ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

যশোর আদালতে ৩ দারোগাসহ ৫ পুলিশের নামে মামলা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরের কেশবপুরে গভীর রাতে তল্লাশির নামে পুলিশ পরিচয়ে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ ৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নেয়ার অভিযোগে পুলিশের তিন দারেগাসহ ৫ পুলিশ ও এক সোর্সের নামে আদালতে মামলা হয়েছে। বুধবার (৮ নভেম্বর) উপজেলার আটন্ডা গ্রামের বজলুর রহমান মোড়লের স্ত্রী আয়েশা বেগম যশোর বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মামলাটি করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন এসআই মুজাহিদুল ইসলাম, এএসআই আশরাফুল ইসলাম, এএসআই জাহাঙ্গীর হোসেন, কনস্টেবল সালাউদ্দীন, ড্রাইভার মোহাম্মদ মজনু ও পুলিশের কথিত সোর্স উপজেলার বাগদা গ্রামের মৃত করিম মোড়লের ছেলে ফজলুর রহমান।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, কেশবপুর উপজেলার আটন্ডা গ্রামের বজলুর রহমান মোড়লের ৩ ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন, জাহিদুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম ভাড়াই চালিত মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। এছাড়া জাহিদুল ইসলাম পুরানো মোটর সাইকেল বেচাকেনার ব্যবসায় জড়িত। পুলিশের কথিত সোর্স ফজলুর রহমান প্রায় সময় জাহিদুল ইসলামের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করত। এ টাকা দিতে অস্বীকার করায় গত ৬ নভেম্বর রাত ১টা ৪৫ মিনিটের সময় ওই সোর্সের কথামত তার সাথে পুলিশের পোষাক পরিহিত থানার এসআই মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ৫ পুলিশ মামলার বাদী আয়েশা বেগমের বাড়িতে গিয়ে দরজা খুলতে বলেন।

এ সময় ওই পুলিশ সদস্যরা অবৈধ অস্ত্র ও মাদক তল্লাশীর নামে ঘরের ভেতর ঢুকতে গেলে আয়েশা বেগম বাধা দিলে তার চুল ধরে মাটিতে ফেলে লাথি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাদী তিন ছেলের মাথায় এএসআই আশরাফুল, এএসআই জাহাঙ্গীর ও কনস্টেবল সালাউদ্দীন পিস্তল ঠেকিয়ে তাদের জিম্মি করে মোটরসাইকেল বিক্রি করা নগদ দুই লাখ ১০ হাজার টাকাসহ তিন লাখ টাকা মূল্যের ছয় ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাদেরকে ক্রসফায়ারে হত্যা করার হুমকি দিয়ে ওই পুলিশ সদস্যরা চলে আসে। সকালে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে রাজি হয়নি। এরপর আয়েশা বেগম আদালতে মামলা করেন।

কেশবপুর থানার ওসি এসএম আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেনকে আটকের জন্য পুলিশ তার বাড়িতে গিয়েছিল। সে অসুস্থ থাকার কারণে আটক করা হয়নি। কিন্তু জাহাঙ্গীরের মা আয়েশা বেগম পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

যশোর আদালতে ৩ দারোগাসহ ৫ পুলিশের নামে মামলা

আপডেট সময় ১২:২৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরের কেশবপুরে গভীর রাতে তল্লাশির নামে পুলিশ পরিচয়ে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ ৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নেয়ার অভিযোগে পুলিশের তিন দারেগাসহ ৫ পুলিশ ও এক সোর্সের নামে আদালতে মামলা হয়েছে। বুধবার (৮ নভেম্বর) উপজেলার আটন্ডা গ্রামের বজলুর রহমান মোড়লের স্ত্রী আয়েশা বেগম যশোর বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মামলাটি করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন এসআই মুজাহিদুল ইসলাম, এএসআই আশরাফুল ইসলাম, এএসআই জাহাঙ্গীর হোসেন, কনস্টেবল সালাউদ্দীন, ড্রাইভার মোহাম্মদ মজনু ও পুলিশের কথিত সোর্স উপজেলার বাগদা গ্রামের মৃত করিম মোড়লের ছেলে ফজলুর রহমান।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, কেশবপুর উপজেলার আটন্ডা গ্রামের বজলুর রহমান মোড়লের ৩ ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন, জাহিদুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম ভাড়াই চালিত মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। এছাড়া জাহিদুল ইসলাম পুরানো মোটর সাইকেল বেচাকেনার ব্যবসায় জড়িত। পুলিশের কথিত সোর্স ফজলুর রহমান প্রায় সময় জাহিদুল ইসলামের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করত। এ টাকা দিতে অস্বীকার করায় গত ৬ নভেম্বর রাত ১টা ৪৫ মিনিটের সময় ওই সোর্সের কথামত তার সাথে পুলিশের পোষাক পরিহিত থানার এসআই মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ৫ পুলিশ মামলার বাদী আয়েশা বেগমের বাড়িতে গিয়ে দরজা খুলতে বলেন।

এ সময় ওই পুলিশ সদস্যরা অবৈধ অস্ত্র ও মাদক তল্লাশীর নামে ঘরের ভেতর ঢুকতে গেলে আয়েশা বেগম বাধা দিলে তার চুল ধরে মাটিতে ফেলে লাথি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাদী তিন ছেলের মাথায় এএসআই আশরাফুল, এএসআই জাহাঙ্গীর ও কনস্টেবল সালাউদ্দীন পিস্তল ঠেকিয়ে তাদের জিম্মি করে মোটরসাইকেল বিক্রি করা নগদ দুই লাখ ১০ হাজার টাকাসহ তিন লাখ টাকা মূল্যের ছয় ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাদেরকে ক্রসফায়ারে হত্যা করার হুমকি দিয়ে ওই পুলিশ সদস্যরা চলে আসে। সকালে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে রাজি হয়নি। এরপর আয়েশা বেগম আদালতে মামলা করেন।

কেশবপুর থানার ওসি এসএম আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেনকে আটকের জন্য পুলিশ তার বাড়িতে গিয়েছিল। সে অসুস্থ থাকার কারণে আটক করা হয়নি। কিন্তু জাহাঙ্গীরের মা আয়েশা বেগম পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে।