ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করব: প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের পর গ্রেফতারের দাবি নাহিদ ইসলামের হাতিয়ায় এমপি হান্নান মাসউদের ওপর হামলার অভিযোগ বিএনপি যদি বিডিআর হত্যার বিচার করতে না পারে সেটি হবে তাদের চরম ব্যর্থতা: জামায়াত আমির মাকে অচেতন করে সাড়ে তিন মাসের শিশু চুরি ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর আমি না থাকলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মারা যেতেন: ডোনাল্ড ট্রাম্প শুল্ক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি দেখে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ : বাণিজ্যমন্ত্রী শ্রীলঙ্কার সাবেক গোয়েন্দা প্রধান গ্রেফতার রাজধানীতে প্রকোপ বেড়েছে কিউলেক্স মশার, গবেষণায় উদ্বেগজনক চিত্র

‘পাকিস্তানি মিডিয়া নিজেদের দল হারলে গর্তে লুকিয়ে যায়’:ইরফান পাঠান

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ক্রিকেট বিশ্বে যেকোনো মেজর টুর্নামন্টে ভারত ও পাকিস্তানের গণমাধ্যমে একে অন্যকে খোঁচা দেওয়ার প্রবণতা নতুন কিছু নয়। বরাবরের মতো দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের মুখোমুখি লড়াই হলে এই ঠাট্টা-বিদ্রূপ আরও তীব্র হয়।

সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যঙ্গ করে একটি বিজ্ঞাপন প্রচার করেছিল ভারতীয় একটি গণমাধ্যম। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের কাছে হারের পর সেই বিজ্ঞাপন সরিয়ে নেওয়া হয়। এর জবাবে ভারতকে লক্ষ্য করে পাকিস্তানের এক গণমাধ্যমও ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণা চালায়।

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সুপার এইটের ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে ধাক্কা খায় পাকিস্তান, সেমিফাইনালে খেলার আশাও ক্ষীণ হয়েছে তাদের। এ প্রেক্ষাপটে মিডিয়ার ট্রল সংস্কৃতি নিয়ে মন্তব্য করেন ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান।

তার মতে, পাকিস্তানি মিডিয়া নিজেদের দলকেই অতিরিক্ত চাপে রাখে। পাশাপাশি ভারত হেরে গেলে তারা কটাক্ষে সরব হয়, কিন্তু পাকিস্তান হারলে চুপচাপ হয়ে যায়।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরফান লেখেন, ‘পাকিস্তান দল চাপ সামলাতে পারে না এবং তাদের ভোগান্তির পেছনে মিডিয়ার লাগাতার ট্রলের ভূমিকা আছে। সমর্থনের বদলে পাকিস্তানি মিডিয়া খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, যা মূলত জনপ্রিয়তা বাড়ানোর কৌশল।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারত হেরে গেলে (যেটা বিরল) তারা সোশ্যাল মিডিয়ার টাইমলাইন ভাসিয়ে ফেলে। কিন্তু তাদের নিজেদের দল হেরে গেলে তারা ইঁদুরের মতো গর্তে লুকিয়ে পড়ে। কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে না খেললে আমরা এসব নিয়ে ভাবিই না। আমরা শুধু নির্দিষ্ট খেলা নিয়ে কাজ করি।’

সুপার এইট পর্বে বর্তমানে দুই দলই কঠিন সমীকরণের সম্মুখীন হয়ে আছে। পাকিস্তান তিন ম্যাচে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে কার্যত বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে ভারতের সেমিফাইনালে খেলার আশাতেও বড় ধাক্কা লেগেছে, এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিতলে তবেই সেমির টিকিট পাবে তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করব: প্রধানমন্ত্রী

‘পাকিস্তানি মিডিয়া নিজেদের দল হারলে গর্তে লুকিয়ে যায়’:ইরফান পাঠান

আপডেট সময় ০৫:১২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ক্রিকেট বিশ্বে যেকোনো মেজর টুর্নামন্টে ভারত ও পাকিস্তানের গণমাধ্যমে একে অন্যকে খোঁচা দেওয়ার প্রবণতা নতুন কিছু নয়। বরাবরের মতো দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের মুখোমুখি লড়াই হলে এই ঠাট্টা-বিদ্রূপ আরও তীব্র হয়।

সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যঙ্গ করে একটি বিজ্ঞাপন প্রচার করেছিল ভারতীয় একটি গণমাধ্যম। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের কাছে হারের পর সেই বিজ্ঞাপন সরিয়ে নেওয়া হয়। এর জবাবে ভারতকে লক্ষ্য করে পাকিস্তানের এক গণমাধ্যমও ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণা চালায়।

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সুপার এইটের ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে ধাক্কা খায় পাকিস্তান, সেমিফাইনালে খেলার আশাও ক্ষীণ হয়েছে তাদের। এ প্রেক্ষাপটে মিডিয়ার ট্রল সংস্কৃতি নিয়ে মন্তব্য করেন ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান।

তার মতে, পাকিস্তানি মিডিয়া নিজেদের দলকেই অতিরিক্ত চাপে রাখে। পাশাপাশি ভারত হেরে গেলে তারা কটাক্ষে সরব হয়, কিন্তু পাকিস্তান হারলে চুপচাপ হয়ে যায়।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরফান লেখেন, ‘পাকিস্তান দল চাপ সামলাতে পারে না এবং তাদের ভোগান্তির পেছনে মিডিয়ার লাগাতার ট্রলের ভূমিকা আছে। সমর্থনের বদলে পাকিস্তানি মিডিয়া খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, যা মূলত জনপ্রিয়তা বাড়ানোর কৌশল।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারত হেরে গেলে (যেটা বিরল) তারা সোশ্যাল মিডিয়ার টাইমলাইন ভাসিয়ে ফেলে। কিন্তু তাদের নিজেদের দল হেরে গেলে তারা ইঁদুরের মতো গর্তে লুকিয়ে পড়ে। কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে না খেললে আমরা এসব নিয়ে ভাবিই না। আমরা শুধু নির্দিষ্ট খেলা নিয়ে কাজ করি।’

সুপার এইট পর্বে বর্তমানে দুই দলই কঠিন সমীকরণের সম্মুখীন হয়ে আছে। পাকিস্তান তিন ম্যাচে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে কার্যত বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে ভারতের সেমিফাইনালে খেলার আশাতেও বড় ধাক্কা লেগেছে, এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিতলে তবেই সেমির টিকিট পাবে তারা।