ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ অল্পতেই ধৈর্য হারালে দায়িত্ব কীভাবে পালন করবেন: ডা. শফিকুর রহমান ‘ব্রেন ড্রেন’ থেকে ‘ব্রেন সার্কুলেশন’ করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন ধর্মান্তরিত হয়ে প্রবাসীকে বিয়ে, ছয় মাস পর তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু দেশের অর্থনীতি গভীর চাপে রয়েছে : নাহিদ ইসলাম শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী নৌ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১০

মায়ের পরকীয়ার বলি, প্রসবের পরই সন্তান হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মায়ের বিরুদ্ধে এক দিনের শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পরকীয়ায় জন্ম নেওয়ার কারণে সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগে বলেন, ‘স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে পরকীয়ায় জড়িয়ে সন্তান জন্ম দিলে, লজ্জায় সন্তানকে হত্যা করে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তরফপুর ইনিয়নের টাকিয়া কদমা উত্তরপাড়া গ্রামের মানিক হোসেনে দীর্ঘদিন ধরে কাতারে থাকেন। এ সুযোগে স্ত্রী রিনা বেগম পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। ঘটনা প্রকাশ্যে এলে, গতকাল রবিবার রিনা বেগম তার ভাইয়ের শ্বশুরবাড়ি মুশুরিয়াঘোনা গ্রামে পালিয়ে আসেন। সেখানে আজ সোমবার সন্তান প্রসব হলে রিনা বেগম সন্তানকে শ্বাসরোধে খুনের চেষ্টা করে। তবে লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে রিনা বেগম ও শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে সন্ধ্যায় শিশুটি মারা যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে গৃহবধূর স্বামী মানিকের পিতা মো. বজলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে মানিক দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ থাকেন। পুত্রবধূর যে সন্তান হয়েছে তা অবৈধ। সন্তান হওয়ায় জানাজানির ভয়ে তার পুত্রবধূ রিনা বেগম সন্তানকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করেছে। শিশু খুনের ঘটনায় মির্জাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মানিকের পরিবার পাষণ্ড রিনা বেগমকে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

মির্জাপুর থানার উপ পরিদর্শক (তদন্তকারী কর্মকর্তা) মো. আলমগীর কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার জন্য একটি মামলা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ

মায়ের পরকীয়ার বলি, প্রসবের পরই সন্তান হত্যা

আপডেট সময় ০৯:১৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মায়ের বিরুদ্ধে এক দিনের শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পরকীয়ায় জন্ম নেওয়ার কারণে সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগে বলেন, ‘স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে পরকীয়ায় জড়িয়ে সন্তান জন্ম দিলে, লজ্জায় সন্তানকে হত্যা করে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তরফপুর ইনিয়নের টাকিয়া কদমা উত্তরপাড়া গ্রামের মানিক হোসেনে দীর্ঘদিন ধরে কাতারে থাকেন। এ সুযোগে স্ত্রী রিনা বেগম পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। ঘটনা প্রকাশ্যে এলে, গতকাল রবিবার রিনা বেগম তার ভাইয়ের শ্বশুরবাড়ি মুশুরিয়াঘোনা গ্রামে পালিয়ে আসেন। সেখানে আজ সোমবার সন্তান প্রসব হলে রিনা বেগম সন্তানকে শ্বাসরোধে খুনের চেষ্টা করে। তবে লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে রিনা বেগম ও শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে সন্ধ্যায় শিশুটি মারা যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে গৃহবধূর স্বামী মানিকের পিতা মো. বজলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে মানিক দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ থাকেন। পুত্রবধূর যে সন্তান হয়েছে তা অবৈধ। সন্তান হওয়ায় জানাজানির ভয়ে তার পুত্রবধূ রিনা বেগম সন্তানকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করেছে। শিশু খুনের ঘটনায় মির্জাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মানিকের পরিবার পাষণ্ড রিনা বেগমকে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

মির্জাপুর থানার উপ পরিদর্শক (তদন্তকারী কর্মকর্তা) মো. আলমগীর কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার জন্য একটি মামলা হয়েছে।