ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান

সরকারি কার্যালয়ে সহকর্মীর সঙ্গে সহবাস করে বিপাকে আমলা

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

কর্পোরেট অফিসে বসের সঙ্গে প্রেম করা বা সেক্স করা সাধারণ ব্যাপার। চাকরি টিকিয়ে রাখা বা পদোন্নতির জন্য অনেক মহিলা কর্মচারীই বসের সঙ্গে যৌনতায় মাতেন। কিন্তু সরকারি অফিসে এসব কল্পনারও বাইরে। পদোন্নতি বা কাজ করানোর জন্য টেবিলের নীচে দিয়ে টাকা নেওয়ার বদনাম রয়েছে। কিন্তু সেক্স করার কথা সাধারণত ভাবা যায় না। তবে বর্তমানে এই ভাবনা বদলানো জরুরি। আজকাল যে সরকারি অফিসেও কর্পোরেট রীতি চলে এসেছে, তার হাতেনাতে প্রমাণ মিলল দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়ায়। খোদ অফিসের ভিতর সরকারের অন্যতম শীর্ষ আমলার সঙ্গে যৌন মিলনে লিপ্ত হলেন অধস্তন এক মহিলা কর্মী। আর সেই যৌন মিলনের ছবি ধরা পড়ল অফিস ঘরের সিসিটিভি-তে। যার জেরে বলিভিয়ার চিফ অ্যাসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ারের এখন নিজের চাকরি বাঁচানোই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জানা গিয়েছে, বলিভিয়ার ওরুরো শহরের কাউন্সিল বিল্ডিংয়ে চিফ অ্যাসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মিগুয়েল মেনদিনা তাঁর অফিস ঘরের ভিতর অধস্তন এক মহিলা কর্মীর সঙ্গে চুটিয়ে সেক্স করেছেন। ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করেছেন। কিন্তু সিসিটিভি বন্ধ করতে পারেননি। তাই তাঁদের যৌন মিলনের সমস্ত ছবি সিসিটিভি-তে ধরা পড়েছে। সেক্সের বিভিন্ন ভঙ্গিমায় এঁদের ছবি উঠেছে সিসিটিভি-তে। এর আগেও কাউন্সিল বিল্ডিংয়ের বিভিন্ন কোণে বিভিন্ন সময়ে এই দু’জনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে।

প্রথমে ফেসবুকের মাধ্যমেই সহকর্মীর সঙ্গে মিগুয়েল মেনদিনার যৌন মিলনের দৃশ্য সকলের নজরে আসে। যদিও কে এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পেশ করল তা জানা যায়নি। তবে ফেসবুকের পর এক স্থানীয় মিডিয়ায় সিসিটিভি ফুটেজের এই ভিডিও দেখানো হয়। এরপর দেশজুড়ে তোলপাড় পড়ে যায়। ওই সরকারি আমলার বিরুদ্ধে কঠোরতম পদক্ষেপের জন্য শহরের গভর্নরের উপর চাপ দিতে শুরু করে বলিভিয়ার সাধারণ মানুষ। ফেসবুকেও আসছে নানা প্রতিক্রিয়া। যদিও এর সমর্থনেও অনেকে সওয়াল করেছেন। যেমন ফেসবুকে এক ব্যক্তি বলেছেন, ‘‘এ তো একজন। আমি বাজি ধরে বলতে পারি ৯৯ শতাংশ সরকারি কর্মচারী এই সব কাজকর্ম করেন।’’ আবার ‘গা বাঁচানো’ দলের একজনের মন্তব্য, ‘‘পর্নোগ্রাফি নিয়ে কথা বলা অন্যায়। কেউ এই নোংরা লিঙ্ক শেয়ার করবেন না।’’ তাই বলা যায়, মিগুয়েল মেনদিনার মত অনেক সরকারি কর্মীই রয়েছেন একেবারে মুখোশ পড়ে। আর এরকম ঘটনা শুধু বলিভিয়া কেন, ভারত বা বিশ্বের অন্যান্য দেশেও যে হয় না, তা জোর দিয়ে বলা যাবে না। চাই কেবল প্রমাণ!

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমানের পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী

সরকারি কার্যালয়ে সহকর্মীর সঙ্গে সহবাস করে বিপাকে আমলা

আপডেট সময় ১০:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

কর্পোরেট অফিসে বসের সঙ্গে প্রেম করা বা সেক্স করা সাধারণ ব্যাপার। চাকরি টিকিয়ে রাখা বা পদোন্নতির জন্য অনেক মহিলা কর্মচারীই বসের সঙ্গে যৌনতায় মাতেন। কিন্তু সরকারি অফিসে এসব কল্পনারও বাইরে। পদোন্নতি বা কাজ করানোর জন্য টেবিলের নীচে দিয়ে টাকা নেওয়ার বদনাম রয়েছে। কিন্তু সেক্স করার কথা সাধারণত ভাবা যায় না। তবে বর্তমানে এই ভাবনা বদলানো জরুরি। আজকাল যে সরকারি অফিসেও কর্পোরেট রীতি চলে এসেছে, তার হাতেনাতে প্রমাণ মিলল দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়ায়। খোদ অফিসের ভিতর সরকারের অন্যতম শীর্ষ আমলার সঙ্গে যৌন মিলনে লিপ্ত হলেন অধস্তন এক মহিলা কর্মী। আর সেই যৌন মিলনের ছবি ধরা পড়ল অফিস ঘরের সিসিটিভি-তে। যার জেরে বলিভিয়ার চিফ অ্যাসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ারের এখন নিজের চাকরি বাঁচানোই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জানা গিয়েছে, বলিভিয়ার ওরুরো শহরের কাউন্সিল বিল্ডিংয়ে চিফ অ্যাসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মিগুয়েল মেনদিনা তাঁর অফিস ঘরের ভিতর অধস্তন এক মহিলা কর্মীর সঙ্গে চুটিয়ে সেক্স করেছেন। ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করেছেন। কিন্তু সিসিটিভি বন্ধ করতে পারেননি। তাই তাঁদের যৌন মিলনের সমস্ত ছবি সিসিটিভি-তে ধরা পড়েছে। সেক্সের বিভিন্ন ভঙ্গিমায় এঁদের ছবি উঠেছে সিসিটিভি-তে। এর আগেও কাউন্সিল বিল্ডিংয়ের বিভিন্ন কোণে বিভিন্ন সময়ে এই দু’জনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে।

প্রথমে ফেসবুকের মাধ্যমেই সহকর্মীর সঙ্গে মিগুয়েল মেনদিনার যৌন মিলনের দৃশ্য সকলের নজরে আসে। যদিও কে এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পেশ করল তা জানা যায়নি। তবে ফেসবুকের পর এক স্থানীয় মিডিয়ায় সিসিটিভি ফুটেজের এই ভিডিও দেখানো হয়। এরপর দেশজুড়ে তোলপাড় পড়ে যায়। ওই সরকারি আমলার বিরুদ্ধে কঠোরতম পদক্ষেপের জন্য শহরের গভর্নরের উপর চাপ দিতে শুরু করে বলিভিয়ার সাধারণ মানুষ। ফেসবুকেও আসছে নানা প্রতিক্রিয়া। যদিও এর সমর্থনেও অনেকে সওয়াল করেছেন। যেমন ফেসবুকে এক ব্যক্তি বলেছেন, ‘‘এ তো একজন। আমি বাজি ধরে বলতে পারি ৯৯ শতাংশ সরকারি কর্মচারী এই সব কাজকর্ম করেন।’’ আবার ‘গা বাঁচানো’ দলের একজনের মন্তব্য, ‘‘পর্নোগ্রাফি নিয়ে কথা বলা অন্যায়। কেউ এই নোংরা লিঙ্ক শেয়ার করবেন না।’’ তাই বলা যায়, মিগুয়েল মেনদিনার মত অনেক সরকারি কর্মীই রয়েছেন একেবারে মুখোশ পড়ে। আর এরকম ঘটনা শুধু বলিভিয়া কেন, ভারত বা বিশ্বের অন্যান্য দেশেও যে হয় না, তা জোর দিয়ে বলা যাবে না। চাই কেবল প্রমাণ!