ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার হুমকি ট্রাম্পের

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরান সরকারকে ‘অতি গোঁড়া’ আখ্যায়িত করে দেশটির সঙ্গে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার দেওয়া আক্রমণাত্মক এক বক্তব্যে ট্রাম্প এই হুমকি দেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়, বক্তব্যে ইরান সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। দেশটির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ২০১৫ সালে বিশ্ব শক্তিগুলোর সঙ্গে করা চুক্তির শর্তগুলো ইতিমধ্যেই লঙ্ঘন করেছে ইরান।

এই চুক্তির মধ্য দিয়ে পারমাণবিক স্থাপনায় পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কমিয়ে এনেছিল ইরান। বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, চুক্তির শর্ত পুরোপুরি মেনে চলছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউসে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরান যেন পরমাণু অস্ত্র বানাতে না পারে, সে জন্য সম্ভাব্য সব কিছু করছেন তিনি। পরমাণু চুক্তির শর্ত হিসেবে প্রতি ৯০ দিনে একবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সমর্থন দরকার দেশটির আইনসভা কংগ্রেসের। ইরান চুক্তি মেনে চলছে কি না, তা বোঝাতেই এই সমর্থন।

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর দুবার বিষয়টি প্রত্যয়ন করেছেন। তবে রোববার নির্ধারিত সময়সীমাকে সামনে রেখে তৃতীয়বারের মতো চুক্তিতে সমর্থন করবেন না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বল ঠেলে দিয়েছেন কংগ্রেসের কোর্টে। এখন মার্কিন আইনসভাকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নির্ধারণ করতে হবে তারা পরমাণু চুক্তি থেকে সরে এসে ইরানের ওপর আবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে নাকি চুক্তিতে থেকে যাবে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি ও চীনের এই চুক্তির সমর্থনকারীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, ট্রাম্প চুক্তি থেকে সম্পূর্ণভাবে সরে আসবেন। তাঁদের সেই আশঙ্কা পরোক্ষভাবে বাস্তব হচ্ছে। কারণ ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন যে, কংগ্রেস যদি চুক্তির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তিনি নিজেই সেটি বাতিল করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার হুমকি ট্রাম্পের

আপডেট সময় ০৫:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরান সরকারকে ‘অতি গোঁড়া’ আখ্যায়িত করে দেশটির সঙ্গে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার দেওয়া আক্রমণাত্মক এক বক্তব্যে ট্রাম্প এই হুমকি দেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়, বক্তব্যে ইরান সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। দেশটির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ২০১৫ সালে বিশ্ব শক্তিগুলোর সঙ্গে করা চুক্তির শর্তগুলো ইতিমধ্যেই লঙ্ঘন করেছে ইরান।

এই চুক্তির মধ্য দিয়ে পারমাণবিক স্থাপনায় পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কমিয়ে এনেছিল ইরান। বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, চুক্তির শর্ত পুরোপুরি মেনে চলছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউসে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরান যেন পরমাণু অস্ত্র বানাতে না পারে, সে জন্য সম্ভাব্য সব কিছু করছেন তিনি। পরমাণু চুক্তির শর্ত হিসেবে প্রতি ৯০ দিনে একবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সমর্থন দরকার দেশটির আইনসভা কংগ্রেসের। ইরান চুক্তি মেনে চলছে কি না, তা বোঝাতেই এই সমর্থন।

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর দুবার বিষয়টি প্রত্যয়ন করেছেন। তবে রোববার নির্ধারিত সময়সীমাকে সামনে রেখে তৃতীয়বারের মতো চুক্তিতে সমর্থন করবেন না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বল ঠেলে দিয়েছেন কংগ্রেসের কোর্টে। এখন মার্কিন আইনসভাকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নির্ধারণ করতে হবে তারা পরমাণু চুক্তি থেকে সরে এসে ইরানের ওপর আবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে নাকি চুক্তিতে থেকে যাবে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি ও চীনের এই চুক্তির সমর্থনকারীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, ট্রাম্প চুক্তি থেকে সম্পূর্ণভাবে সরে আসবেন। তাঁদের সেই আশঙ্কা পরোক্ষভাবে বাস্তব হচ্ছে। কারণ ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন যে, কংগ্রেস যদি চুক্তির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তিনি নিজেই সেটি বাতিল করবেন।