আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :
এবারের আইপিএলে নতুন নিয়ম হিসেবে চালু হওয়া ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ে আলোচনা চলছেই। ফুটবলের মতো নিয়ম হলেও এর কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।
সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটার এবং বিশ্লেষকরা নিয়মটি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ত গ্রায়েম স্মিথ ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়মটি ক্রিকেটকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে জানিয়েছেন। এছাড়া ভারতের সাবেক অধিনায়ক রোহিত শর্মা নিয়মটির বিরোধীতা করেছেন।
এবার দেশটির আরেক লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল আইপিএলে ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম বোলারদের জীবন কঠিন করে তুলেছে বলে দাবি করেছেন। পাঞ্জাব কিংসের এই স্পিনার খুশি এই কারণে, চলতি মৌসুমে ব্যাটসম্যানরা বড় লক্ষ্য তাড়া করে তার করা ওভারের বাড়তি রানের ক্ষতিপূরণ দিয়ে আসছে।
এ মৌসুমে পাঞ্জাবের বোলাররা তাদের সাতটি ম্যাচের মধ্যে চারটিতে ২০০-এর বেশি রান দিয়েছে। এর সঙ্গে অন্য একটি ম্যাচে দিয়েছে ১৯৫ রান। তবে তাদের ব্যাটিং ইউনিট বারবার কঠিন পরিস্থিতিতে জ্বলে উঠেছে এবং সফলভাবে কঠিন লক্ষ্য অতিক্রম করেছে।
যুজবেন্দ্র চাহাল বলেন, আইপিএলে বোলিং করা সহজ নয়, বিশেষ করে যখন আপনার একজন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার থাকে। কিন্তু সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, আমরা যদি ২১০ রানও দিই, আমাদের ব্যাটসম্যানরা সেই লক্ষ্য অতিক্রম করতে সক্ষম হয়। আমরা (আরও ভালো করার জন্য) আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
২০২৩ সালে চালু হওয়া ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মটি দলগুলোকে ম্যাচের যেকোনো মুহূর্তে একাদশের যেকোনো খেলোয়াড়ের বদলে তালিকাভুক্ত পাঁচজন বদলি খেলোয়াড়ের একজনকে নামানোর সুযোগ দেয়।
এই লেগ স্পিনার বলেন, ইমপ্যাক্ট সাব নিয়মের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, কিন্তু আপনাকে এর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতেই হবে। কারণ টুর্নামেন্টের জন্য এটাই প্রয়োজন। ফরম্যাটটি এই দিকেই এগোচ্ছে এবং আমাদের এর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে, কারণ আমরা এটি পরিবর্তন করতে পারব না।
পাঞ্জাবের ওপেনার প্রভসিমরান সিংয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন চাহাল। প্রভসিমরান ২৬ বলে ৭৬ রানের এক ঝলমলে ইনিংস খেলেন এবং প্রিয়ংশ আরিয়ার সঙ্গে ১২৬ রানের এক ঝড়ো উদ্বোধনী জুটি গড়েন। এই জুটির সুবাদে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে পাঞ্জাব কিংসের ছয় উইকেটের জয় পায়।
চাহাল এর মতে, ওকে (প্রভসিমরান) বল করা খুব কঠিন। সবাই (হাইনরিখ) ক্লাসেন বা (নিকোলাস) পুরানের নাম নেয়। কিন্তু আমি অনুশীলন ম্যাচে ওকে বল করেছি এবং প্রভকে বল করা খুব কঠিন, বিশেষ করে ৬ ওভারে। সে গত ২-৩ বছর ধরে খুব কঠোর পরিশ্রম করেছে। আজ সে যেভাবে ব্যাট করেছে, তা গত ২-৩ বছরের কঠোর পরিশ্রমেরই ফল। একজন বোলার হিসেবে আমি খুশি যে সে আমার দলে আছে, কারণ আমি তাকে বল করেছি। রিকি পন্টিং তার ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















