ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে রপ্তানি আয়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগের মাসে বড় ধসের পর অক্টোবরে আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে দেশের রপ্তানি আয়। গত মাসে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ২৮৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার আয় করেছে, যা গত বছরের একই মাসের চেয়ে ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৮ শতাংশ কমেছিল।

বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ এক হাজার ১৫০ কোটি ৫৮ লাখ (১১.৫০ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে।

এই অংক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ দশমিক ০৩ শতাংশ বেশি। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক দশমিক ৭৪ শতাংশ কম। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে একহাজার ৭৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল।

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয় ২৯ শতাংশ। অগাস্টে রপ্তানি বাড়ে ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ। এই দুই মাসে (জুলাই-অগাস্ট) রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধি হয় প্রায় ১৪ শতাংশ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছিল ৮ শতাংশের মতো। সেপ্টেম্বর শেষে সেই প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশে নেমে আসে, লক্ষ্যমাত্রাও হোঁচট খায়।

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ সহ-সভাপতি ফারুক হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, কোরবানির ঈদে আট-দশ দিন অনেকগুলো পোশাক কারখানা বন্ধ থাকায় রপ্তানি কমেছিল।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৯৪৩ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে নিটওয়্যার খাতের পণ্য রপ্তানিতে ৪৯৮ কোটি ৬২ লাখ ডলার এবং উভেন পোশাক রপ্তানিতে ৪৪৫ কোটি ১৫ লাখ ডলার আয় হয়েছে।

অন্যান্য খাতের মধ্যে এই চার মাসে হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি বেড়েছে ১৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। কৃষি পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ২০ দশমিক ২২ শতাংশ। ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩১ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে মোট লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তিন হাজার ৭৫০ কোটি (৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন) ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি থেকে তিন হাজার ৪৬৫ কোটি ৫৯ লাখ (৩৪ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন) ডলার আয় করে, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে রপ্তানি আয়

আপডেট সময় ১০:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগের মাসে বড় ধসের পর অক্টোবরে আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে দেশের রপ্তানি আয়। গত মাসে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ২৮৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার আয় করেছে, যা গত বছরের একই মাসের চেয়ে ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৮ শতাংশ কমেছিল।

বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ এক হাজার ১৫০ কোটি ৫৮ লাখ (১১.৫০ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে।

এই অংক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ দশমিক ০৩ শতাংশ বেশি। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক দশমিক ৭৪ শতাংশ কম। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে একহাজার ৭৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল।

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয় ২৯ শতাংশ। অগাস্টে রপ্তানি বাড়ে ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ। এই দুই মাসে (জুলাই-অগাস্ট) রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধি হয় প্রায় ১৪ শতাংশ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছিল ৮ শতাংশের মতো। সেপ্টেম্বর শেষে সেই প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশে নেমে আসে, লক্ষ্যমাত্রাও হোঁচট খায়।

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ সহ-সভাপতি ফারুক হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, কোরবানির ঈদে আট-দশ দিন অনেকগুলো পোশাক কারখানা বন্ধ থাকায় রপ্তানি কমেছিল।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৯৪৩ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে নিটওয়্যার খাতের পণ্য রপ্তানিতে ৪৯৮ কোটি ৬২ লাখ ডলার এবং উভেন পোশাক রপ্তানিতে ৪৪৫ কোটি ১৫ লাখ ডলার আয় হয়েছে।

অন্যান্য খাতের মধ্যে এই চার মাসে হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি বেড়েছে ১৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। কৃষি পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ২০ দশমিক ২২ শতাংশ। ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩১ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে মোট লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তিন হাজার ৭৫০ কোটি (৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন) ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি থেকে তিন হাজার ৪৬৫ কোটি ৫৯ লাখ (৩৪ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন) ডলার আয় করে, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।