ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভবানীপুরে শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মমতা

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা (ইলেকশন পিটিশন) দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার তিনি আদালতে এ আবেদন জমা দেন।

এদিন মমতার সঙ্গে আদালতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলপন্থি সংসদ সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন এবং আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় মমতা গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর আসনে বিজেপি নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফল ঘোষণার পর থেকেই তিনি নির্বাচনে অনিয়ম ও ভোট লুটের অভিযোগ তুলে আসছিলেন। ৫ মে কালীঘাটের নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে মমতা দাবি করেছিলেন, “আমরা হারিনি, জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে।”

এর আগে ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হওয়ার পরও তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই মামলার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি।

মমতার নতুন আইনি পদক্ষেপকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। রাজ্যের মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ বলেন, “নন্দীগ্রামে হারের পরও তিনি আদালতে গিয়েছিলেন। এবারও একই পথ বেছে নিয়েছেন। আদালতের রায়েই তার সব বিভ্রান্তির অবসান হবে।”

অন্যদিকে, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আবারও মমতার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মমতা ভবিষ্যতে রেজিনগর বা বসিরহাট আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিলে তাকে জেতাতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন এবং প্রয়োজনে তার বিরুদ্ধে প্রার্থীও দেবেন না।

এদিকে, মমতা যখন হাইকোর্টে ছিলেন, তখন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দেন। সই জালিয়াতি ও নির্বাচনী প্রচারে বিতর্কিত মন্তব্য সংক্রান্ত একটি মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়। এর আগের দিনও তাকে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ভবানীপুরে শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মমতা

আপডেট সময় ১০:১৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা (ইলেকশন পিটিশন) দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার তিনি আদালতে এ আবেদন জমা দেন।

এদিন মমতার সঙ্গে আদালতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলপন্থি সংসদ সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন এবং আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় মমতা গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর আসনে বিজেপি নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফল ঘোষণার পর থেকেই তিনি নির্বাচনে অনিয়ম ও ভোট লুটের অভিযোগ তুলে আসছিলেন। ৫ মে কালীঘাটের নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে মমতা দাবি করেছিলেন, “আমরা হারিনি, জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে।”

এর আগে ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হওয়ার পরও তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই মামলার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি।

মমতার নতুন আইনি পদক্ষেপকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। রাজ্যের মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ বলেন, “নন্দীগ্রামে হারের পরও তিনি আদালতে গিয়েছিলেন। এবারও একই পথ বেছে নিয়েছেন। আদালতের রায়েই তার সব বিভ্রান্তির অবসান হবে।”

অন্যদিকে, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আবারও মমতার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মমতা ভবিষ্যতে রেজিনগর বা বসিরহাট আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিলে তাকে জেতাতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন এবং প্রয়োজনে তার বিরুদ্ধে প্রার্থীও দেবেন না।

এদিকে, মমতা যখন হাইকোর্টে ছিলেন, তখন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দেন। সই জালিয়াতি ও নির্বাচনী প্রচারে বিতর্কিত মন্তব্য সংক্রান্ত একটি মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়। এর আগের দিনও তাকে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।