ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করা অন্যায় : ফজলুর রহমান বিরোধী দলের অনেকেই আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকে: সংসদে ফজলুর রহমান থানায় মামলা করতে গিয়ে হয়রানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জ্বালানি লোডিং শুরু, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর রাজধানীতে বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ এনসিপির নুসরাতের মনোনয়ন গ্রহণ করবে ইসি, আপিল না করার সিদ্ধান্ত প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গণতন্ত্রের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

সরকারি কার্যালয়ে সহকর্মীর সঙ্গে সহবাস করে বিপাকে আমলা

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

কর্পোরেট অফিসে বসের সঙ্গে প্রেম করা বা সেক্স করা সাধারণ ব্যাপার। চাকরি টিকিয়ে রাখা বা পদোন্নতির জন্য অনেক মহিলা কর্মচারীই বসের সঙ্গে যৌনতায় মাতেন। কিন্তু সরকারি অফিসে এসব কল্পনারও বাইরে। পদোন্নতি বা কাজ করানোর জন্য টেবিলের নীচে দিয়ে টাকা নেওয়ার বদনাম রয়েছে। কিন্তু সেক্স করার কথা সাধারণত ভাবা যায় না। তবে বর্তমানে এই ভাবনা বদলানো জরুরি। আজকাল যে সরকারি অফিসেও কর্পোরেট রীতি চলে এসেছে, তার হাতেনাতে প্রমাণ মিলল দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়ায়। খোদ অফিসের ভিতর সরকারের অন্যতম শীর্ষ আমলার সঙ্গে যৌন মিলনে লিপ্ত হলেন অধস্তন এক মহিলা কর্মী। আর সেই যৌন মিলনের ছবি ধরা পড়ল অফিস ঘরের সিসিটিভি-তে। যার জেরে বলিভিয়ার চিফ অ্যাসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ারের এখন নিজের চাকরি বাঁচানোই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জানা গিয়েছে, বলিভিয়ার ওরুরো শহরের কাউন্সিল বিল্ডিংয়ে চিফ অ্যাসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মিগুয়েল মেনদিনা তাঁর অফিস ঘরের ভিতর অধস্তন এক মহিলা কর্মীর সঙ্গে চুটিয়ে সেক্স করেছেন। ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করেছেন। কিন্তু সিসিটিভি বন্ধ করতে পারেননি। তাই তাঁদের যৌন মিলনের সমস্ত ছবি সিসিটিভি-তে ধরা পড়েছে। সেক্সের বিভিন্ন ভঙ্গিমায় এঁদের ছবি উঠেছে সিসিটিভি-তে। এর আগেও কাউন্সিল বিল্ডিংয়ের বিভিন্ন কোণে বিভিন্ন সময়ে এই দু’জনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে।

প্রথমে ফেসবুকের মাধ্যমেই সহকর্মীর সঙ্গে মিগুয়েল মেনদিনার যৌন মিলনের দৃশ্য সকলের নজরে আসে। যদিও কে এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পেশ করল তা জানা যায়নি। তবে ফেসবুকের পর এক স্থানীয় মিডিয়ায় সিসিটিভি ফুটেজের এই ভিডিও দেখানো হয়। এরপর দেশজুড়ে তোলপাড় পড়ে যায়। ওই সরকারি আমলার বিরুদ্ধে কঠোরতম পদক্ষেপের জন্য শহরের গভর্নরের উপর চাপ দিতে শুরু করে বলিভিয়ার সাধারণ মানুষ। ফেসবুকেও আসছে নানা প্রতিক্রিয়া। যদিও এর সমর্থনেও অনেকে সওয়াল করেছেন। যেমন ফেসবুকে এক ব্যক্তি বলেছেন, ‘‘এ তো একজন। আমি বাজি ধরে বলতে পারি ৯৯ শতাংশ সরকারি কর্মচারী এই সব কাজকর্ম করেন।’’ আবার ‘গা বাঁচানো’ দলের একজনের মন্তব্য, ‘‘পর্নোগ্রাফি নিয়ে কথা বলা অন্যায়। কেউ এই নোংরা লিঙ্ক শেয়ার করবেন না।’’ তাই বলা যায়, মিগুয়েল মেনদিনার মত অনেক সরকারি কর্মীই রয়েছেন একেবারে মুখোশ পড়ে। আর এরকম ঘটনা শুধু বলিভিয়া কেন, ভারত বা বিশ্বের অন্যান্য দেশেও যে হয় না, তা জোর দিয়ে বলা যাবে না। চাই কেবল প্রমাণ!

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান

সরকারি কার্যালয়ে সহকর্মীর সঙ্গে সহবাস করে বিপাকে আমলা

আপডেট সময় ১০:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

কর্পোরেট অফিসে বসের সঙ্গে প্রেম করা বা সেক্স করা সাধারণ ব্যাপার। চাকরি টিকিয়ে রাখা বা পদোন্নতির জন্য অনেক মহিলা কর্মচারীই বসের সঙ্গে যৌনতায় মাতেন। কিন্তু সরকারি অফিসে এসব কল্পনারও বাইরে। পদোন্নতি বা কাজ করানোর জন্য টেবিলের নীচে দিয়ে টাকা নেওয়ার বদনাম রয়েছে। কিন্তু সেক্স করার কথা সাধারণত ভাবা যায় না। তবে বর্তমানে এই ভাবনা বদলানো জরুরি। আজকাল যে সরকারি অফিসেও কর্পোরেট রীতি চলে এসেছে, তার হাতেনাতে প্রমাণ মিলল দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়ায়। খোদ অফিসের ভিতর সরকারের অন্যতম শীর্ষ আমলার সঙ্গে যৌন মিলনে লিপ্ত হলেন অধস্তন এক মহিলা কর্মী। আর সেই যৌন মিলনের ছবি ধরা পড়ল অফিস ঘরের সিসিটিভি-তে। যার জেরে বলিভিয়ার চিফ অ্যাসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ারের এখন নিজের চাকরি বাঁচানোই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জানা গিয়েছে, বলিভিয়ার ওরুরো শহরের কাউন্সিল বিল্ডিংয়ে চিফ অ্যাসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মিগুয়েল মেনদিনা তাঁর অফিস ঘরের ভিতর অধস্তন এক মহিলা কর্মীর সঙ্গে চুটিয়ে সেক্স করেছেন। ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করেছেন। কিন্তু সিসিটিভি বন্ধ করতে পারেননি। তাই তাঁদের যৌন মিলনের সমস্ত ছবি সিসিটিভি-তে ধরা পড়েছে। সেক্সের বিভিন্ন ভঙ্গিমায় এঁদের ছবি উঠেছে সিসিটিভি-তে। এর আগেও কাউন্সিল বিল্ডিংয়ের বিভিন্ন কোণে বিভিন্ন সময়ে এই দু’জনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে।

প্রথমে ফেসবুকের মাধ্যমেই সহকর্মীর সঙ্গে মিগুয়েল মেনদিনার যৌন মিলনের দৃশ্য সকলের নজরে আসে। যদিও কে এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পেশ করল তা জানা যায়নি। তবে ফেসবুকের পর এক স্থানীয় মিডিয়ায় সিসিটিভি ফুটেজের এই ভিডিও দেখানো হয়। এরপর দেশজুড়ে তোলপাড় পড়ে যায়। ওই সরকারি আমলার বিরুদ্ধে কঠোরতম পদক্ষেপের জন্য শহরের গভর্নরের উপর চাপ দিতে শুরু করে বলিভিয়ার সাধারণ মানুষ। ফেসবুকেও আসছে নানা প্রতিক্রিয়া। যদিও এর সমর্থনেও অনেকে সওয়াল করেছেন। যেমন ফেসবুকে এক ব্যক্তি বলেছেন, ‘‘এ তো একজন। আমি বাজি ধরে বলতে পারি ৯৯ শতাংশ সরকারি কর্মচারী এই সব কাজকর্ম করেন।’’ আবার ‘গা বাঁচানো’ দলের একজনের মন্তব্য, ‘‘পর্নোগ্রাফি নিয়ে কথা বলা অন্যায়। কেউ এই নোংরা লিঙ্ক শেয়ার করবেন না।’’ তাই বলা যায়, মিগুয়েল মেনদিনার মত অনেক সরকারি কর্মীই রয়েছেন একেবারে মুখোশ পড়ে। আর এরকম ঘটনা শুধু বলিভিয়া কেন, ভারত বা বিশ্বের অন্যান্য দেশেও যে হয় না, তা জোর দিয়ে বলা যাবে না। চাই কেবল প্রমাণ!