ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাব: অর্থমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে প্রথমে স্থিতিশীল এবং পরে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাওয়াই সরকারের লক্ষ্য। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যাতে সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছায়, এবারের বাজেটে সে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেছেন, ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে স্থিতিশীল অর্থনীতি, স্থিতিশীল অর্থনীতি থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতি খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। প্রথমদিকে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে। একবারে স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাব। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।

সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

বৈঠকে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, টাকাটা দেওয়ার পরে আমরা জানতে চাচ্ছি তাদের জীবনের পরিবর্তনটা কতটুকু। এইটা একটা মেজারমেন্ট দরকার। কারণ আমাদের তো জানতে হবে যে এই টাকাটা পাওয়ার পরে তার জীবনের পরিবর্তনটা কিভাবে আসলো। আমরা তো চাচ্ছি তার জীবনে পরিবর্তন আনার জন্য এবং সেটা কতটুকু আসছে সেটা আমাদের জানতে হবে।

তিনি বলেন, আবার কেউ যদি পিছিয়ে যায়, তাহলে কেন পিছিয়ে গেল সেটাও বিশ্লেষণ করতে হবে। তাহলে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

বড় বাজেট বাস্তবায়নে সামনে অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ কি? এমন প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, চ্যালেঞ্জ খুব সোজা। এই যে বলেছি- ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে স্থিতিশীল অর্থনীতি, স্থিতিশীল অর্থনীতি থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতি খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। প্রথমদিকে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে। স্থিতিশীল হওয়ার পরে, তারপর একবারে স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাব। অর্থনৈতিক ঘুরে দাঁড়াবে। এই অর্থনীতির সুফল প্রত্যেকটি বাংলাদেশের মানুষের কাছে যাতে যায় এই বাজেটে সেটা পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, এর আগে কোনো বাজেটে এভাবে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে আমরা শুনিনি। একেবারে নাম ধরে ধরে বলা হয়েছে। কাদের জন্য কী এলোকেশন, কাদের জীবনে পরিবর্তন করার জন্য আমাদের উদ্যোগ কী, একেবারে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। সমাজের, দেশের কোনো একজন নাগরিককে বাদ রেখে এই বাজেট হয়নি। প্রত্যেককে মাথায় রেখে বাজেট হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এজন্য পুরো বিষয়টাকে আমরা বলছি ডেমোক্র্যাটাইজেশন অফ দি ইকোনমি অর্থাৎ অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ। তাহলে একটা গ্রুপ বেনিফিট পাবে, এখানে পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি হবে আর বাকি দেশের লোক অর্থনীতির কোনো সুযোগ পাবে না, তাদের কাছে অর্থনীতির সুফল কারও কাছে যাবে না, সে অংশগ্রহণ করতে পারবে না, সেটা তো একটা গণতান্ত্রিক দেশের অর্থনীতির জন্য কাম্য নয়। এজন্য আমরা এই পরিবর্তনটা, আমরা চেষ্টা করছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাব: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে প্রথমে স্থিতিশীল এবং পরে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাওয়াই সরকারের লক্ষ্য। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যাতে সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছায়, এবারের বাজেটে সে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেছেন, ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে স্থিতিশীল অর্থনীতি, স্থিতিশীল অর্থনীতি থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতি খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। প্রথমদিকে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে। একবারে স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাব। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।

সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

বৈঠকে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, টাকাটা দেওয়ার পরে আমরা জানতে চাচ্ছি তাদের জীবনের পরিবর্তনটা কতটুকু। এইটা একটা মেজারমেন্ট দরকার। কারণ আমাদের তো জানতে হবে যে এই টাকাটা পাওয়ার পরে তার জীবনের পরিবর্তনটা কিভাবে আসলো। আমরা তো চাচ্ছি তার জীবনে পরিবর্তন আনার জন্য এবং সেটা কতটুকু আসছে সেটা আমাদের জানতে হবে।

তিনি বলেন, আবার কেউ যদি পিছিয়ে যায়, তাহলে কেন পিছিয়ে গেল সেটাও বিশ্লেষণ করতে হবে। তাহলে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

বড় বাজেট বাস্তবায়নে সামনে অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ কি? এমন প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, চ্যালেঞ্জ খুব সোজা। এই যে বলেছি- ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে স্থিতিশীল অর্থনীতি, স্থিতিশীল অর্থনীতি থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতি খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। প্রথমদিকে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে। স্থিতিশীল হওয়ার পরে, তারপর একবারে স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাব। অর্থনৈতিক ঘুরে দাঁড়াবে। এই অর্থনীতির সুফল প্রত্যেকটি বাংলাদেশের মানুষের কাছে যাতে যায় এই বাজেটে সেটা পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, এর আগে কোনো বাজেটে এভাবে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে আমরা শুনিনি। একেবারে নাম ধরে ধরে বলা হয়েছে। কাদের জন্য কী এলোকেশন, কাদের জীবনে পরিবর্তন করার জন্য আমাদের উদ্যোগ কী, একেবারে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। সমাজের, দেশের কোনো একজন নাগরিককে বাদ রেখে এই বাজেট হয়নি। প্রত্যেককে মাথায় রেখে বাজেট হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এজন্য পুরো বিষয়টাকে আমরা বলছি ডেমোক্র্যাটাইজেশন অফ দি ইকোনমি অর্থাৎ অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ। তাহলে একটা গ্রুপ বেনিফিট পাবে, এখানে পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি হবে আর বাকি দেশের লোক অর্থনীতির কোনো সুযোগ পাবে না, তাদের কাছে অর্থনীতির সুফল কারও কাছে যাবে না, সে অংশগ্রহণ করতে পারবে না, সেটা তো একটা গণতান্ত্রিক দেশের অর্থনীতির জন্য কাম্য নয়। এজন্য আমরা এই পরিবর্তনটা, আমরা চেষ্টা করছি।