ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনে সরকারের অনুমতি : মন্ত্রিসভা

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনো হাসপাতাল মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করতে পারবে না। একই সঙ্গে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনে নিকটাত্মীয়ের সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করে ‘মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৭’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

শরীরে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনের ক্ষেত্রে নিকট আত্মীয়ের পরিচয়ে মিথ্যা তথ্য দিলে দুই বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন -২০১৭ এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই সঙ্গে এক্ষেত্রে উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ারও বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া আইনের অন্যান্য যে কোনো বিধি লঙ্ঘন করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রা হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আশরাফ শামীম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ অনুমোদনের কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘সংশোধিত আইনে কিছু সংজ্ঞা পরিমার্জিত ও পুনর্গঠিত হয়েছে এবং আইনে কিছু বিষয় সংযোজিতও হয়েছে।’

আশরাফ শামীম বলেন, ‘কোনো হাসপাতাল সরকারের অনুমতি ছাড়া মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করতে পারবে না। তবে সরকারি হাসপাতালে যেখানে বিশেষায়িত ইউনিট আছে সেখানে এ ধরণের অনুমতির প্রয়োজন নেই।’

নিকট আত্মীয়ের মধ্যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করা যাবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আইনে নিকট আত্মীয়ের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, পিতা-মাতা, পুত্র-কন্যা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী ও রক্তের সম্পর্কের আপন চাচা, ফুফু, মামা, খালা, নানা-নানী, দাদা-দাদী, নাতি-নাতনী এবং আপন চাচাতো, মামাতো, ফুফাতো, খালাতো ভাই বা বোন।’
তিনি বলেন, ‘আগের আইনে নিকট আত্মীয় বলতে পুত্র-কন্যা, পিতা-মাতা, ভাই-বোন, ও রক্তের সম্পর্কের আপন চাচা, ফুফু, মামা, খালা ও স্বামী-স্ত্রী। নতুন আইনে নিকট আত্মীয়ের সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হয়েছে।’

তবে চোখ ও অস্থিমজ্জা সংযোজনের ক্ষেত্রে নিকট আত্মীয় হওয়ার আবশ্যকতা নেই বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনে সরকারের অনুমতি : মন্ত্রিসভা

আপডেট সময় ০৩:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনো হাসপাতাল মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করতে পারবে না। একই সঙ্গে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনে নিকটাত্মীয়ের সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করে ‘মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৭’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

শরীরে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনের ক্ষেত্রে নিকট আত্মীয়ের পরিচয়ে মিথ্যা তথ্য দিলে দুই বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন -২০১৭ এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই সঙ্গে এক্ষেত্রে উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ারও বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া আইনের অন্যান্য যে কোনো বিধি লঙ্ঘন করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রা হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আশরাফ শামীম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ অনুমোদনের কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘সংশোধিত আইনে কিছু সংজ্ঞা পরিমার্জিত ও পুনর্গঠিত হয়েছে এবং আইনে কিছু বিষয় সংযোজিতও হয়েছে।’

আশরাফ শামীম বলেন, ‘কোনো হাসপাতাল সরকারের অনুমতি ছাড়া মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করতে পারবে না। তবে সরকারি হাসপাতালে যেখানে বিশেষায়িত ইউনিট আছে সেখানে এ ধরণের অনুমতির প্রয়োজন নেই।’

নিকট আত্মীয়ের মধ্যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করা যাবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আইনে নিকট আত্মীয়ের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, পিতা-মাতা, পুত্র-কন্যা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী ও রক্তের সম্পর্কের আপন চাচা, ফুফু, মামা, খালা, নানা-নানী, দাদা-দাদী, নাতি-নাতনী এবং আপন চাচাতো, মামাতো, ফুফাতো, খালাতো ভাই বা বোন।’
তিনি বলেন, ‘আগের আইনে নিকট আত্মীয় বলতে পুত্র-কন্যা, পিতা-মাতা, ভাই-বোন, ও রক্তের সম্পর্কের আপন চাচা, ফুফু, মামা, খালা ও স্বামী-স্ত্রী। নতুন আইনে নিকট আত্মীয়ের সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হয়েছে।’

তবে চোখ ও অস্থিমজ্জা সংযোজনের ক্ষেত্রে নিকট আত্মীয় হওয়ার আবশ্যকতা নেই বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব।