ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পাঁচ তারকা হোটেলের মেঝেতে ঘুমিয়েছেন সৌদি রাজপুত্ররা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে রোববার ১১ সৌদি রাজপুত্রসহ বহু মন্ত্রী, সাবেক মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করা হয়। সম্মান রক্ষার্থে তাদেরকে রিয়াদের পাঁচ তারকা মানের একটি হোটেলে বন্দি করা হয়। রাতের বেলায় তারা সেখানেই মেঝেতে ঘুমান। মঙ্গলবার ডেইলি মেইল রাজপুত্র ও মন্ত্রীদের মেঝেতে ঘুমানোর এই ছবি প্রকাশ করে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, গ্রেফতার করার পর সৌদ রাজপুত্রসহ মন্ত্রী, সাবেক মন্ত্রী ও বিলিয়নার ব্যবসায়ীদেরকে অপদস্থ করে রিয়াদের ‘রিটজ কার্লটন’ হোটেলের একটি রুমের মেঝেতে ঘুমানোর বন্দোবস্ত করা হয়।

ওই ছবিতে ঘুমন্ত ধন কুবেরদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্বের অন্যতম ধনী বাদশার ভাতিজা প্রিন্স আল ওয়ালিদ তালাল যিনি ১৮ বিলিয়ন অর্থের মালিক। ওই ছবি দেখে বোঝা যায় যে তাদেরকে বিন্দু মাত্র সহানুভূতি দেখানো হয়নি। এমন বিত্তশালী ও ক্ষমতাবানদেরকে যারপরনাই নাস্তানাবুদ হয়ে মেঝেতে ঘুমাতে হয়েছে।

এর আগে রাজকীয় এক ডিক্রিতে জানানো হয়, দুর্নীতির অভিযোগে সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কারণ যাইহোক, তারা এখন বন্দী এটাই বাস্তবতা। কিন্তু যেই সেই বন্দী তো আর নন, রাজপরিবারের সদস্য তারা! ফলে তাদের কারাগারও হওয়া চাই ‘রাজকীয়’!

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে রাজকীয় সৌদি বন্দিদের নিয়ে প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কারাগারে রাজকীয় হালেই আছেন সৌদি রাজবন্দীরা। রিয়াদের সবচেয়ে নামকরা পাঁচ তারকা হোটেলের দখল নিয়েছে সৌদি সরকার। ‘রিটজ কার্লটন’ নামের এই হোটেলটিতে এখন দিন যাপন করছেন আকস্মিক সরকারী রোষানলে পড়া যুবরাজ ও মন্ত্রীরা।

মজার বিষয় হচ্ছে গত মে মাসে সৌদি সফরে এসে এই হোটেলেই উঠেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৫২ একর জায়গার উপর নির্মিত বিলাসবহুল হোটেলটিতে ৪৯২টি কক্ষ রয়েছে। আছে বেশ কয়েকটি বিশ্বমানের সুবিধা সম্বলিত রেস্টুরেন্ট। এছাড়া পুরুষদের জন্য রয়েছে বিশেষ রকমের ‘স্পা’র ব্যবস্থা। চলতি নভেম্বর মাসের জন্য সব ধরনের বুকিং নেয়া বন্ধ ঘোষণা করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

তবে বুকিং বন্ধের কারণ উল্লেখ করা হয়নি। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে আবার বুকিং নেয়া হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। গত সোমবার থেকে রিটজ কার্লটনের সাথে ইন্টারনেট, মোবাইল ও ফোনসহ সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দেয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পাঁচ তারকা হোটেলের মেঝেতে ঘুমিয়েছেন সৌদি রাজপুত্ররা

আপডেট সময় ১১:৩২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে রোববার ১১ সৌদি রাজপুত্রসহ বহু মন্ত্রী, সাবেক মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করা হয়। সম্মান রক্ষার্থে তাদেরকে রিয়াদের পাঁচ তারকা মানের একটি হোটেলে বন্দি করা হয়। রাতের বেলায় তারা সেখানেই মেঝেতে ঘুমান। মঙ্গলবার ডেইলি মেইল রাজপুত্র ও মন্ত্রীদের মেঝেতে ঘুমানোর এই ছবি প্রকাশ করে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, গ্রেফতার করার পর সৌদ রাজপুত্রসহ মন্ত্রী, সাবেক মন্ত্রী ও বিলিয়নার ব্যবসায়ীদেরকে অপদস্থ করে রিয়াদের ‘রিটজ কার্লটন’ হোটেলের একটি রুমের মেঝেতে ঘুমানোর বন্দোবস্ত করা হয়।

ওই ছবিতে ঘুমন্ত ধন কুবেরদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্বের অন্যতম ধনী বাদশার ভাতিজা প্রিন্স আল ওয়ালিদ তালাল যিনি ১৮ বিলিয়ন অর্থের মালিক। ওই ছবি দেখে বোঝা যায় যে তাদেরকে বিন্দু মাত্র সহানুভূতি দেখানো হয়নি। এমন বিত্তশালী ও ক্ষমতাবানদেরকে যারপরনাই নাস্তানাবুদ হয়ে মেঝেতে ঘুমাতে হয়েছে।

এর আগে রাজকীয় এক ডিক্রিতে জানানো হয়, দুর্নীতির অভিযোগে সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কারণ যাইহোক, তারা এখন বন্দী এটাই বাস্তবতা। কিন্তু যেই সেই বন্দী তো আর নন, রাজপরিবারের সদস্য তারা! ফলে তাদের কারাগারও হওয়া চাই ‘রাজকীয়’!

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে রাজকীয় সৌদি বন্দিদের নিয়ে প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কারাগারে রাজকীয় হালেই আছেন সৌদি রাজবন্দীরা। রিয়াদের সবচেয়ে নামকরা পাঁচ তারকা হোটেলের দখল নিয়েছে সৌদি সরকার। ‘রিটজ কার্লটন’ নামের এই হোটেলটিতে এখন দিন যাপন করছেন আকস্মিক সরকারী রোষানলে পড়া যুবরাজ ও মন্ত্রীরা।

মজার বিষয় হচ্ছে গত মে মাসে সৌদি সফরে এসে এই হোটেলেই উঠেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৫২ একর জায়গার উপর নির্মিত বিলাসবহুল হোটেলটিতে ৪৯২টি কক্ষ রয়েছে। আছে বেশ কয়েকটি বিশ্বমানের সুবিধা সম্বলিত রেস্টুরেন্ট। এছাড়া পুরুষদের জন্য রয়েছে বিশেষ রকমের ‘স্পা’র ব্যবস্থা। চলতি নভেম্বর মাসের জন্য সব ধরনের বুকিং নেয়া বন্ধ ঘোষণা করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

তবে বুকিং বন্ধের কারণ উল্লেখ করা হয়নি। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে আবার বুকিং নেয়া হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। গত সোমবার থেকে রিটজ কার্লটনের সাথে ইন্টারনেট, মোবাইল ও ফোনসহ সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দেয়া হয়।