ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানব রচিত আইন এ বাংলায় চলতে দেওয়া হবে না: চরমোনাইর পীর বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঐক্য, সম্প্রীতি ও নতুন প্রত্যয়ের আহ্বান রাষ্ট্রপতির আগামী বছরের মধ্যে গোটা রাখাইন দখলের ঘোষণা আরাকান আর্মির অবরোধ ভাঙতে চাইলে ইরানের ‘অ্যাটাক শিপ’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে দেশ নতুন সাংবিধানিক সংকটে পড়বে:শিশির মনির সরকারের কাঁধে শেখ হাসিনার ভূত চেপেছে: মামুনুল হক খোলা চিঠিতে ‘বিদায়ের বার্তা’ দিলেন মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারাগার থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান ব্যারিস্টার সুমন সংসদীয় সার্বভৌমত্বের নামে ‘সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র’ কায়েম হচ্ছে: সারোয়ার তুষার

প্রিন্সেস রোজি হয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভাবনা

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

বাংলার ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালার মঞ্চ যেন ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে প্রাপ্তবয়স্কদের নৃত্য-আসরে। বাস্তব জীবনের এমন অভিজ্ঞতা থেকেই নির্মাতা আসিফ ইসলাম নির্মাণ করেছেন ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’ চলচ্চিত্রটি। এতে ‘প্রিন্সেস রোজি’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আশনা হাবিব ভাবনা।

এই সিনেমা নিয়ে এবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হাজির হচ্ছেন ভাবনা। চলচ্চিত্রটি ৪৮তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আর্টকোর বিভাগে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

পরিচালক আসিফ ইসলাম জানান, ‘আমার নতুন চলচ্চিত্র ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’ মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আর্টকোর বিভাগে নির্বাচিত হয়েছে। আমি কৃতজ্ঞ, উচ্ছ্বসিত এবং এই যাত্রা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত।’

প্রিন্সেস চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে ভাবনা বলেন, এটি তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং অভিজ্ঞতা। চরিত্রের প্রয়োজনে তাঁকে প্রায় ৯ কেজি ওজন বাড়াতে হয়েছে। পাশাপাশি যাত্রাশিল্পীদের মতো নাচ ও অভিনয়ের ধরনও রপ্ত করতে হয়েছে তাঁকে।

তিনি বলেন, ‘প্রিন্সেস রোজি চরিত্রটি করতে গিয়ে আমার শারীরিক ও মানসিক, দুই দিকেই পরিবর্তন এসেছে। আমি চরিত্রটিকে ভালোবেসে ফেলেছি।’

মস্কোর মতো মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের কাজ প্রদর্শিত হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ভাবনা জানান, ‘আমি আমার শিল্পকর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে চাই। মস্কোর মতো মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসবে আমার সিনেমা নির্বাচিত হওয়ার অনুভূতি সত্যিই ভীষণ আনন্দের।’

পরিচালক সূত্রে জানা গেছে, চলচ্চিত্রটি যাত্রাপালার ক্রমাবনতির গল্প তুলে ধরে। এখানে দর্শকের চাহিদার চাপে ‘প্রিন্সেস’ নামে এক নৃত্যশিল্পী মঞ্চের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন। সমাজের পরিবর্তিত রুচি ও বিনোদনের চাহিদাকেই এই সিনেমার মূল উপজীব্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

‘পরিচালক আসিফ ইসলাম জানান, শৈশব থেকেই যাত্রার সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক। সেই অভিজ্ঞতা এবং সময়ের পরিবর্তনে যাত্রার রূপান্তরই তাঁকে এই চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুপ্রাণিত করেছে। গত বছরের জানুয়ারিতে ফরিদপুর জেলার গোবিন্দপুরে যাত্রার সেট নির্মাণ করে সিনেমাটির শুটিং সম্পন্ন হয়। এতে ভাবনা ছাড়া অধিকাংশ অভিনয়শিল্পীই ছিলেন প্রকৃত যাত্রাশিল্পী।

উল্লেখ্য, আসিফ ইসলামের আগের চলচ্চিত্র ‘নির্বাণ’ ৪৬তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে স্পেশাল জুরি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছিল। এবার ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’ নিয়ে আবারও সেই মঞ্চে ফিরছেন তিনি– আর সঙ্গে থাকছেন ‘প্রিন্সেস’ ভাবনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বেলুনের ভেতরেই চলছে নির্মাণকাজ, ধুলা-শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে চীনের নতুন প্রযুক্তি

প্রিন্সেস রোজি হয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভাবনা

আপডেট সময় ০৭:০৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

বাংলার ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালার মঞ্চ যেন ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে প্রাপ্তবয়স্কদের নৃত্য-আসরে। বাস্তব জীবনের এমন অভিজ্ঞতা থেকেই নির্মাতা আসিফ ইসলাম নির্মাণ করেছেন ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’ চলচ্চিত্রটি। এতে ‘প্রিন্সেস রোজি’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আশনা হাবিব ভাবনা।

এই সিনেমা নিয়ে এবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হাজির হচ্ছেন ভাবনা। চলচ্চিত্রটি ৪৮তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আর্টকোর বিভাগে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

পরিচালক আসিফ ইসলাম জানান, ‘আমার নতুন চলচ্চিত্র ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’ মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আর্টকোর বিভাগে নির্বাচিত হয়েছে। আমি কৃতজ্ঞ, উচ্ছ্বসিত এবং এই যাত্রা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত।’

প্রিন্সেস চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে ভাবনা বলেন, এটি তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং অভিজ্ঞতা। চরিত্রের প্রয়োজনে তাঁকে প্রায় ৯ কেজি ওজন বাড়াতে হয়েছে। পাশাপাশি যাত্রাশিল্পীদের মতো নাচ ও অভিনয়ের ধরনও রপ্ত করতে হয়েছে তাঁকে।

তিনি বলেন, ‘প্রিন্সেস রোজি চরিত্রটি করতে গিয়ে আমার শারীরিক ও মানসিক, দুই দিকেই পরিবর্তন এসেছে। আমি চরিত্রটিকে ভালোবেসে ফেলেছি।’

মস্কোর মতো মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের কাজ প্রদর্শিত হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ভাবনা জানান, ‘আমি আমার শিল্পকর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে চাই। মস্কোর মতো মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসবে আমার সিনেমা নির্বাচিত হওয়ার অনুভূতি সত্যিই ভীষণ আনন্দের।’

পরিচালক সূত্রে জানা গেছে, চলচ্চিত্রটি যাত্রাপালার ক্রমাবনতির গল্প তুলে ধরে। এখানে দর্শকের চাহিদার চাপে ‘প্রিন্সেস’ নামে এক নৃত্যশিল্পী মঞ্চের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন। সমাজের পরিবর্তিত রুচি ও বিনোদনের চাহিদাকেই এই সিনেমার মূল উপজীব্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

‘পরিচালক আসিফ ইসলাম জানান, শৈশব থেকেই যাত্রার সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক। সেই অভিজ্ঞতা এবং সময়ের পরিবর্তনে যাত্রার রূপান্তরই তাঁকে এই চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুপ্রাণিত করেছে। গত বছরের জানুয়ারিতে ফরিদপুর জেলার গোবিন্দপুরে যাত্রার সেট নির্মাণ করে সিনেমাটির শুটিং সম্পন্ন হয়। এতে ভাবনা ছাড়া অধিকাংশ অভিনয়শিল্পীই ছিলেন প্রকৃত যাত্রাশিল্পী।

উল্লেখ্য, আসিফ ইসলামের আগের চলচ্চিত্র ‘নির্বাণ’ ৪৬তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে স্পেশাল জুরি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছিল। এবার ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’ নিয়ে আবারও সেই মঞ্চে ফিরছেন তিনি– আর সঙ্গে থাকছেন ‘প্রিন্সেস’ ভাবনা।