ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘পাকিস্তানি মিডিয়া নিজেদের দল হারলে গর্তে লুকিয়ে যায়’:ইরফান পাঠান

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ক্রিকেট বিশ্বে যেকোনো মেজর টুর্নামন্টে ভারত ও পাকিস্তানের গণমাধ্যমে একে অন্যকে খোঁচা দেওয়ার প্রবণতা নতুন কিছু নয়। বরাবরের মতো দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের মুখোমুখি লড়াই হলে এই ঠাট্টা-বিদ্রূপ আরও তীব্র হয়।

সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যঙ্গ করে একটি বিজ্ঞাপন প্রচার করেছিল ভারতীয় একটি গণমাধ্যম। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের কাছে হারের পর সেই বিজ্ঞাপন সরিয়ে নেওয়া হয়। এর জবাবে ভারতকে লক্ষ্য করে পাকিস্তানের এক গণমাধ্যমও ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণা চালায়।

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সুপার এইটের ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে ধাক্কা খায় পাকিস্তান, সেমিফাইনালে খেলার আশাও ক্ষীণ হয়েছে তাদের। এ প্রেক্ষাপটে মিডিয়ার ট্রল সংস্কৃতি নিয়ে মন্তব্য করেন ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান।

তার মতে, পাকিস্তানি মিডিয়া নিজেদের দলকেই অতিরিক্ত চাপে রাখে। পাশাপাশি ভারত হেরে গেলে তারা কটাক্ষে সরব হয়, কিন্তু পাকিস্তান হারলে চুপচাপ হয়ে যায়।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরফান লেখেন, ‘পাকিস্তান দল চাপ সামলাতে পারে না এবং তাদের ভোগান্তির পেছনে মিডিয়ার লাগাতার ট্রলের ভূমিকা আছে। সমর্থনের বদলে পাকিস্তানি মিডিয়া খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, যা মূলত জনপ্রিয়তা বাড়ানোর কৌশল।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারত হেরে গেলে (যেটা বিরল) তারা সোশ্যাল মিডিয়ার টাইমলাইন ভাসিয়ে ফেলে। কিন্তু তাদের নিজেদের দল হেরে গেলে তারা ইঁদুরের মতো গর্তে লুকিয়ে পড়ে। কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে না খেললে আমরা এসব নিয়ে ভাবিই না। আমরা শুধু নির্দিষ্ট খেলা নিয়ে কাজ করি।’

সুপার এইট পর্বে বর্তমানে দুই দলই কঠিন সমীকরণের সম্মুখীন হয়ে আছে। পাকিস্তান তিন ম্যাচে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে কার্যত বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে ভারতের সেমিফাইনালে খেলার আশাতেও বড় ধাক্কা লেগেছে, এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিতলে তবেই সেমির টিকিট পাবে তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘পাকিস্তানি মিডিয়া নিজেদের দল হারলে গর্তে লুকিয়ে যায়’:ইরফান পাঠান

আপডেট সময় ০৫:১২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ক্রিকেট বিশ্বে যেকোনো মেজর টুর্নামন্টে ভারত ও পাকিস্তানের গণমাধ্যমে একে অন্যকে খোঁচা দেওয়ার প্রবণতা নতুন কিছু নয়। বরাবরের মতো দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের মুখোমুখি লড়াই হলে এই ঠাট্টা-বিদ্রূপ আরও তীব্র হয়।

সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যঙ্গ করে একটি বিজ্ঞাপন প্রচার করেছিল ভারতীয় একটি গণমাধ্যম। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের কাছে হারের পর সেই বিজ্ঞাপন সরিয়ে নেওয়া হয়। এর জবাবে ভারতকে লক্ষ্য করে পাকিস্তানের এক গণমাধ্যমও ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণা চালায়।

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সুপার এইটের ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে ধাক্কা খায় পাকিস্তান, সেমিফাইনালে খেলার আশাও ক্ষীণ হয়েছে তাদের। এ প্রেক্ষাপটে মিডিয়ার ট্রল সংস্কৃতি নিয়ে মন্তব্য করেন ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান।

তার মতে, পাকিস্তানি মিডিয়া নিজেদের দলকেই অতিরিক্ত চাপে রাখে। পাশাপাশি ভারত হেরে গেলে তারা কটাক্ষে সরব হয়, কিন্তু পাকিস্তান হারলে চুপচাপ হয়ে যায়।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরফান লেখেন, ‘পাকিস্তান দল চাপ সামলাতে পারে না এবং তাদের ভোগান্তির পেছনে মিডিয়ার লাগাতার ট্রলের ভূমিকা আছে। সমর্থনের বদলে পাকিস্তানি মিডিয়া খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, যা মূলত জনপ্রিয়তা বাড়ানোর কৌশল।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারত হেরে গেলে (যেটা বিরল) তারা সোশ্যাল মিডিয়ার টাইমলাইন ভাসিয়ে ফেলে। কিন্তু তাদের নিজেদের দল হেরে গেলে তারা ইঁদুরের মতো গর্তে লুকিয়ে পড়ে। কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে না খেললে আমরা এসব নিয়ে ভাবিই না। আমরা শুধু নির্দিষ্ট খেলা নিয়ে কাজ করি।’

সুপার এইট পর্বে বর্তমানে দুই দলই কঠিন সমীকরণের সম্মুখীন হয়ে আছে। পাকিস্তান তিন ম্যাচে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে কার্যত বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে ভারতের সেমিফাইনালে খেলার আশাতেও বড় ধাক্কা লেগেছে, এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিতলে তবেই সেমির টিকিট পাবে তারা।