অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় এক সেনা সদস্যকে পিটিয়ে স্থানীয়দের রোষানলে পড়েছে চারঘাট মডেল থানার দুই পুলিশ সদস্য। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের বালাদিয়াড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুস সামাদ জানান, উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের হাসমত আলীর জামাতা সেনা সদস্য ইয়াসিন আলী শশুর বাড়িতে বেড়াতে আসেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় সেনা সদস্য ইয়াসিন আলী মোটরসাইকেল চালানো শেখার জন্য এক স্বজনের মোটরসাইকেল নেন। এরপর তিনি রাস্তায় মোটরসাইকেল চালানো শিখতে শুরু করেন। এ সময় ওই এলাকায় টহলের দায়িত্ব পালন করছিলেন চারঘাট মডেল থানার এএসআই শাহিনসহ একজন কনস্টেবল।
তারা সেনা সদস্য ইয়াসিন আলীকে থামার নির্দেশ দেন। ঠিকমতো মোটরসাইকেল না চালাতে জানায় সময়মতো থামতে ব্যর্থ হন ইয়াসিন আলী। এ সময় এএসআই শাহিনের সঙ্গে থাকা কনস্টেবল ইয়াসিন আলীকে রাইফেলের বাট দিয়ে আঘাত করেন। আঘাতে ইয়াসিন আলী মাটিতে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।
তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে এএসআই শাহিন ও কনস্টেবলের ওপর চড়াও হয় এবং তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করে। এ সময় পুলিশ সদস্যরা স্থানীয়দের রোষানল থেকে বাঁচতে একটি বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। তবে স্থানীয়রা ওই দুই পুলিশ সদস্যের শাস্তির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে। পরে খবর পেয়ে চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিরারণ চন্দ্র বর্মন ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করেন।
জানতে চাইলে চারঘাট মডেল থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মন বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তিনি তা মিটমাট করে দিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁইয়া জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। সংশ্লিষ্ট ওসি তাকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করেননি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 





















