ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবসহ ৩ সচিবকে প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন সরকারি অফিসে কোনো ফাইল যেন আটকে না থাকে: আখতার হোসেন চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজ আমার নিজের সন্তান হলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন: আফরোজা খানম রিতা জুনিয়র বৃত্তি পাবেন ৪৬ হাজার শিক্ষার্থী অন্তর্বর্তী সরকারের সময় চাঁদাবাজি বেড়েছে ২০-৫০%: ঢাকা চেম্বার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্য দেশের হস্তক্ষেপ চাইবে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি থেকে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ১২ মার্চ সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি সরকার অবকাঠামো উন্নয়ন ও অপচয় রোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: সড়কমন্ত্রী

হাদিসের আলোকে রোজাদারের করণীয় ও বর্জনীয়

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রমজান ইবাদতের বসন্ত এবং আল্লাহর সান্নিধ্য ও ভালোবাসা অর্জনের মৌসুম। আর কোনো আমল আল্লাহর দরবারে তখনই পরিপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য হয় যখন তা মহানবী (সা.)-এর নিদের্শনা অনুসারে আদায় করা হয়। তাই রোজাদার ব্যক্তিরও উচিত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত ও নির্দেশনা মেনে চলা। নিম্নে রোজাদারের প্রতি নবীজি (সা.)-এর ১২টি বিশেষ নির্দেশনা তুলে ধরা হলো।

১. রাতে নিয়ত করা : ফরজ রোজার নিয়ত সুবহে সাদিকের আগেই সম্পন্ন করতে হবে। তবে নিয়ত সম্পন্ন হওয়ার জন্য তা মুখে উচ্চারণ করা আবশ্যক নয়, বরং ব্যক্তির মনের ইচ্ছা, ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া এবং সাহরি গ্রহণ নিয়ত হিসেবে গণ্য হবে। মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি রাতে রোজার নিয়ত করবে না, তার রোজা হবে না।’ (নাসায়ি, হাদিস : ২৩৩৪)

২. সতর্কতার সঙ্গে অজু করা : রোজা রাখা অবস্থায় ব্যক্তি সতর্কতার সঙ্গে নাকে পানি দেবে এবং কুলি করবে।

কেননা রোজাদার ব্যক্তির জন্য যদি অজুর সময় রোজার কথা স্মরণ থাকে এবং অসতর্কতার কারণে গলার ভেতর পানি চলে যায়, তবে তাঁর রোজা ভেঙে যাবে। মহানবী (সা.) বলেন, ‘তুমি ভালোভাবে অজু করো, আঙুলগুলোর মধ্যে খিলাল করো। আর তুমি রোজাদার না হলে নাকের গভীরে পানি পৌঁছে দাও।’
(সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৭৮৮)

৩. অধিক পরিমাণ ইবাদত করা : মহানবী (সা.) রমজান মাসে অধিক পরিমাণ ইবাদত করতেন এবং তিনি অন্যদেরও অধিক পরিমাণ ইবাদত করতে উৎসাহিত করতেন।

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, নবী (সা.) সর্বাপেক্ষা বেশি দানশীল ছিলেন। তাঁর দানশীলতা বহুগুণ বর্ধিত হতো রমজানের পবিত্র দিনে যখন জিবরাইল (আ.) তাঁর সঙ্গে দেখা করতেন। জিবরাইল (আ.) রমজানের প্রতি রাতে তাঁর সঙ্গে দেখা করে কোরআনের সবক দিতেন। নবী (সা.) কল্যাণ বণ্টনে প্রবাহিত বাতাসের চেয়েও বেশি দানশীল ছিলেন।
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৫৫৪)

৪. অবিরাম রোজা না রাখা : ইফতার ও সাহরি না খেয়ে ধারাবাহিকভাবে রোজা রাখা মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহর পরিপন্থী।

তিনি এমনটি করতে নিষেধ করেছেন। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) লোকদের ওপর দয়াপরবশ হয়ে তাদেরকে অবিরাম রোজা রাখা থেকে নিষেধ করেন। তখন সাহাবিরা বললেন, আপনি যে অবিরাম রোজা রেখে থাকেন! তিনি বললেন, আমি তোমাদের মতো নই, আমার প্রতিপালক আমাকে পানাহার করান।’
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯৬৪)

৫. সাহরি খাওয়া : সাহরি খাওয়া সুন্নত আর বিলম্বে সাহরি খাওয়া উত্তম। মহানবী (সা.) বলেন, ‘তোমরা সাহরি খাও। কেননা সাহরিতে বরকত আছে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯২৩)

আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনটি জিনিস নববী আখলাকের অন্তর্ভুক্ত : দ্রুত ইফতার করা, বিলম্বে সাহরি খাওয়া এবং নামাজে বাঁ হাতের ওপর ডান হাত রাখা। (তাবারানি : ২/১০৮)

৬. দ্রুত ইফতার করা : ইফতারের সময় হওয়ার পর দ্রুত ইফতার করা সুন্নত। নবীজি (সা.) বলেন, ‘মানুষ তত দিন কল্যাণের ওপর থাকবে, যত দিন তারা দ্রুত ইফতার করবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯৫৭)

৭. অধিক পরিমাণে দোয়া করা : মহানবী (সা.) একাধিক হাদিসে রোজাদার ব্যক্তিকে অধিক পরিমাণে দোয়া করতে বলেছেন। কেননা রোজাদারের দোয়া আল্লাহ কবুল করেন। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না : সন্তানের জন্য পিতা-মাতার দোয়া, রোজাদের দোয়া ও মুসাফিরের দোয়া।’ (বায়হাকি, হাদিস : ৬৬১৯)

৮. তাহাজ্জুদ আদায় : মহানবী (সা.) রমজান মাসে অধিক পরিমাণে তাহাজ্জুদ আদায় করতে উৎসাহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় রমজানে রাত্রি জাগরণ করবে আল্লাহ তাঁর পূর্ববর্তী সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় কদরের রাতে জাগ্রত থাকবে আল্লাহ তাঁর পূর্ববর্তী সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৫০২৭)

৯. অন্যকে ইফতার করানো : রোজাদার ব্যক্তিকে ইফতার করানো অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে তারও রোজাদারের মতো সওয়াব হবে। কিন্তু রোজাদারের কোনো সওয়াব কমানো হবে না।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৮০৭)

১০. গুনাহ পরিহার করা : রোজাদার ব্যক্তি যদি রোজার বরকত লাভ করতে চায় তবে তাকে অবশ্যই গুনাহ পরিহার করতে হবে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘রোজা ঢালস্বরূপ। সুতরাং অশ্লীলতা করবে না এবং মূর্খের মতো কাজ করবে না। যদি কেউ তার সঙ্গে ঝগড়া করতে চায়, তাকে গালি দেয়, তবে সে যেন দুইবার বলে, আমি রোজা পালন করছি।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৮৯৪)

১১. শেষ দশকে ইবাদতের পরিমাণ বৃদ্ধি : মহানবী (সা.) শেষ দশকে ইবাদতের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতেন এবং পরিবার-পরিজনকেও ইবাদতের প্রতি উৎসাহিত করতেন। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রমজানের শেষ দশকে মহানবী (সা.) রাত্রি জাগরণ করতেন, পরিবারকে জাগিয়ে দিতেন এবং লুঙ্গি শক্ত করে বেঁধে নিতেন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১১৭৪)

১২. কদরের রাত অনুসন্ধান করা : রমজান মাসের একটি বিশেষ রাত হলো শবেকদর। এই রাতে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি দয়া করেন এবং তাদের পাপ মার্জনা করেন। রমজানের শেষ দশকে নবীজি (সা.) কদরের রাত অনুসন্ধান করতে বলেছে। তিনি বলেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকে কদরের রাত অনুসন্ধান কোরো।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২০২০)

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চীনে মিলল কাঁটায় ঢাকা ডাইনোসর

হাদিসের আলোকে রোজাদারের করণীয় ও বর্জনীয়

আপডেট সময় ০৮:৩০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রমজান ইবাদতের বসন্ত এবং আল্লাহর সান্নিধ্য ও ভালোবাসা অর্জনের মৌসুম। আর কোনো আমল আল্লাহর দরবারে তখনই পরিপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য হয় যখন তা মহানবী (সা.)-এর নিদের্শনা অনুসারে আদায় করা হয়। তাই রোজাদার ব্যক্তিরও উচিত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত ও নির্দেশনা মেনে চলা। নিম্নে রোজাদারের প্রতি নবীজি (সা.)-এর ১২টি বিশেষ নির্দেশনা তুলে ধরা হলো।

১. রাতে নিয়ত করা : ফরজ রোজার নিয়ত সুবহে সাদিকের আগেই সম্পন্ন করতে হবে। তবে নিয়ত সম্পন্ন হওয়ার জন্য তা মুখে উচ্চারণ করা আবশ্যক নয়, বরং ব্যক্তির মনের ইচ্ছা, ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া এবং সাহরি গ্রহণ নিয়ত হিসেবে গণ্য হবে। মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি রাতে রোজার নিয়ত করবে না, তার রোজা হবে না।’ (নাসায়ি, হাদিস : ২৩৩৪)

২. সতর্কতার সঙ্গে অজু করা : রোজা রাখা অবস্থায় ব্যক্তি সতর্কতার সঙ্গে নাকে পানি দেবে এবং কুলি করবে।

কেননা রোজাদার ব্যক্তির জন্য যদি অজুর সময় রোজার কথা স্মরণ থাকে এবং অসতর্কতার কারণে গলার ভেতর পানি চলে যায়, তবে তাঁর রোজা ভেঙে যাবে। মহানবী (সা.) বলেন, ‘তুমি ভালোভাবে অজু করো, আঙুলগুলোর মধ্যে খিলাল করো। আর তুমি রোজাদার না হলে নাকের গভীরে পানি পৌঁছে দাও।’
(সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৭৮৮)

৩. অধিক পরিমাণ ইবাদত করা : মহানবী (সা.) রমজান মাসে অধিক পরিমাণ ইবাদত করতেন এবং তিনি অন্যদেরও অধিক পরিমাণ ইবাদত করতে উৎসাহিত করতেন।

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, নবী (সা.) সর্বাপেক্ষা বেশি দানশীল ছিলেন। তাঁর দানশীলতা বহুগুণ বর্ধিত হতো রমজানের পবিত্র দিনে যখন জিবরাইল (আ.) তাঁর সঙ্গে দেখা করতেন। জিবরাইল (আ.) রমজানের প্রতি রাতে তাঁর সঙ্গে দেখা করে কোরআনের সবক দিতেন। নবী (সা.) কল্যাণ বণ্টনে প্রবাহিত বাতাসের চেয়েও বেশি দানশীল ছিলেন।
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৫৫৪)

৪. অবিরাম রোজা না রাখা : ইফতার ও সাহরি না খেয়ে ধারাবাহিকভাবে রোজা রাখা মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহর পরিপন্থী।

তিনি এমনটি করতে নিষেধ করেছেন। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) লোকদের ওপর দয়াপরবশ হয়ে তাদেরকে অবিরাম রোজা রাখা থেকে নিষেধ করেন। তখন সাহাবিরা বললেন, আপনি যে অবিরাম রোজা রেখে থাকেন! তিনি বললেন, আমি তোমাদের মতো নই, আমার প্রতিপালক আমাকে পানাহার করান।’
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯৬৪)

৫. সাহরি খাওয়া : সাহরি খাওয়া সুন্নত আর বিলম্বে সাহরি খাওয়া উত্তম। মহানবী (সা.) বলেন, ‘তোমরা সাহরি খাও। কেননা সাহরিতে বরকত আছে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯২৩)

আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনটি জিনিস নববী আখলাকের অন্তর্ভুক্ত : দ্রুত ইফতার করা, বিলম্বে সাহরি খাওয়া এবং নামাজে বাঁ হাতের ওপর ডান হাত রাখা। (তাবারানি : ২/১০৮)

৬. দ্রুত ইফতার করা : ইফতারের সময় হওয়ার পর দ্রুত ইফতার করা সুন্নত। নবীজি (সা.) বলেন, ‘মানুষ তত দিন কল্যাণের ওপর থাকবে, যত দিন তারা দ্রুত ইফতার করবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯৫৭)

৭. অধিক পরিমাণে দোয়া করা : মহানবী (সা.) একাধিক হাদিসে রোজাদার ব্যক্তিকে অধিক পরিমাণে দোয়া করতে বলেছেন। কেননা রোজাদারের দোয়া আল্লাহ কবুল করেন। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না : সন্তানের জন্য পিতা-মাতার দোয়া, রোজাদের দোয়া ও মুসাফিরের দোয়া।’ (বায়হাকি, হাদিস : ৬৬১৯)

৮. তাহাজ্জুদ আদায় : মহানবী (সা.) রমজান মাসে অধিক পরিমাণে তাহাজ্জুদ আদায় করতে উৎসাহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় রমজানে রাত্রি জাগরণ করবে আল্লাহ তাঁর পূর্ববর্তী সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় কদরের রাতে জাগ্রত থাকবে আল্লাহ তাঁর পূর্ববর্তী সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৫০২৭)

৯. অন্যকে ইফতার করানো : রোজাদার ব্যক্তিকে ইফতার করানো অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে তারও রোজাদারের মতো সওয়াব হবে। কিন্তু রোজাদারের কোনো সওয়াব কমানো হবে না।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৮০৭)

১০. গুনাহ পরিহার করা : রোজাদার ব্যক্তি যদি রোজার বরকত লাভ করতে চায় তবে তাকে অবশ্যই গুনাহ পরিহার করতে হবে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘রোজা ঢালস্বরূপ। সুতরাং অশ্লীলতা করবে না এবং মূর্খের মতো কাজ করবে না। যদি কেউ তার সঙ্গে ঝগড়া করতে চায়, তাকে গালি দেয়, তবে সে যেন দুইবার বলে, আমি রোজা পালন করছি।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৮৯৪)

১১. শেষ দশকে ইবাদতের পরিমাণ বৃদ্ধি : মহানবী (সা.) শেষ দশকে ইবাদতের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতেন এবং পরিবার-পরিজনকেও ইবাদতের প্রতি উৎসাহিত করতেন। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রমজানের শেষ দশকে মহানবী (সা.) রাত্রি জাগরণ করতেন, পরিবারকে জাগিয়ে দিতেন এবং লুঙ্গি শক্ত করে বেঁধে নিতেন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১১৭৪)

১২. কদরের রাত অনুসন্ধান করা : রমজান মাসের একটি বিশেষ রাত হলো শবেকদর। এই রাতে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি দয়া করেন এবং তাদের পাপ মার্জনা করেন। রমজানের শেষ দশকে নবীজি (সা.) কদরের রাত অনুসন্ধান করতে বলেছে। তিনি বলেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকে কদরের রাত অনুসন্ধান কোরো।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২০২০)