ঢাকা ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যার কথা শুনেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সামনে পরীক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তাতে তুমিও ফেল, ছয় মাস পর আমিও ফেল, কারও বাঁচার উপায় নেই।

শনিবার সকালে প্রতিষ্ঠানটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি প্রচলিত বক্তব্যের বাইরে গিয়ে সরাসরি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ শোনেন।

এসময় এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, নিয়মিত ক্লাস হয় না, প্র্যাকটিক্যাল কাজ আটকে থাকে, ফলে পাঠ ঠিকভাবে বোঝা যায় না।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক মাশফিকুর রহমান জানান, ১৯৬৩ সালে নির্মিত ভবনে ক্লাস ও ল্যাব পরিচালনা করতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় মেশিনারিজ না থাকায় কার্যকরভাবে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না।

অন্য এক শিক্ষার্থী বলেন, অষ্টম সেমিস্টারে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর কথা থাকলেও বাস্তবে তা হয় না। ভালো প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগও পাওয়া যায় না।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রিন্সিপালের কাছে শিক্ষামন্ত্রী জানতে চাইলে তিনি জানান, অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের নিতে আগ্রহ দেখায় না।

তখন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের সঙ্গে শিল্প প্রতিষ্ঠানের চুক্তি রয়েছে, শিক্ষার্থীদের অবশ্যই নিতে হবে এবং মেশিন ব্যবহার করতে দিতে হবে। কেন তা হচ্ছে না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে প্রকল্প নেওয়া হবে। এজন্য শিক্ষার্থীদের মতামত নেওয়া হচ্ছে।

এক শিক্ষক জানান, পলিটেকনিকে ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। এ প্রবণতা রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়া ৭ বছর ধরে চাকরি করেও বেতন না পাওয়ার অভিযোগ করেন ১৯ জন শিক্ষক। এ বিষয়ে মন্ত্রী পুনরায় পরীক্ষা নিয়ে আত্তীকরণের আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার বজলুর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব সম্পন্ন, চূড়ান্ত পর্ব নভেম্বরে

পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:২০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যার কথা শুনেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সামনে পরীক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তাতে তুমিও ফেল, ছয় মাস পর আমিও ফেল, কারও বাঁচার উপায় নেই।

শনিবার সকালে প্রতিষ্ঠানটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি প্রচলিত বক্তব্যের বাইরে গিয়ে সরাসরি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ শোনেন।

এসময় এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, নিয়মিত ক্লাস হয় না, প্র্যাকটিক্যাল কাজ আটকে থাকে, ফলে পাঠ ঠিকভাবে বোঝা যায় না।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক মাশফিকুর রহমান জানান, ১৯৬৩ সালে নির্মিত ভবনে ক্লাস ও ল্যাব পরিচালনা করতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় মেশিনারিজ না থাকায় কার্যকরভাবে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না।

অন্য এক শিক্ষার্থী বলেন, অষ্টম সেমিস্টারে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর কথা থাকলেও বাস্তবে তা হয় না। ভালো প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগও পাওয়া যায় না।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রিন্সিপালের কাছে শিক্ষামন্ত্রী জানতে চাইলে তিনি জানান, অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের নিতে আগ্রহ দেখায় না।

তখন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের সঙ্গে শিল্প প্রতিষ্ঠানের চুক্তি রয়েছে, শিক্ষার্থীদের অবশ্যই নিতে হবে এবং মেশিন ব্যবহার করতে দিতে হবে। কেন তা হচ্ছে না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে প্রকল্প নেওয়া হবে। এজন্য শিক্ষার্থীদের মতামত নেওয়া হচ্ছে।

এক শিক্ষক জানান, পলিটেকনিকে ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। এ প্রবণতা রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়া ৭ বছর ধরে চাকরি করেও বেতন না পাওয়ার অভিযোগ করেন ১৯ জন শিক্ষক। এ বিষয়ে মন্ত্রী পুনরায় পরীক্ষা নিয়ে আত্তীকরণের আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার বজলুর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।