জন্য বেসরকারিভাবে নির্ধারিত কোটার চেয়ে ৬৩ হাজার ১১৩ জন বেশি। অতিরিক্ত হজযাত্রীরা ২০১৯ সালে ক্রমানুসারে হজে যেতে পারবেন। প্রাক-নিবন্ধন করা যাবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ফলে ২০১৯ সালের বেসরকারি কোটা এই বছরই শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বেসরকারি কোটায় অতিরিক্ত নিবন্ধন হলেও সরকারি কোটায় এখনও পাঁচ হাজার ৯৫৪ জনের কোটা খালি রয়েছে। ১১ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি কোটায় যেতে প্রাক-নিবন্ধন করেছেন চার হাজার ৪৬ জন। তবে কেউ ২০১৮ সালেই হজে যেতে চাইলে সরকারি কোটায় প্রাক-নিবন্ধন করে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন জানান, ‘২০১৮ সালে সৌদি আরবের নির্ধারিত কোটায় বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে পারবেন এক লাখ ২৭ হাজার ১৫৮ জন। এরমধ্যে বেসরকারি কোটায় যেতে পারবেন এক লাখ ১৭ হাজার ১৫৮ জন। বাকি ১০ হাজার সরকারি কোটায় যেতে পারবেন। এরমধ্যে বেসরকারি কোটা পূর্ণ হয়ে আরও ৬৩ হাজার ১১৩ জন বেশি নিবন্ধিত হয়েছেন। যারা নিবন্ধনের ক্রমানুসারে ২০১৯ সালে হজে যেতে পারবেন। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই প্রাক-নিবন্ধন চলবে। গত বছর সরকারি কোটায় ১০ হাজার যাত্রী হজে যাওয়ার কথা থাকলেও কোটা পূরণ না হওয়ায় সেটা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।’ গত বছর সরকারি কোটায় হজে যান চার হাজার ২০০ জন। তবে এবার সরকারি কোটাও পূরণ হয়ে যাবে বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রাক-নিবন্ধনের সময় শেষ হওয়ার পর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত কোনও হজযাত্রী এবার সরকারি কোটায় যেতে পারবেন না। কোটা পূরণ না হলেও গতবারের মতো এবার সরকারি কোটা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে কম-সংখ্যক হজযাত্রী পাঠানো হবে। ২০১৮ সালের হজের ক্ষেত্রে ৩৫ শতাংশ হজ ফ্লাইট বাংলাদেশ থেকে সরাসরি মদিনায় পরিচালনা করার চিন্তাভাবনা চলছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০১৮ সালের ২০ আগস্ট (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাক-নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সৌদি আরবের সঙ্গে হজচুক্তি ও মন্ত্রিসভায় হজ প্যাকেজ অনুমোদনের পর প্রাক-নিবন্ধিত হজযাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধন শুরু হবে। এর আগে হজ নীতিমালা হালনাগাদ ও আগামী ১৪ জানুয়ারি সৌদি আরবের সঙ্গে হজচুক্তি হবে বাংলাদেশের।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (হজ) মো. হাফিজ উদ্দিন জানান, ‘কেউ যদি ২০১৮ সালেই হজে যেতে চান, তাহলে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় করা প্রাক-নিবন্ধন বাতিল করে সরকারি কোটায় আবার প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে। সেটা করলেও দ্রুত করতে হবে। কারণ এবার সরকারি কোটা খালি থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।’ ৩১ ডিসেম্বর সময়ের আগেই প্রাক-নিবন্ধন শেষ হয়ে যাবে বলে তিনি মনে করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি

২০১৮ সালে হজে বেসরকারি কোটা শেষ, সরকারি বাকি ৫ হাজার ৯৫৪

আপডেট সময় ১১:২৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসরকারি কোটায় ২০১৮ সালে হজে যাওয়ার আর কোনও সুযোগ নেই। শনিবার (১১ নভেম্বর) পর্যন্ত বেসরকারি কোটায় হজে যেতে প্রাক-নিবন্ধন করেছেন এক লাখ ৮০ হাজার ২৭১ জন। যা ২০১৮ সালের জন্য বেসরকারিভাবে নির্ধারিত কোটার চেয়ে ৬৩ হাজার ১১৩ জন বেশি। অতিরিক্ত হজযাত্রীরা ২০১৯ সালে ক্রমানুসারে হজে যেতে পারবেন। প্রাক-নিবন্ধন করা যাবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ফলে ২০১৯ সালের বেসরকারি কোটা এই বছরই শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বেসরকারি কোটায় অতিরিক্ত নিবন্ধন হলেও সরকারি কোটায় এখনও পাঁচ হাজার ৯৫৪ জনের কোটা খালি রয়েছে। ১১ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি কোটায় যেতে প্রাক-নিবন্ধন করেছেন চার হাজার ৪৬ জন। তবে কেউ ২০১৮ সালেই হজে যেতে চাইলে সরকারি কোটায় প্রাক-নিবন্ধন করে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন জানান, ‘২০১৮ সালে সৌদি আরবের নির্ধারিত কোটায় বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে পারবেন এক লাখ ২৭ হাজার ১৫৮ জন। এরমধ্যে বেসরকারি কোটায় যেতে পারবেন এক লাখ ১৭ হাজার ১৫৮ জন। বাকি ১০ হাজার সরকারি কোটায় যেতে পারবেন। এরমধ্যে বেসরকারি কোটা পূর্ণ হয়ে আরও ৬৩ হাজার ১১৩ জন বেশি নিবন্ধিত হয়েছেন। যারা নিবন্ধনের ক্রমানুসারে ২০১৯ সালে হজে যেতে পারবেন। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই প্রাক-নিবন্ধন চলবে। গত বছর সরকারি কোটায় ১০ হাজার যাত্রী হজে যাওয়ার কথা থাকলেও কোটা পূরণ না হওয়ায় সেটা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।’ গত বছর সরকারি কোটায় হজে যান চার হাজার ২০০ জন। তবে এবার সরকারি কোটাও পূরণ হয়ে যাবে বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রাক-নিবন্ধনের সময় শেষ হওয়ার পর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত কোনও হজযাত্রী এবার সরকারি কোটায় যেতে পারবেন না। কোটা পূরণ না হলেও গতবারের মতো এবার সরকারি কোটা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে কম-সংখ্যক হজযাত্রী পাঠানো হবে। ২০১৮ সালের হজের ক্ষেত্রে ৩৫ শতাংশ হজ ফ্লাইট বাংলাদেশ থেকে সরাসরি মদিনায় পরিচালনা করার চিন্তাভাবনা চলছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০১৮ সালের ২০ আগস্ট (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাক-নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সৌদি আরবের সঙ্গে হজচুক্তি ও মন্ত্রিসভায় হজ প্যাকেজ অনুমোদনের পর প্রাক-নিবন্ধিত হজযাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধন শুরু হবে। এর আগে হজ নীতিমালা হালনাগাদ ও আগামী ১৪ জানুয়ারি সৌদি আরবের সঙ্গে হজচুক্তি হবে বাংলাদেশের।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (হজ) মো. হাফিজ উদ্দিন জানান, ‘কেউ যদি ২০১৮ সালেই হজে যেতে চান, তাহলে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় করা প্রাক-নিবন্ধন বাতিল করে সরকারি কোটায় আবার প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে। সেটা করলেও দ্রুত করতে হবে। কারণ এবার সরকারি কোটা খালি থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।’ ৩১ ডিসেম্বর সময়ের আগেই প্রাক-নিবন্ধন শেষ হয়ে যাবে বলে তিনি মনে করেন।