দেশের সব বেসরকারি নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন করে ম্যানেজিং কমিটি কিংবা গভর্নিং বডি গঠন প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে বলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মূলত কমিটি গঠন সংক্রান্ত নতুন প্রবিধানমালা-২০২৬ এখনো চূড়ান্ত না হওয়ায় এ ধরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এই জরুরি নির্দেশনা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটি গঠনের বর্তমান নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তনের লক্ষ্যে ২০২৬ সালের খসড়া প্রবিধানমালা তৈরি করা হয়েছে। এতে কমিটির সভাপতি নির্বাচন পদ্ধতি, যোগ্যতার মাপকাঠি এবং ক্ষমতার পরিধিতে ব্যাপক পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। বিশেষ করে, বর্তমান খসড়া অনুযায়ী কেবল কমিটির সদস্যরা নয়, বরং স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, জনপ্রতিনিধি এবং কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তারাও সভাপতি হওয়ার সুযোগ পাবেন। এছাড়া সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক সভায় এই প্রস্তাবিত প্রবিধানমালার বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই এই সংশোধনীর বিষয়টি কার্যকর করা হবে। সরকারি সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত পুরনো নিয়মে নতুন কোনো কমিটি গঠন করা যাবে না।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























