অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাজশাহীর বাঘায় নববধূ বৃষ্টি খাতুনকে হত্যার অভিযোগে স্বামীসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃষ্টির মা শরিফা বেগম বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে এই মামলাটি দায়ের করেন। এ দিকে ঘটনাস্থল থেকে আটককৃত স্বামী মাহাবুল ইসলামকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজাতে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত আসামিরা হলেন- বৃষ্টির স্বামী মাহাবুল হোসেন, শ্বশুর নবির উদ্দীন, শ্বাশুড়ি বুলবুলি বেগম ও ননদ শিমলা খাতুন।
পুলিশ জানায়, বিয়ের ১৯ দিন পর স্বামীর বাড়িতে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় বৃষ্টি খাতুনের। গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার প্ররোচারনায় বৃষ্টির স্বামী মাহাবুলের শয়ন কক্ষের বারান্দায় শোয়ানো অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। বিয়ের পর নির্যাতনের কারণে হত্যার সন্দেহে মামলাটি দায়ের করেন তার মা। বৃষ্টির মা-বাবার বাড়ি চারঘাট উপজেলার কালাবিপাড়া গ্রামে। মৃত্যুর ১৯ দিন আগে উপজেলার মনিগ্রাম এলাকার নবির উদ্দীনের ছেলে মাহাবুল ইসলামের সঙ্গে সামাজিকভাবে বিয়ে হয় বৃষ্টির। বৃষ্টির বাবা আব্দুল হামিদ জানান, ময়নাতদন্ত শেষে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় স্থানীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মাহমুদ জানান, অস্বাভাবিক মৃত্যু বলে প্রচার করা হলেও এর পেছনে রহস্য আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওড়না বেঁধে গলায় ফাঁস দেয়ার স্থানটিও গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যু রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে। আসামিরা সবাই পলাতক। তাদেরও গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















