ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি বাংলাদেশে নীতির অনিশ্চয়তা আমাদের ভয়ের কারণ: ব্রুনাইয়ের রাষ্ট্রদূত চবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮০ কোটি ডলার বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন স্কুলপড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, দ্বিতীয় দফার বৈঠকে পাকিস্তানে যাচ্ছেন না মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারতে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ২০

ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার হুমকি ট্রাম্পের

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরান সরকারকে ‘অতি গোঁড়া’ আখ্যায়িত করে দেশটির সঙ্গে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার দেওয়া আক্রমণাত্মক এক বক্তব্যে ট্রাম্প এই হুমকি দেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়, বক্তব্যে ইরান সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। দেশটির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ২০১৫ সালে বিশ্ব শক্তিগুলোর সঙ্গে করা চুক্তির শর্তগুলো ইতিমধ্যেই লঙ্ঘন করেছে ইরান।

এই চুক্তির মধ্য দিয়ে পারমাণবিক স্থাপনায় পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কমিয়ে এনেছিল ইরান। বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, চুক্তির শর্ত পুরোপুরি মেনে চলছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউসে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরান যেন পরমাণু অস্ত্র বানাতে না পারে, সে জন্য সম্ভাব্য সব কিছু করছেন তিনি। পরমাণু চুক্তির শর্ত হিসেবে প্রতি ৯০ দিনে একবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সমর্থন দরকার দেশটির আইনসভা কংগ্রেসের। ইরান চুক্তি মেনে চলছে কি না, তা বোঝাতেই এই সমর্থন।

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর দুবার বিষয়টি প্রত্যয়ন করেছেন। তবে রোববার নির্ধারিত সময়সীমাকে সামনে রেখে তৃতীয়বারের মতো চুক্তিতে সমর্থন করবেন না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বল ঠেলে দিয়েছেন কংগ্রেসের কোর্টে। এখন মার্কিন আইনসভাকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নির্ধারণ করতে হবে তারা পরমাণু চুক্তি থেকে সরে এসে ইরানের ওপর আবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে নাকি চুক্তিতে থেকে যাবে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি ও চীনের এই চুক্তির সমর্থনকারীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, ট্রাম্প চুক্তি থেকে সম্পূর্ণভাবে সরে আসবেন। তাঁদের সেই আশঙ্কা পরোক্ষভাবে বাস্তব হচ্ছে। কারণ ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন যে, কংগ্রেস যদি চুক্তির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তিনি নিজেই সেটি বাতিল করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি

ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার হুমকি ট্রাম্পের

আপডেট সময় ০৫:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরান সরকারকে ‘অতি গোঁড়া’ আখ্যায়িত করে দেশটির সঙ্গে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার দেওয়া আক্রমণাত্মক এক বক্তব্যে ট্রাম্প এই হুমকি দেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়, বক্তব্যে ইরান সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। দেশটির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ২০১৫ সালে বিশ্ব শক্তিগুলোর সঙ্গে করা চুক্তির শর্তগুলো ইতিমধ্যেই লঙ্ঘন করেছে ইরান।

এই চুক্তির মধ্য দিয়ে পারমাণবিক স্থাপনায় পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কমিয়ে এনেছিল ইরান। বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, চুক্তির শর্ত পুরোপুরি মেনে চলছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউসে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরান যেন পরমাণু অস্ত্র বানাতে না পারে, সে জন্য সম্ভাব্য সব কিছু করছেন তিনি। পরমাণু চুক্তির শর্ত হিসেবে প্রতি ৯০ দিনে একবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সমর্থন দরকার দেশটির আইনসভা কংগ্রেসের। ইরান চুক্তি মেনে চলছে কি না, তা বোঝাতেই এই সমর্থন।

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর দুবার বিষয়টি প্রত্যয়ন করেছেন। তবে রোববার নির্ধারিত সময়সীমাকে সামনে রেখে তৃতীয়বারের মতো চুক্তিতে সমর্থন করবেন না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বল ঠেলে দিয়েছেন কংগ্রেসের কোর্টে। এখন মার্কিন আইনসভাকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নির্ধারণ করতে হবে তারা পরমাণু চুক্তি থেকে সরে এসে ইরানের ওপর আবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে নাকি চুক্তিতে থেকে যাবে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি ও চীনের এই চুক্তির সমর্থনকারীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, ট্রাম্প চুক্তি থেকে সম্পূর্ণভাবে সরে আসবেন। তাঁদের সেই আশঙ্কা পরোক্ষভাবে বাস্তব হচ্ছে। কারণ ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন যে, কংগ্রেস যদি চুক্তির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তিনি নিজেই সেটি বাতিল করবেন।