ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বস্তির জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল বাংলাদেশ ‘নকলের’ সুযোগ না পেয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর বন্যা পরিস্থিতিতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন গোয়াইনঘাট সীমান্তে ‘ভারতীয় খাসিয়াদের’ গুলিতে যুবক নিহত দেশের একটা বালুর ওপরও কাউকে কর্তৃত্ব করতে দেব না: শফিকুর রহমান ‘একটি দল দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করছে’ বিএনপি সরকার কোনো সময় হারিয়ে যায় না: তথ্যমন্ত্রী সাবেক ডিসি সারওয়ারকে ফিরিয়ে আনার দাবিতে শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে চিঠি অতীতের সরকার ভোট চুরি করত, এই সরকার ফল চুরি করেছে: হাসনাত আবদুল্লাহ সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : ডিএনসিসি প্রশাসক

জলাবদ্ধতা নিরসনের সকল দায়িত্ব, আমার না : আনিসুল

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার জলাবদ্ধতা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে মেয়র আনিসুল হক বিব্রত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসনের সকল দায়িত্ব আমার না। কিন্তু সবাই আমার কাছেই অভিযোগ করেন।’ এ সময় রাজধানীর ড্রেনেজ ব্যবস্থার দায়িত্ব ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হলে

মেয়র আনিসুল হক বলেন, ‘ড্রেন তো বিকলাঙ্গ বাচ্চা, ক্যান্সারে আক্রান্ত। আমাকে দিল সুস্থ করে দেওয়ার জন্য।’ সভা চলাকালীন সময়ে একাধিক কাউন্সিলর, মেয়র ও মন্ত্রী জলাবদ্ধতার জন্য ওয়াসা এমডিকে দোষারোপ করেন। রোববার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আয়োজিত ‘নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে’ তৃতীয় আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় সভায় জলাবদ্ধতার দায়ভার ও এর সমাধান নিয়ে সাড়ে ৪ ঘণ্টা আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন ওয়াসার কাছ থেকে রাজধানীর খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার দায়িত্ব ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে (ডিএনসিসি) দেওয়ার ঘোষণা দেন। সঙ্গে সঙ্গে মেয়র আনিসুল হক বলেন, ‘অসুস্থ সন্তান আমাকে দিলে আমি কি করব? জলাবদ্ধতার দায়ভার আমার না, তবুও জনগণ আমাকে গালাগালি করে।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সুপারেনটেন্ড ইঞ্জিনিয়ার শরিফ উদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি সরেজমিন পরিদর্শন করা ডিএনসিসি এলাকার খালের চিত্র প্রোজেক্টরের মাধ্যমে তুলে ধরেন। তখন জানানো হয় ঢাকা মহানগরীতে মোট ৪৩টি খাল রয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি খালের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ঢাকা ওয়াসার। এছাড়া মহানগরীর সকল খালের মালিকানায় রয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসক।ইঞ্জিনিয়ার শরিফ উদ্দিন আহমেদ জানান, ডিএনসিসি এলাকায় ২৩টি খাল রয়েছে, যার সবগুলো খাল দখলে চলে গেছে। ওই সকল খাল দিয়ে নদী পর্যন্ত পানি পৌঁছাতে পারছে না। এ কারণে রাজধানীতে অল্প বৃষ্টিতে দেখা দিচ্ছে জলাবদ্ধতা।সভায় ওয়াসা এমডি তাসকিন-এ-খানের অধিকাংশ বক্তব্যের বিরোধীতা করেন মেয়র ও কাউন্সিলরা।

ওয়াসা এমডি তার বক্তব্যে বলেন, ‘বিদ্যমান যা পেয়েছি তা রক্ষাণাবেক্ষণ করছি। দখল হয়ে যাওয়া খালে উচ্ছেদ অভিযান চলমান। আমরা প্রতিনিয়ত খাল পরিস্কার করছি।’ খাল পরিস্কারের কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে ওয়াসা এমডির বক্তব্যের বিরোধীতা করেন মেয়র আনিসুল হক। তিনি বলেন, ‘খাল কীভাবে পরিস্কার করেন জানি না। তবে আমাদের লোকরা যে ছবি তুলে নিয়ে এসেছে তাতে খাল পরিস্কার করার কোন নমুনা পাওয়া যায়নি।’

মেয়র বলেন, ‘খাল পরিস্কার করে জলাবদ্ধতার সমাধান করা যাবে না। খালের ভেতরে থাকা মাটি তুলে খালের গভীরতা না বাড়ালে কীভাবে জলাবদ্ধতা দূর হবে।’

এ সময় ওয়াসা এমডি বলেন, ‘উত্তর সিটির প্রধান খাল বাইশটিকি খাল ও সাংবাদিক খালের অধিকাংশ দখলে নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। আর সেই বাড়ি নির্মাণের জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে। এসব কারণে আমরা খালের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘পাম্প মেশিং দিয়ে ঢাকা শহরের পানি বের করতে হয়। প্রাকৃতিকভাবে পানি শহর থেকে বের হয় না। এটা কোন পদ্ধতি হতে পারে না।’

‘ওয়াসার তত্ত্বাবধানে ১৮টি খাল রয়েছে। এই খালগুলো বর্ষার আগেই পরিস্কার করা হয়েছে। কিন্তু তা ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ময়লায় ভরে যায়’ ওয়াসা এমডির এই কথার জবাবে ৩৩নং ওয়ার্ড কমিশনার বলেন, ‘খালের ময়লা রাস্তায় ফেলে আপনারা চলে আসেন। সেই ময়লা আবার খালে যায়।’ ঢাকা মহানগরীর খালের মালিক ঢাকা জেলা প্রশাসক মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘খাল অবৈধ দখলকারীদের নামের লিস্ট করা হয়েছে।

এসময় জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেকিছু প্রস্তাব দেয়া হয়। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, যে সকল খালে বেশি সমস্যা, সেখানে একত্রে অভিযান পরিচালনা করা দরকার। এছাড়া খালের ভেতরে ৪তলা থেকে ৫তলা ভবন ভাঙ্গা জেলা প্রশাসকের পক্ষে সম্ভব নয় বলে জানানো হয়।

এ সময় মেয়র বলেন, ডিসি সাহেব আপনার জমি, আমার খাল। আমার খাল আমাকে বুঝিয়ে দেন। ওয়াসা আমার খাল পরিস্কার করে দেন। আমি গালাগালি শুনতে পারবো না। মেয়র একই সঙ্গে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে আগামী বর্ষার আগে কুড়িল ফ্লাইওভার এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের নির্দেশ দেন। এছাড়া ডিএনসিসি এলাকার লেক পরিস্কার করার কথাও বলেন।

জবাবে রাজউক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে কুড়িল একার সমস্যার সমাধান হবে। আর লেকের ময়লা আজকেই পরিস্কার করা হবে।
এদিকে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় খাল সম্পৃক্ত সকল সেবা প্রতিষ্ঠান নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে দখল হওয়া খাল উদ্ধার করবে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য কে এম রহমতুল্লাহসহ বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠানে প্রধানরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা নিরসনের সকল দায়িত্ব, আমার না : আনিসুল

আপডেট সময় ০১:২৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার জলাবদ্ধতা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে মেয়র আনিসুল হক বিব্রত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসনের সকল দায়িত্ব আমার না। কিন্তু সবাই আমার কাছেই অভিযোগ করেন।’ এ সময় রাজধানীর ড্রেনেজ ব্যবস্থার দায়িত্ব ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হলে

মেয়র আনিসুল হক বলেন, ‘ড্রেন তো বিকলাঙ্গ বাচ্চা, ক্যান্সারে আক্রান্ত। আমাকে দিল সুস্থ করে দেওয়ার জন্য।’ সভা চলাকালীন সময়ে একাধিক কাউন্সিলর, মেয়র ও মন্ত্রী জলাবদ্ধতার জন্য ওয়াসা এমডিকে দোষারোপ করেন। রোববার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আয়োজিত ‘নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে’ তৃতীয় আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় সভায় জলাবদ্ধতার দায়ভার ও এর সমাধান নিয়ে সাড়ে ৪ ঘণ্টা আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন ওয়াসার কাছ থেকে রাজধানীর খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার দায়িত্ব ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে (ডিএনসিসি) দেওয়ার ঘোষণা দেন। সঙ্গে সঙ্গে মেয়র আনিসুল হক বলেন, ‘অসুস্থ সন্তান আমাকে দিলে আমি কি করব? জলাবদ্ধতার দায়ভার আমার না, তবুও জনগণ আমাকে গালাগালি করে।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সুপারেনটেন্ড ইঞ্জিনিয়ার শরিফ উদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি সরেজমিন পরিদর্শন করা ডিএনসিসি এলাকার খালের চিত্র প্রোজেক্টরের মাধ্যমে তুলে ধরেন। তখন জানানো হয় ঢাকা মহানগরীতে মোট ৪৩টি খাল রয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি খালের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ঢাকা ওয়াসার। এছাড়া মহানগরীর সকল খালের মালিকানায় রয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসক।ইঞ্জিনিয়ার শরিফ উদ্দিন আহমেদ জানান, ডিএনসিসি এলাকায় ২৩টি খাল রয়েছে, যার সবগুলো খাল দখলে চলে গেছে। ওই সকল খাল দিয়ে নদী পর্যন্ত পানি পৌঁছাতে পারছে না। এ কারণে রাজধানীতে অল্প বৃষ্টিতে দেখা দিচ্ছে জলাবদ্ধতা।সভায় ওয়াসা এমডি তাসকিন-এ-খানের অধিকাংশ বক্তব্যের বিরোধীতা করেন মেয়র ও কাউন্সিলরা।

ওয়াসা এমডি তার বক্তব্যে বলেন, ‘বিদ্যমান যা পেয়েছি তা রক্ষাণাবেক্ষণ করছি। দখল হয়ে যাওয়া খালে উচ্ছেদ অভিযান চলমান। আমরা প্রতিনিয়ত খাল পরিস্কার করছি।’ খাল পরিস্কারের কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে ওয়াসা এমডির বক্তব্যের বিরোধীতা করেন মেয়র আনিসুল হক। তিনি বলেন, ‘খাল কীভাবে পরিস্কার করেন জানি না। তবে আমাদের লোকরা যে ছবি তুলে নিয়ে এসেছে তাতে খাল পরিস্কার করার কোন নমুনা পাওয়া যায়নি।’

মেয়র বলেন, ‘খাল পরিস্কার করে জলাবদ্ধতার সমাধান করা যাবে না। খালের ভেতরে থাকা মাটি তুলে খালের গভীরতা না বাড়ালে কীভাবে জলাবদ্ধতা দূর হবে।’

এ সময় ওয়াসা এমডি বলেন, ‘উত্তর সিটির প্রধান খাল বাইশটিকি খাল ও সাংবাদিক খালের অধিকাংশ দখলে নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। আর সেই বাড়ি নির্মাণের জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে। এসব কারণে আমরা খালের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘পাম্প মেশিং দিয়ে ঢাকা শহরের পানি বের করতে হয়। প্রাকৃতিকভাবে পানি শহর থেকে বের হয় না। এটা কোন পদ্ধতি হতে পারে না।’

‘ওয়াসার তত্ত্বাবধানে ১৮টি খাল রয়েছে। এই খালগুলো বর্ষার আগেই পরিস্কার করা হয়েছে। কিন্তু তা ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ময়লায় ভরে যায়’ ওয়াসা এমডির এই কথার জবাবে ৩৩নং ওয়ার্ড কমিশনার বলেন, ‘খালের ময়লা রাস্তায় ফেলে আপনারা চলে আসেন। সেই ময়লা আবার খালে যায়।’ ঢাকা মহানগরীর খালের মালিক ঢাকা জেলা প্রশাসক মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘খাল অবৈধ দখলকারীদের নামের লিস্ট করা হয়েছে।

এসময় জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেকিছু প্রস্তাব দেয়া হয়। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, যে সকল খালে বেশি সমস্যা, সেখানে একত্রে অভিযান পরিচালনা করা দরকার। এছাড়া খালের ভেতরে ৪তলা থেকে ৫তলা ভবন ভাঙ্গা জেলা প্রশাসকের পক্ষে সম্ভব নয় বলে জানানো হয়।

এ সময় মেয়র বলেন, ডিসি সাহেব আপনার জমি, আমার খাল। আমার খাল আমাকে বুঝিয়ে দেন। ওয়াসা আমার খাল পরিস্কার করে দেন। আমি গালাগালি শুনতে পারবো না। মেয়র একই সঙ্গে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে আগামী বর্ষার আগে কুড়িল ফ্লাইওভার এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের নির্দেশ দেন। এছাড়া ডিএনসিসি এলাকার লেক পরিস্কার করার কথাও বলেন।

জবাবে রাজউক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে কুড়িল একার সমস্যার সমাধান হবে। আর লেকের ময়লা আজকেই পরিস্কার করা হবে।
এদিকে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় খাল সম্পৃক্ত সকল সেবা প্রতিষ্ঠান নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে দখল হওয়া খাল উদ্ধার করবে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য কে এম রহমতুল্লাহসহ বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠানে প্রধানরা।