অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শিক্ষাক্ষেত্রে দেয়া আর্থিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসডিজি-৪ এর লক্ষ্য অর্জন করতে হলে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আজ বৃহস্পতিবার প্যারিসে ’মিনিস্টেরিয়াল প্যানেল ডিসকাসন অন এসডিজি-৪ : এডুকেশন ২০৩০’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় ই-নাইন ফোরামের পক্ষে বক্তব্যে একথা বলেন। ইউনেস্কোর ৩৯তম সাধারণ সম্মেলনে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, ই-নাইন দেশসমূহে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার শতকরা ৫০ ভাগ লোক বাস করে, যাদের মধ্যে বয়স্ক নিরক্ষতার হার অনেক বেশি। এসব দেশে বয়স্ক নিরক্ষতার হার শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ। শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ এ ফোরামের চেয়ারম্যান।
গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলো ২০১৫-২০৩০ সময়ে বার্ষিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক ঘাটতির সম্মুখীন হবে, যার প্রভাব ই-নাইন দেশগুলোতেও পড়বে।
তিনি আরো বলেন, ই-নাইন সদস্য দেশগুলোতে এসডিজি-৪ বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ হবে বহুমুখী। ফাইনান্সিং গ্যাপ এবং অর্থের সম্ভাব্য উৎসও এসব দেশে একরকম নয়। এজন্য শিক্ষাক্ষেত্রে বর্ধিত ব্যয় সত্ত্বেও আগামী বছরগুলোতে ফাইনান্সিং গ্যাপ ই-নাইন দেশগুলোর জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
এর আগে বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ’ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট ফর এডুকেশন (ক্যাপএড)’ শীর্ষক বৈঠকেও অংশগ্রহণ করেন। রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং সদস্য দেশসমূহর শিক্ষামন্ত্রীগণ ইউনেস্কো সাধারণ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। সংস্থাটির পরবর্তী দুই বছরের কর্মসূচি ও বাজেট চূড়ান্ত করার জন্য প্রতি দুই বছর পর পর এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























