ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

দেশের বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারে ৮ সদস্যের নতুন কমিটি

দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আরও কার্যকর করতে সরকার আট সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গত ১৩ অক্টোবর এই কমিটি গঠন সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। কমিটির মূল কাজ হবে বিমানবন্দরগুলোর বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা এবং এর মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও সুপারিশ প্রণয়ন করা। আগামী দুই মাসের মধ্যে কমিটিকে এই প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে এই কমিটির আহ্বায়ক বা প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্য হিসেবে রয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী, বিমানবাহিনী প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক। মন্ত্রিপরিষদ সচিব কমিটিতে সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কমিটিকে যাবতীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।

বর্তমানে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাধিক সংস্থা কাজ করে থাকে। এর মধ্যে প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণ, যাত্রী ও মালামাল তল্লাশি, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর সুরক্ষা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত। বিভিন্ন সংস্থার কাজের মধ্যে সমন্বয়হীনতা থাকলে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। নতুন এই কমিটি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান দুর্বলতা দূরীকরণে কাজ করবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে এবং তাদের নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। যদিও প্রজ্ঞাপনে সুনির্দিষ্ট কোন নিরাপত্তা ঘাটতিগুলো অগ্রাধিকার পাবে সে বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ নেই, তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে কমিটির সুপারিশমালা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী যাত্রীদের সুরক্ষা, অবকাঠামো এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এই কমিটির অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এখন দুই মাস পর কমিটির দেওয়া সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার কী ধরনের পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তার ওপরই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা উন্নয়নের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা বাড়াতে প্রটোকল চালুর নির্দেশ

দেশের বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারে ৮ সদস্যের নতুন কমিটি

আপডেট সময় ০৭:১৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আরও কার্যকর করতে সরকার আট সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গত ১৩ অক্টোবর এই কমিটি গঠন সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। কমিটির মূল কাজ হবে বিমানবন্দরগুলোর বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা এবং এর মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও সুপারিশ প্রণয়ন করা। আগামী দুই মাসের মধ্যে কমিটিকে এই প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে এই কমিটির আহ্বায়ক বা প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্য হিসেবে রয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী, বিমানবাহিনী প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক। মন্ত্রিপরিষদ সচিব কমিটিতে সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কমিটিকে যাবতীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।

বর্তমানে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাধিক সংস্থা কাজ করে থাকে। এর মধ্যে প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণ, যাত্রী ও মালামাল তল্লাশি, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর সুরক্ষা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত। বিভিন্ন সংস্থার কাজের মধ্যে সমন্বয়হীনতা থাকলে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। নতুন এই কমিটি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান দুর্বলতা দূরীকরণে কাজ করবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে এবং তাদের নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। যদিও প্রজ্ঞাপনে সুনির্দিষ্ট কোন নিরাপত্তা ঘাটতিগুলো অগ্রাধিকার পাবে সে বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ নেই, তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে কমিটির সুপারিশমালা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী যাত্রীদের সুরক্ষা, অবকাঠামো এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এই কমিটির অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এখন দুই মাস পর কমিটির দেওয়া সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার কী ধরনের পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তার ওপরই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা উন্নয়নের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করছে।