ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

বহর বাড়াল এয়ার চায়না কার্গো

আন্তর্জাতিক আকাশপথে পণ্য পরিবহন কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে নিজের বহর সম্প্রসারণ করল এয়ার চায়না কার্গো। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি তাদের বহরে ১৪তম বোয়িং ৭৭৭ মালবাহী উড়োজাহাজ যুক্ত করেছে। বি-২২৯ডি নিবন্ধন নম্বরের এই নতুন বিমানটি গত ১ অক্টোবর এয়ার চায়না কার্গোর কাছে হস্তান্তর করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের এভারেট কারখানায় নির্মিত উড়োজাহাজটি হস্তান্তরের পরপরই সিয়াটলের পেইন ফিল্ড থেকে বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রা করে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন উড়োজাহাজটির নিবন্ধন নম্বর বি-২২৯ডি।

নতুন এই সংযোজনের ফলে বর্তমানে এয়ার চায়না কার্গোর কাছে মোট ১৪টি বোয়িং ৭৭৭এফ মালবাহী উড়োজাহাজ রয়েছে। শুধু বোয়িং নয়, প্রতিষ্ঠানটি অন্যান্য মডেলেও তাদের সক্ষমতা ধরে রেখেছে। বর্তমানে তাদের বহরে যাত্রীবাহী থেকে রূপান্তর করা আটটি এয়ারবাস এ৩৩০-২০০ এবং দুটি বোয়িং ৭৪৭-৪০০ মডেলের মালবাহী উড়োজাহাজ নিয়মিত পরিচালনা করা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত মে মাসে এয়ারবাস থেকে নতুন করে চারটি এ৩৫০ ফ্রেইটারের ক্রয়াদেশ নিশ্চিত করা হয়েছে, যার ফলে এই মডেলে তাদের মোট অর্ডারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০টিতে। এসব উড়োজাহাজ যুক্ত হলে ভবিষ্যতে দীর্ঘ দূরত্বের পণ্য পরিবহনে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বোয়িং ৭৭৭এফ মডেলের উড়োজাহাজগুলো একবারে সর্বোচ্চ ১০২ মেট্রিক টন পর্যন্ত পণ্য বহনে সক্ষম এবং এর উড্ডয়ন পরিসর প্রায় ৯ হাজার ২০০ কিলোমিটার। বেশি পণ্য নিয়ে সুদূরবর্তী গন্তব্যে যাতায়াতের অনন্য ক্ষমতার কারণে বিশ্বজুড়ে কার্গো সেবায় এই মডেলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইতিমধ্যে বোয়িংয়ের ৭৭৭এফ কর্মসূচির ভবিষ্যৎ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সম্প্রতি নির্গমনসংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষ ছাড় অনুমোদন করায় ২০২৭ সালের শেষ সময়সীমার পরেও এই উড়োজাহাজ বিক্রির পথ উন্মুক্ত হয়েছে। এই নমনীয়তা বোয়িংকে বর্তমান চাহিদা পূরণের পাশাপাশি তাদের পরবর্তী প্রজন্মের ৭৭৭-৮ ফ্রেইটার তৈরির প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। এর ফলে ২০২৭ সালের শেষ সময়সীমার পরও উড়োজাহাজটির বিক্রি চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বহর বাড়াল এয়ার চায়না কার্গো

আপডেট সময় ০২:৫৬:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক আকাশপথে পণ্য পরিবহন কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে নিজের বহর সম্প্রসারণ করল এয়ার চায়না কার্গো। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি তাদের বহরে ১৪তম বোয়িং ৭৭৭ মালবাহী উড়োজাহাজ যুক্ত করেছে। বি-২২৯ডি নিবন্ধন নম্বরের এই নতুন বিমানটি গত ১ অক্টোবর এয়ার চায়না কার্গোর কাছে হস্তান্তর করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের এভারেট কারখানায় নির্মিত উড়োজাহাজটি হস্তান্তরের পরপরই সিয়াটলের পেইন ফিল্ড থেকে বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রা করে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন উড়োজাহাজটির নিবন্ধন নম্বর বি-২২৯ডি।

নতুন এই সংযোজনের ফলে বর্তমানে এয়ার চায়না কার্গোর কাছে মোট ১৪টি বোয়িং ৭৭৭এফ মালবাহী উড়োজাহাজ রয়েছে। শুধু বোয়িং নয়, প্রতিষ্ঠানটি অন্যান্য মডেলেও তাদের সক্ষমতা ধরে রেখেছে। বর্তমানে তাদের বহরে যাত্রীবাহী থেকে রূপান্তর করা আটটি এয়ারবাস এ৩৩০-২০০ এবং দুটি বোয়িং ৭৪৭-৪০০ মডেলের মালবাহী উড়োজাহাজ নিয়মিত পরিচালনা করা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত মে মাসে এয়ারবাস থেকে নতুন করে চারটি এ৩৫০ ফ্রেইটারের ক্রয়াদেশ নিশ্চিত করা হয়েছে, যার ফলে এই মডেলে তাদের মোট অর্ডারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০টিতে। এসব উড়োজাহাজ যুক্ত হলে ভবিষ্যতে দীর্ঘ দূরত্বের পণ্য পরিবহনে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বোয়িং ৭৭৭এফ মডেলের উড়োজাহাজগুলো একবারে সর্বোচ্চ ১০২ মেট্রিক টন পর্যন্ত পণ্য বহনে সক্ষম এবং এর উড্ডয়ন পরিসর প্রায় ৯ হাজার ২০০ কিলোমিটার। বেশি পণ্য নিয়ে সুদূরবর্তী গন্তব্যে যাতায়াতের অনন্য ক্ষমতার কারণে বিশ্বজুড়ে কার্গো সেবায় এই মডেলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইতিমধ্যে বোয়িংয়ের ৭৭৭এফ কর্মসূচির ভবিষ্যৎ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সম্প্রতি নির্গমনসংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষ ছাড় অনুমোদন করায় ২০২৭ সালের শেষ সময়সীমার পরেও এই উড়োজাহাজ বিক্রির পথ উন্মুক্ত হয়েছে। এই নমনীয়তা বোয়িংকে বর্তমান চাহিদা পূরণের পাশাপাশি তাদের পরবর্তী প্রজন্মের ৭৭৭-৮ ফ্রেইটার তৈরির প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। এর ফলে ২০২৭ সালের শেষ সময়সীমার পরও উড়োজাহাজটির বিক্রি চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।