ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে: সাইফুল হক হুইলচেয়ারে বসে দীপু মনিকে দেখতে ট্রাইব্যুনালে এলেন স্বামী বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার মাদক সেবনের ছবি ভাইরাল এটা আমি-ডামির সরকার না, কাদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে চান: সংসদে টুকু হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ডে ‘অর্থহীন’ হয়ে পড়ছে যুদ্ধবিরতি, দাবি নেতানিয়াহুর শান্তি চাইলে সরাসরি যোগাযোগ করুক তেহরান: ট্রাম্প আমার বাবাকে মিথ্যা মামলায় হত্যা করা হয়, সে কারণেই আমি আজ সংসদে ১৮ মাস যে আরামে ছিলেন, সে আরাম এখন হচ্ছে না: বিরোধী দলকে প্রতিমন্ত্রী আইভীকে নতুন মামলায় গ্রেফতার-হয়রানি না করার নির্দেশ জামায়াতের এমপিকে মসজিদে হত্যাচেষ্টা, সংসদে চাইলেন নিরাপত্তা

মায়ের পরকীয়ার বলি, প্রসবের পরই সন্তান হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মায়ের বিরুদ্ধে এক দিনের শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পরকীয়ায় জন্ম নেওয়ার কারণে সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগে বলেন, ‘স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে পরকীয়ায় জড়িয়ে সন্তান জন্ম দিলে, লজ্জায় সন্তানকে হত্যা করে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তরফপুর ইনিয়নের টাকিয়া কদমা উত্তরপাড়া গ্রামের মানিক হোসেনে দীর্ঘদিন ধরে কাতারে থাকেন। এ সুযোগে স্ত্রী রিনা বেগম পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। ঘটনা প্রকাশ্যে এলে, গতকাল রবিবার রিনা বেগম তার ভাইয়ের শ্বশুরবাড়ি মুশুরিয়াঘোনা গ্রামে পালিয়ে আসেন। সেখানে আজ সোমবার সন্তান প্রসব হলে রিনা বেগম সন্তানকে শ্বাসরোধে খুনের চেষ্টা করে। তবে লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে রিনা বেগম ও শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে সন্ধ্যায় শিশুটি মারা যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে গৃহবধূর স্বামী মানিকের পিতা মো. বজলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে মানিক দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ থাকেন। পুত্রবধূর যে সন্তান হয়েছে তা অবৈধ। সন্তান হওয়ায় জানাজানির ভয়ে তার পুত্রবধূ রিনা বেগম সন্তানকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করেছে। শিশু খুনের ঘটনায় মির্জাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মানিকের পরিবার পাষণ্ড রিনা বেগমকে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

মির্জাপুর থানার উপ পরিদর্শক (তদন্তকারী কর্মকর্তা) মো. আলমগীর কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার জন্য একটি মামলা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিএনপির আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে: সাইফুল হক

মায়ের পরকীয়ার বলি, প্রসবের পরই সন্তান হত্যা

আপডেট সময় ০৯:১৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মায়ের বিরুদ্ধে এক দিনের শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পরকীয়ায় জন্ম নেওয়ার কারণে সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগে বলেন, ‘স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে পরকীয়ায় জড়িয়ে সন্তান জন্ম দিলে, লজ্জায় সন্তানকে হত্যা করে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তরফপুর ইনিয়নের টাকিয়া কদমা উত্তরপাড়া গ্রামের মানিক হোসেনে দীর্ঘদিন ধরে কাতারে থাকেন। এ সুযোগে স্ত্রী রিনা বেগম পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। ঘটনা প্রকাশ্যে এলে, গতকাল রবিবার রিনা বেগম তার ভাইয়ের শ্বশুরবাড়ি মুশুরিয়াঘোনা গ্রামে পালিয়ে আসেন। সেখানে আজ সোমবার সন্তান প্রসব হলে রিনা বেগম সন্তানকে শ্বাসরোধে খুনের চেষ্টা করে। তবে লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে রিনা বেগম ও শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে সন্ধ্যায় শিশুটি মারা যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে গৃহবধূর স্বামী মানিকের পিতা মো. বজলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে মানিক দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ থাকেন। পুত্রবধূর যে সন্তান হয়েছে তা অবৈধ। সন্তান হওয়ায় জানাজানির ভয়ে তার পুত্রবধূ রিনা বেগম সন্তানকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করেছে। শিশু খুনের ঘটনায় মির্জাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মানিকের পরিবার পাষণ্ড রিনা বেগমকে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

মির্জাপুর থানার উপ পরিদর্শক (তদন্তকারী কর্মকর্তা) মো. আলমগীর কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার জন্য একটি মামলা হয়েছে।