আকাশ নিউজ ডেস্ক :
তৈলাক্ত, সেনসেটিভ ও ব্রণপ্রবণ ত্বকের অধিকারীদের সারাবছরই ব্রণের সমস্যায় ভুগতে হয়। গাল, চিবুক এমনকি কপালেও দেখা দেয় ব্রণ। বাজারের বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহারেও অনেকে ভালো ফল পান না। এক্ষেত্রে ভরসা রাখা যেতে পারে ভেষজে। সঠিকভাবে যত্ন নিলে আর খাদ্যভ্যাস ঠিক থাকলে সহজেই দূর হবে ব্রণের সমস্যা।
হলুদ বাটা:
হলুদে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে। মধু বা গোলাপ জল দিয়ে এক টুকরো হলুদ বেটে নিন। এটি ব্রণের ওপর লাগিয়ে ১৫ মিনিট পরে ত্বক ধুয়ে নিন। হলুদ প্রদাহ, ফোলা ভাব কমায়। মুক্তি দেয় ব্রণের সমস্যা থেকেও।
নিমপাতা:
নিমের মধ্যে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে। ব্রণের ওপর নিমপাতা বাটা লাগাতে পারেন। নিম ত্বকে থেকে ব্যাকটেরিয়াকে দূর করে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এক মুঠো নিমপাতা বেটে ত্বকে লাগিয়ে পনেরো মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে নিন।
অ্যালোভেরা জেল:
ব্রণ তাড়ানোর সহজ সমাধান হলো অ্যালোভেরা জেল। এই প্রাকৃতিক উপাদানের মধ্যে ‘হিলিং’ উপাদান রয়েছে। ত্বকের যে কোনো ক্ষয় সারিয়ে তোলে অ্যালোভেরা। ব্রণ কমানোর পাশাপাশি ব্রণের দাগছোপও দূর করে অ্যালোভেরা জেল। এমনকী ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে এ প্রাকৃতিক উপাদান।
ত্রিফলা:
ত্রিফলা শুধু পেটের সমস্যা দূর করে না। কমায় ব্রণের সমস্যাও। আমলকী, হরিতকি ও বহেরার সংমিশ্রন ত্রিফলা। এক চা চামচ ত্রিফলা গুঁড়োর সঙ্গে পানি মিশিয়ে ঘন পেস্ট বানিয়ে নিন। এটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন পনেরো মিনিট। এরপর ধুয়ে ফেলুন। ত্রিফলাতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের সমস্যা কমায়।
আরও যা মানতে হবে-
খাওয়াদাওয়ায় পরিবর্তন আনুন:
খাওয়াদাওয়া নিয়ে সচেতন না হলে ব্রণের সমস্যা কমবে না। তাই মশলাদার, ভাজা ও প্রক্রিয়াযাত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। তার বদলে জোর দিন শাকসবজি, ফল, দানাশস্যের উপর। শসা, পুদিনার মতো খাবার বেশি করে খান। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করুন। তবেই ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।
ক্লিনজিং:
ত্বক ভালো রাখতে দিনে দুইবার ফেসওয়াশ বা ক্লিনজার দিয়ে পরিষ্কার করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে বাজারচলতি ক্লিনজার ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া বেসন, হলুদ, দইয়ের মতো উপাদান দিয়েও ত্বক পরিষ্কার করতে পারেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























