ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর সাবেক সেনাসদস্য গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ডে কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই: এনবিআর চেয়ারম্যান গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে গ্রামপুলিশের আত্মহত্যা চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বিশ্বস্ত বন্ধু: স্পিকার হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা করা দুই জাহাজ জব্দ করেছে আইআরজিসি জনগণের কাছে যান, শহর ঘুরে দেখুন: সিটি প্রশাসকদের প্রতি প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন জিয়াউদ্দিন হায়দার

মায়ের পরকীয়ার বলি, প্রসবের পরই সন্তান হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মায়ের বিরুদ্ধে এক দিনের শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পরকীয়ায় জন্ম নেওয়ার কারণে সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগে বলেন, ‘স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে পরকীয়ায় জড়িয়ে সন্তান জন্ম দিলে, লজ্জায় সন্তানকে হত্যা করে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তরফপুর ইনিয়নের টাকিয়া কদমা উত্তরপাড়া গ্রামের মানিক হোসেনে দীর্ঘদিন ধরে কাতারে থাকেন। এ সুযোগে স্ত্রী রিনা বেগম পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। ঘটনা প্রকাশ্যে এলে, গতকাল রবিবার রিনা বেগম তার ভাইয়ের শ্বশুরবাড়ি মুশুরিয়াঘোনা গ্রামে পালিয়ে আসেন। সেখানে আজ সোমবার সন্তান প্রসব হলে রিনা বেগম সন্তানকে শ্বাসরোধে খুনের চেষ্টা করে। তবে লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে রিনা বেগম ও শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে সন্ধ্যায় শিশুটি মারা যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে গৃহবধূর স্বামী মানিকের পিতা মো. বজলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে মানিক দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ থাকেন। পুত্রবধূর যে সন্তান হয়েছে তা অবৈধ। সন্তান হওয়ায় জানাজানির ভয়ে তার পুত্রবধূ রিনা বেগম সন্তানকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করেছে। শিশু খুনের ঘটনায় মির্জাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মানিকের পরিবার পাষণ্ড রিনা বেগমকে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

মির্জাপুর থানার উপ পরিদর্শক (তদন্তকারী কর্মকর্তা) মো. আলমগীর কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার জন্য একটি মামলা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির

মায়ের পরকীয়ার বলি, প্রসবের পরই সন্তান হত্যা

আপডেট সময় ০৯:১৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মায়ের বিরুদ্ধে এক দিনের শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পরকীয়ায় জন্ম নেওয়ার কারণে সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগে বলেন, ‘স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে পরকীয়ায় জড়িয়ে সন্তান জন্ম দিলে, লজ্জায় সন্তানকে হত্যা করে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তরফপুর ইনিয়নের টাকিয়া কদমা উত্তরপাড়া গ্রামের মানিক হোসেনে দীর্ঘদিন ধরে কাতারে থাকেন। এ সুযোগে স্ত্রী রিনা বেগম পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। ঘটনা প্রকাশ্যে এলে, গতকাল রবিবার রিনা বেগম তার ভাইয়ের শ্বশুরবাড়ি মুশুরিয়াঘোনা গ্রামে পালিয়ে আসেন। সেখানে আজ সোমবার সন্তান প্রসব হলে রিনা বেগম সন্তানকে শ্বাসরোধে খুনের চেষ্টা করে। তবে লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে রিনা বেগম ও শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে সন্ধ্যায় শিশুটি মারা যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে গৃহবধূর স্বামী মানিকের পিতা মো. বজলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে মানিক দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ থাকেন। পুত্রবধূর যে সন্তান হয়েছে তা অবৈধ। সন্তান হওয়ায় জানাজানির ভয়ে তার পুত্রবধূ রিনা বেগম সন্তানকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করেছে। শিশু খুনের ঘটনায় মির্জাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মানিকের পরিবার পাষণ্ড রিনা বেগমকে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

মির্জাপুর থানার উপ পরিদর্শক (তদন্তকারী কর্মকর্তা) মো. আলমগীর কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার জন্য একটি মামলা হয়েছে।