ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে রপ্তানি আয়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগের মাসে বড় ধসের পর অক্টোবরে আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে দেশের রপ্তানি আয়। গত মাসে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ২৮৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার আয় করেছে, যা গত বছরের একই মাসের চেয়ে ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৮ শতাংশ কমেছিল।

বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ এক হাজার ১৫০ কোটি ৫৮ লাখ (১১.৫০ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে।

এই অংক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ দশমিক ০৩ শতাংশ বেশি। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক দশমিক ৭৪ শতাংশ কম। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে একহাজার ৭৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল।

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয় ২৯ শতাংশ। অগাস্টে রপ্তানি বাড়ে ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ। এই দুই মাসে (জুলাই-অগাস্ট) রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধি হয় প্রায় ১৪ শতাংশ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছিল ৮ শতাংশের মতো। সেপ্টেম্বর শেষে সেই প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশে নেমে আসে, লক্ষ্যমাত্রাও হোঁচট খায়।

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ সহ-সভাপতি ফারুক হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, কোরবানির ঈদে আট-দশ দিন অনেকগুলো পোশাক কারখানা বন্ধ থাকায় রপ্তানি কমেছিল।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৯৪৩ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে নিটওয়্যার খাতের পণ্য রপ্তানিতে ৪৯৮ কোটি ৬২ লাখ ডলার এবং উভেন পোশাক রপ্তানিতে ৪৪৫ কোটি ১৫ লাখ ডলার আয় হয়েছে।

অন্যান্য খাতের মধ্যে এই চার মাসে হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি বেড়েছে ১৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। কৃষি পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ২০ দশমিক ২২ শতাংশ। ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩১ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে মোট লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তিন হাজার ৭৫০ কোটি (৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন) ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি থেকে তিন হাজার ৪৬৫ কোটি ৫৯ লাখ (৩৪ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন) ডলার আয় করে, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে রপ্তানি আয়

আপডেট সময় ১০:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগের মাসে বড় ধসের পর অক্টোবরে আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে দেশের রপ্তানি আয়। গত মাসে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ২৮৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার আয় করেছে, যা গত বছরের একই মাসের চেয়ে ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৮ শতাংশ কমেছিল।

বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ এক হাজার ১৫০ কোটি ৫৮ লাখ (১১.৫০ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে।

এই অংক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ দশমিক ০৩ শতাংশ বেশি। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক দশমিক ৭৪ শতাংশ কম। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে একহাজার ৭৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল।

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয় ২৯ শতাংশ। অগাস্টে রপ্তানি বাড়ে ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ। এই দুই মাসে (জুলাই-অগাস্ট) রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধি হয় প্রায় ১৪ শতাংশ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছিল ৮ শতাংশের মতো। সেপ্টেম্বর শেষে সেই প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশে নেমে আসে, লক্ষ্যমাত্রাও হোঁচট খায়।

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ সহ-সভাপতি ফারুক হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, কোরবানির ঈদে আট-দশ দিন অনেকগুলো পোশাক কারখানা বন্ধ থাকায় রপ্তানি কমেছিল।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৯৪৩ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে নিটওয়্যার খাতের পণ্য রপ্তানিতে ৪৯৮ কোটি ৬২ লাখ ডলার এবং উভেন পোশাক রপ্তানিতে ৪৪৫ কোটি ১৫ লাখ ডলার আয় হয়েছে।

অন্যান্য খাতের মধ্যে এই চার মাসে হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি বেড়েছে ১৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। কৃষি পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ২০ দশমিক ২২ শতাংশ। ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩১ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে মোট লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তিন হাজার ৭৫০ কোটি (৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন) ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি থেকে তিন হাজার ৪৬৫ কোটি ৫৯ লাখ (৩৪ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন) ডলার আয় করে, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।